লালপুরে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য খুলনা থেকে গ্রেপ্তার, চেতনানাশক সামগ্রী উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

লালপুরে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য খুলনা থেকে গ্রেপ্তার, চেতনানাশক সামগ্রী উদ্ধার
ললাপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের লালপুরে অজ্ঞান পার্টির দুই সক্রিয় সদস্যকে খুলনার বটিয়াঘাটা ও সোনাডাঙ্গা থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চেতনানাশক বিভিন্ন সামগ্রীসহ অন্যান্য মালামাল উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
লালপুর থানার একটি মামলার তদন্তের সূত্র ধরে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলো, নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার উদবাড়িয়া এলাকার ইমরান খান (৩৭) এবং খুলনার দাকোপ উপজেলার বটবুনিয়া এলাকার আব্দুল মুসা (৪২)।
লালপুর থানা সূত্রে জানা যায়, লালপুর থানায় গত ১৬ সেপ্টেম্বর দণ্ডবিধির ৩২৮/৩৭৯ ধারায় মামলাটি করেন রাসেল (২৬)। তিনি লালপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা। তার ব্যবসায়িক অংশীদার শামীম হোসেন (৩৫) একই উপজেলার ঈশ্বরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে রাসেল ও শামীম গোপালপুর রেলগেট সংলগ্ন ‘ভাই ভাই ফল ভান্ডার’ নামের দোকানে ব্যবসা করছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি ফল ব্যবসায়ী পরিচয়ে তাদের কাছে এসে পাইকারি দরে ডাব, তরমুজ ও সামমাম বিক্রির প্রস্তাব দেন।
অভিযোগে বলা হয়, ওই ব্যক্তি প্রথমে তরমুজ ও সামমাম কেটে তাদের খেতে দেন। পরে ডাব পান করার জন্য অনুরোধ করলে তারা সরল বিশ্বাসে ডাব পান করেন। কিছুক্ষণ পর দুজনই অচেতন হয়ে পড়েন। এ সুযোগে রাসেলের পকেটে থাকা ব্যবসার নগদ ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে মাথা ও মুখে পানি দেন। প্রায় চার-পাঁচ ঘণ্টা পর তারা সুস্থ হলে বিষয়টি স্বজন ও স্থানীয়দের জানান। পরে এ ঘটনায় লালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শফিকুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. মনিরুল ইসলাম অজ্ঞাত আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য ১৬ সেপ্টেম্বর লালপুর থানার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) মূলে খুলনায় অভিযান চালান। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পাওয়া তথ্য ও তদন্তে সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে বটিয়াঘাটা ও সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমরান খান ও আব্দুল মুসাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তবে মামলার তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আদালতে সোপর্দ করা হয়।




















