ঢাকা ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
লালপুরে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড় হাসপাতালের বেডে শি/শুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগ, চিকিৎসাধীন রোগীকে গ্রেপ্তার সিংড়ায় ৭ মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে কু’পিয়ে হ/ত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক মান্দায় এতিমখানার উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা সামান্য বৃষ্টিতেই ধস, গোদাগাড়ীর সরমংলা ইকো পার্কের ওয়াকওয়ে নিয়ে প্রশ্ন তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে রাজশাহী চিনিকল শ্রমিকরা, শুরু ফটক সভা বরেন্দ্রকে স্মার্ট কৃষি অঞ্চলে গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বিএমডিএ চেয়ারম্যানের উত্তরাঞ্চলে প্রথমবার শিশুদের জন্মগত হৃদরোগ শনাক্তে বিশেষ উদ্যোগ, রাজশাহীতে তিন দিন বিনামূল্যে স্ক্রিনিং বাগাতিপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে এসএসএসের ১,২৫০টি গাছের চারা বিতরণ

তানোরে ইউপি সদস্যর সালিশ বাণিজ্যের অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩ ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর তানোর-সংগৃহিত

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তানোরে ইউপি সদস্যর সালিশ বাণিজ্যের অভিযোগ!

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
তানোরে ইউপি সদস্যর সালিশ বাণিজ্যের অভিযোগ! রাজশাহীর তানোরে এক ইউপি সদস্যর (মেম্বার) বিরুদ্ধে সালিশ বাণিজ্যর অভিযোগ উঠেছে। ভিকটিম পরিবার থানায় অভিযোগ করতে চাইলেও মেম্বার রেজাউল ইসলাম করতে দেননি।এদিকে মেম্বার রেজাউল ইসলামের নেতৃত্ব ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা, কানধরে ওঠবস ও নাকখত দিয়ে অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন।
উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) যোগীশো গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে কথিত সালিশের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন। কেউ কেউ বলছে এর আগেও মাইনুল একাধিক ঘটনা ঘটিয়ে জরিমানা দিয়ে রক্ষা পেয়েছে এবারো সে রক্ষা পেলো? কেউ বলছে ঘটনা না ঘটলে সালিশ কেনো, আর সালিশে জরিমানার নামে বাণিজ্য কেন?

স্থানীয়রা জানান, যোগীশো গ্রামের মানিক উদ্দিনের পুত্র মাইনুল ইসলাম গত বৃহস্প্রতিবার দিবাগত রাতে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশীর স্ত্রীকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ঘরে ঢুকে। এ সময় ভিকটিমের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে মাইনুলকে আটক করে বিচারের জন্য ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলামের হাতে সোপর্দ করেন। কিন্তু পরের দিন শুক্রবার বিচারের কথা বলা হলেও সকালে বাড়িতে তালা দিয়ে মাইনুল পালিয়ে যায়। কয়েকদিন পর বাড়ি ফিরে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ৫জুন সোমবার দিবাগত রাতে ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযুক্ত মাইনুলের ভাই জিল্লুর রহমানের বাড়িতে সালিশ বৈঠক বসে। সালিশ বৈঠকে অভিযুক্ত মাইনুলের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা, কানধরে ওঠবস ও নাকখত দিয়ে তাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়া হয়। এছাড়াও বিবিধ খরচ বাবদ আরো ১৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সমাজের সম্মান রক্ষায় ছোটখাটো ঘটনায় বিচার করতে হয়। তিনি বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা নয় গভীর রাতে সে প্রতিবেশীর জানালায় উঁকিঝুঁকি দিয়েছিল মাত্র। তিনি বলেন, সালিশ বৈঠকে ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। আর জরিমানা আদায়ের অভিযোগ সঠিক নয়।

এবিষয়ে জিল্লুর রহমান বলেন, গভীর রাতে প্রতিবেশীর জানালায় উঁকি দেয়ার অভিযোগে সালিশ বৈঠক বসে। শুনছি জরিমানা হয়েছে তবে জরিমানার টাকা কি হয়েছে সেটা বিচারকগণ বলতে পারবে, তিনি সেখানে ছিলেন না। এবিষয়ে জানতে চাইলে চাইলে মাইনুল ইসলাম বলেন, তার কিছু বলার নাই কিছু জানার থাকলে মেম্বার রেজাউল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এমন ঘটনা তার জানা নাই।তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া
হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

তানোরে ইউপি সদস্যর সালিশ বাণিজ্যের অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০৮:২৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জুন ২০২৩

তানোরে ইউপি সদস্যর সালিশ বাণিজ্যের অভিযোগ!

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
তানোরে ইউপি সদস্যর সালিশ বাণিজ্যের অভিযোগ! রাজশাহীর তানোরে এক ইউপি সদস্যর (মেম্বার) বিরুদ্ধে সালিশ বাণিজ্যর অভিযোগ উঠেছে। ভিকটিম পরিবার থানায় অভিযোগ করতে চাইলেও মেম্বার রেজাউল ইসলাম করতে দেননি।এদিকে মেম্বার রেজাউল ইসলামের নেতৃত্ব ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে মাত্র ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা, কানধরে ওঠবস ও নাকখত দিয়ে অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছেন।
উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) যোগীশো গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে কথিত সালিশের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন। কেউ কেউ বলছে এর আগেও মাইনুল একাধিক ঘটনা ঘটিয়ে জরিমানা দিয়ে রক্ষা পেয়েছে এবারো সে রক্ষা পেলো? কেউ বলছে ঘটনা না ঘটলে সালিশ কেনো, আর সালিশে জরিমানার নামে বাণিজ্য কেন?

স্থানীয়রা জানান, যোগীশো গ্রামের মানিক উদ্দিনের পুত্র মাইনুল ইসলাম গত বৃহস্প্রতিবার দিবাগত রাতে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবেশীর স্ত্রীকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ঘরে ঢুকে। এ সময় ভিকটিমের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে মাইনুলকে আটক করে বিচারের জন্য ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলামের হাতে সোপর্দ করেন। কিন্তু পরের দিন শুক্রবার বিচারের কথা বলা হলেও সকালে বাড়িতে তালা দিয়ে মাইনুল পালিয়ে যায়। কয়েকদিন পর বাড়ি ফিরে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ৫জুন সোমবার দিবাগত রাতে ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযুক্ত মাইনুলের ভাই জিল্লুর রহমানের বাড়িতে সালিশ বৈঠক বসে। সালিশ বৈঠকে অভিযুক্ত মাইনুলের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা, কানধরে ওঠবস ও নাকখত দিয়ে তাকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেয়া হয়। এছাড়াও বিবিধ খরচ বাবদ আরো ১৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সমাজের সম্মান রক্ষায় ছোটখাটো ঘটনায় বিচার করতে হয়। তিনি বলেন, ধর্ষণের চেষ্টা নয় গভীর রাতে সে প্রতিবেশীর জানালায় উঁকিঝুঁকি দিয়েছিল মাত্র। তিনি বলেন, সালিশ বৈঠকে ইউপি চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন। আর জরিমানা আদায়ের অভিযোগ সঠিক নয়।

এবিষয়ে জিল্লুর রহমান বলেন, গভীর রাতে প্রতিবেশীর জানালায় উঁকি দেয়ার অভিযোগে সালিশ বৈঠক বসে। শুনছি জরিমানা হয়েছে তবে জরিমানার টাকা কি হয়েছে সেটা বিচারকগণ বলতে পারবে, তিনি সেখানে ছিলেন না। এবিষয়ে জানতে চাইলে চাইলে মাইনুল ইসলাম বলেন, তার কিছু বলার নাই কিছু জানার থাকলে মেম্বার রেজাউল ইসলামের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, এমন ঘটনা তার জানা নাই।তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া
হবে।