ঘুপচি আন্দোলন বা ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সৎ সাহস থাকলে সামনে আসেন- মন্ত্রী জাহিদ
- আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে

ঘুপচি আন্দোলন বা ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না, সৎ সাহস থাকলে সামনে আসেন- মন্ত্রী জাহিদ
মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ বলেছেন, “আমরা ঘুপচি আন্দোলন বা ঘুপচি রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। সৎ সাহস থাকলে সামনে আসেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পাখির মতো গুলি করে মানুষ মেরেছেন, দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করেছেন এবং মেগা প্রকল্পের নামে মেগা ডাকাতি করেছে- এসবের হিসাব বাংলাদেশের মাটিতে হবে। সৎ সাহস থাকলে আইন-আদালতের মাধ্যমে সেগুলোর মুখোমুখি হন। তাহলে পালিয়ে থাকার বা অন্য দেশে আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
তিনি বলেন, তারা বুঝতে পারছেন দেশে তাঁদের অবস্থান কোথায়। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্নভাবে, এমনকি এআই ব্যবহার করেও বিদেশ থেকে নানা ধরনের উসকানি দেওয়া হচ্ছে। কখনো সারের নামে, কখনো বিদ্যুতের নামে কিংবা অন্য কোনো ইস্যুকে কেন্দ্র করে মব কালচার সৃষ্টি করে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা নষ্টের অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না মন্তব্য করে ডা. জাহিদ বলেন, দলীয়ভাবে শুধু প্রতিহত নয়, এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এই দেশের মানুষ অনির্বাচিত সরকার দেখেছে, রাতের সরকার দেখেছে, বিনা ভোটের সরকার দেখেছে এবং ডামি নির্বাচনের সরকার দেখেছে। এসব সরকারের জনগণের কাছে কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন এমন পর্যায়ে নেওয়া হয়েছিল যে সংশ্লিষ্টদের দেশে থাকার মতো ‘সৎ সাহস’ ছিল না। ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে বিএনপি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মাঠে থেকে কাজ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
ডা. জাহিদ বলেন, আমাদের শত শত নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে, লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীকে জেলখানায় রাখা হয়েছে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তারপরও বিএনপির নেতাকর্মীদের মনোবল একটুও টলাতে পারেনি এবং দলের প্রতি আনুগত্যেও কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি।
মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, জেলা পরিষদ প্রশাসক এম.এ. মজিদসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় যোগ দেন।



















