ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড় হাসপাতালের বেডে শি/শুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগ, চিকিৎসাধীন রোগীকে গ্রেপ্তার সিংড়ায় ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে কু’পিয়ে হ/ত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক মান্দায় এতিমখানার উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা সামান্য বৃষ্টিতেই ধস, গোদাগাড়ীর সরমংলা ইকো পার্কের ওয়াকওয়ে নিয়ে প্রশ্ন তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে রাজশাহী চিনিকল শ্রমিকরা, শুরু ফটক সভা বরেন্দ্রকে স্মার্ট কৃষি অঞ্চলে গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বিএমডিএ চেয়ারম্যানের উত্তরাঞ্চলে প্রথমবার শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্তে বিশেষ উদ্যোগ, রাজশাহীতে তিন দিন বিনামূল্যে স্ক্রিনিং বাগাতিপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে এসএসএসের ১,২৫০টি গাছের চারা বিতরণ

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ!

নাজমুল হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ! ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে টাকা ছড়ানো এবং অন্য প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অভিযোগ এনে ৩ নম্বর ওয়ার্ড (পীরগঞ্জ) এর সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে অন্য ৬ জন প্রার্থী।
পীরগঞ্জ উপজেলার ৬ জন সদস্য প্রার্থী এই লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন রির্টানিং অফিসার বরাবরে জমা দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে (পীরগঞ্জ) সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্ধীতা করছেন। এদের মধ্যে ৬ জন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালালেও সদস্য প্রাার্থী গিয়াস উদ্দীন (বৈদ্যুতিক পাখা মার্কা) নির্বাচন আচরণবিধি মানছেন না। তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা সর্বাত্মক লঙ্ঘন করেই চলছেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়,কখনও তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস, কখনো তথ্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ট বন্ধুসহ অনেক মন্ত্রী/এমপিদের নাম ভাঙ্গিয়ে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। তিনি শতাধিক মোটরসাইকেলে ব্যানার লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা করা ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অন্য প্রার্থীদের নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গিয়াস উদ্দীন শতাধিক ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস (কলম ক্যামেরা) ক্রয় করেছেন। যাহা ভোটের দিন ভোটারদের দিয়ে ভোট কেন্দ্রে পাঠাবেন এবং ব্লুটুথ এর মাধ্যমে তার মোবাইল থেকে তিনি তা দেখতে পারবেন যে, কোন কোন ভোটার তাকে ভোট দিচ্ছেন।

উপজেলার ১৪৫ জন ভোটারের মধ্যে তিনি বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বিতরণ করছেন। প্রতি ভোটারের পিছনে তিনি এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ ধার্য করা সহ ইতিমধ্যেই অর্ধেক পেমেন্ট দিয়েছেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে তাকে ভোট প্রদানের বিয়ষটি নিশ্চিত হওয়ার পর বাকি অর্ধেক টাকা দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি ৬০ থেকে ৭০ ভোটে জিতে গেছেন বলেও প্রচার করছেন।

অভিযোগ বিষয়ে সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন বলেন, তিনি কখনোই নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীর এপিএস বা লোক হিসেবে পরিচয় দেন বা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট করার জন্য আমরা সকল প্রকার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০২:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২২

ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ!

নাজমুল হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ! ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে টাকা ছড়ানো এবং অন্য প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখানোসহ নানা অভিযোগ এনে ৩ নম্বর ওয়ার্ড (পীরগঞ্জ) এর সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দীনের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে অন্য ৬ জন প্রার্থী।
পীরগঞ্জ উপজেলার ৬ জন সদস্য প্রার্থী এই লিখিত অভিযোগ জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন রির্টানিং অফিসার বরাবরে জমা দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডে (পীরগঞ্জ) সদস্য পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্ধীতা করছেন। এদের মধ্যে ৬ জন প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালালেও সদস্য প্রাার্থী গিয়াস উদ্দীন (বৈদ্যুতিক পাখা মার্কা) নির্বাচন আচরণবিধি মানছেন না। তিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রীর লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা সর্বাত্মক লঙ্ঘন করেই চলছেন।

অভিযোগে আরো বলা হয়,কখনও তিনি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস, কখনো তথ্য মন্ত্রীর ঘনিষ্ট বন্ধুসহ অনেক মন্ত্রী/এমপিদের নাম ভাঙ্গিয়ে নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপর নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করছেন। তিনি শতাধিক মোটরসাইকেলে ব্যানার লাগিয়ে প্রচার প্রচারণা করা ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে অন্য প্রার্থীদের নানা রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গিয়াস উদ্দীন শতাধিক ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস (কলম ক্যামেরা) ক্রয় করেছেন। যাহা ভোটের দিন ভোটারদের দিয়ে ভোট কেন্দ্রে পাঠাবেন এবং ব্লুটুথ এর মাধ্যমে তার মোবাইল থেকে তিনি তা দেখতে পারবেন যে, কোন কোন ভোটার তাকে ভোট দিচ্ছেন।

উপজেলার ১৪৫ জন ভোটারের মধ্যে তিনি বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বিতরণ করছেন। প্রতি ভোটারের পিছনে তিনি এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ ধার্য করা সহ ইতিমধ্যেই অর্ধেক পেমেন্ট দিয়েছেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের মাধ্যমে তাকে ভোট প্রদানের বিয়ষটি নিশ্চিত হওয়ার পর বাকি অর্ধেক টাকা দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি ৬০ থেকে ৭০ ভোটে জিতে গেছেন বলেও প্রচার করছেন।

অভিযোগ বিষয়ে সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দীন বলেন, তিনি কখনোই নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীর এপিএস বা লোক হিসেবে পরিচয় দেন বা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন না। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভোট করার জন্য আমরা সকল প্রকার প্রস্তুতি নিচ্ছি।