বাগাতিপাড়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত বাদশা মীরের মৃত্যু, হত্যা মামলায় রূপান্তর
- আপডেট সময় : ০৪:৩১:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ১২৯০ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত বাদশা মীরের মৃত্যু, হত্যা মামলায় রূপান্তর
বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত বাদশা মীর (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ফাগুয়াড়দিয়াড় ইউনিয়নের পাঁচুরিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।
নিহত বাদশা মীর উপজেলার পাঁচুরিয়া গ্রামের মৃত মসলেম মীরের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, চলতি বছরের ৩০ মে দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পাঁচুরিয়া গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমির একটি সুপারি গাছ থেকে সুপারি পাড়াকে কেন্দ্র করে বাদশা মীরের পরিবার ও এনামুল হক মীরের পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাদশা মীরসহ তার পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে বাদশা মীরের অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সাত দিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। পরে গত ৯ জুলাই শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুনরায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে ২৩ জুলাই বাড়ি ফিরে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হলে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি থানায় নিয়ে যায়।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরদিন ৩১ মে উভয় পক্ষ থেকে বাগাতিপাড়া থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং-০৭/৪৫ ও ০৮/৪৬)। ওই মামলায় উভয় পক্ষের দুইজন করে মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছিল।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বাদশা মীরের মৃত্যুর পর তার ভাতিজা খালেদ মাহমুদ সুজনের দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন এবং তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, বাদশা মীরের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।




















