ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঘুপচি আন্দোলন বা ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সৎ সাহস থাকলে সামনে আসেন- মন্ত্রী জাহিদ পঞ্চগড় জেলা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি, সভাপতি রাসেদ, সম্পাদক বাদশা নালিতাবাড়ী সীমান্তে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ জব্দ লালপুরে ছাত্রলীগের গোপন বৈঠকের অভিযোগ, ছবি-ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় প্রশ্ন বাঘায় বসতবাড়িতে মিলল ২ পিস্তল ও ৭ গু/লি, নারী গ্রেপ্তার বাংলাদেশকে গোলামির শৃঙ্খলে আবদ্ধ রাখতে চায় প্রতিবেশী রাষ্ট্র- চাকসু ভিপি রনি বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে পঞ্চগড়ে সোলার প্রকল্পের উদ্যোগ বাগাতিপাড়া থেকে নিখোঁজের ১৪ মাস পর যশোরে মিলল শিশু, থানায় অভিযোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে সরকারি পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু রাণীশংকৈলে এসিল্যান্ডের বদলি প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের আ. রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলার পর ঘরে থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেপ্তার করে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আ. রহিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের আ. রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলার পর ঘরে থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেপ্তার করে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আ. রহিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।