ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান রাজশাহীতে অনুমোদনহীন বিদেশি চকলেট-লজেন্স বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা বাগাতিপাড়ায় হত্যা-ডাকাতি মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে পবা হাইওয়ে থানা-সওজের যৌথ অভিযান সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাউয়েটে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ উদ্বোধন বাগাতিপাড়ায় অসহায় শাহাদাতের পরিবারের পাশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাগাতিপাড়ায় টিভির প্লাগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু লালপুরে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড় হাসপাতালের বেডে শি/শুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগ, চিকিৎসাধীন রোগীকে গ্রেপ্তার

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের আ. রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলার পর ঘরে থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেপ্তার করে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আ. রহিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

মাধবপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ, এক আসামি গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে (১৭) ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তাকে আদালতের মাধ্যমে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্দিউড়া ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন রাতে লোহাঈদ গ্রামের আ. রহিম (৩৫) ও সুরঞ্জন দাস কৌশলে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে পরিবারের সদস্যদের অচেতন করে ফেলার পর ঘরে থাকা শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন ভোরে প্রতিবেশীরা পরিবারের সদস্যদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ভুক্তভোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার অন্যতম আসামি সুরঞ্জন দাসকে গ্রেপ্তার করে।

মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে সোহেল রানা বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মামলার অপর আসামি আ. রহিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।