ঢাকা ০৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্লাড কেয়ার ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপী কর্মসূচি রাজশাহীতে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন নলডাঙ্গায় ধারের দুই লাখ টাকা ফেরত চাওয়ায় আনসার-ভিডিপি নেতাকে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ নালিতাবাড়ীতে চিরকুট রেখে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আ/ত্ম/হ/ত্যা গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল রাণীশংকৈলে কুলিক নদীর পাড় কেটে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন ডেঙ্গু প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পঞ্চগড়ে জাতিসংঘের আদলে দুই দিনব্যাপী ছায়া সম্মেলন রাজশাহীতে সর্প দংশন সচেতনতা দিবসে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আগাম সবজি চাষে লাভবান চাষী হাকিম!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

আগাম সবজি চাষ করে চাষীরা লাভোবান হচ্ছেন

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগাম সবজি চাষে লাভবান চাষী হাকিম!

সবুজ হোসেন রাজা, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
আগাম সবজি চাষে লাভবান চাষী হাকিম! এ বছর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় লাউ, শসা ও ক্ষিরার মত আগাম সবজির চাষ হয়েছে। আগাম সবজির চাষ করে কৃষক যেমন লাভবান হয় তেমনি গ্রামীণ জীবনে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ গ্রামে কৃষকের জমিতে শোভা পাচ্ছে মাচায় ঝুলে থাকা অসংখ্য লাউ। প্রতি ১০০ পিচ লাউ ২ হাজার ৩ শত থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে । এই দাম পেয়ে কৃষক খুশি।

কৃষক আঃ হাকিম জানান, গত বছর তিনি ২০ শতাংশ জমিতে লাউয়ের চাষ করে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছিলাম। তিনি আরো বলেন, জমি প্রস্ত্তত করা থেকে মাচা তৈরি, লেবারসহ অন্যান্য খরচ মিলে আমার প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। সবমিলে আমার ঐ জমি থেকে আমি ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেছিলাম। এ বছর আমি ৭২ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করেছি। যদি আবহাওয়া ভালো থাকে তাহলে আশাকরি ১ লাখ ৫০ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবো।

লাউয়ের জমি পরিদর্শনে এসে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মোঃ এহসানুল হক বলেন, আমরা চাষীদের উচ্চমূল্যের ফসলের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি যেন কৃষক অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আব্দুস ছালাম বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদেরকে উচ্চমূল্যের ফসলের উৎপাদনে নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করছে।
সেই সাথে তা যেন নিরাপদ থাকে সেজন্য আমরা কৃষকের মাঠে ‘‘পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন’’ প্রকল্প থেকে প্রদর্শনী দিয়েছি। তাদেরকে ভার্মি কম্পোষ্ট, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, আঠালো ফাঁদ ইত্যাদির ব্যবহার শিখিয়েছি। কৃষক এগুলোর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে বলে এই ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মনে করেন। উপজেলায় ৬ হেক্টর জমিতে লাউয়ের চাষ হয়েছে। আগামী বছর এর চাষ আরো বাড়বে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আগাম সবজি চাষে লাভবান চাষী হাকিম!

আপডেট সময় : ১০:২৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ অগাস্ট ২০২২

আগাম সবজি চাষে লাভবান চাষী হাকিম!

সবুজ হোসেন রাজা, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
আগাম সবজি চাষে লাভবান চাষী হাকিম! এ বছর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় লাউ, শসা ও ক্ষিরার মত আগাম সবজির চাষ হয়েছে। আগাম সবজির চাষ করে কৃষক যেমন লাভবান হয় তেমনি গ্রামীণ জীবনে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের গাড়াদহ গ্রামে কৃষকের জমিতে শোভা পাচ্ছে মাচায় ঝুলে থাকা অসংখ্য লাউ। প্রতি ১০০ পিচ লাউ ২ হাজার ৩ শত থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে । এই দাম পেয়ে কৃষক খুশি।

কৃষক আঃ হাকিম জানান, গত বছর তিনি ২০ শতাংশ জমিতে লাউয়ের চাষ করে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছিলাম। তিনি আরো বলেন, জমি প্রস্ত্তত করা থেকে মাচা তৈরি, লেবারসহ অন্যান্য খরচ মিলে আমার প্রায় ১৫-২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। সবমিলে আমার ঐ জমি থেকে আমি ৫৫ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ করেছিলাম। এ বছর আমি ৭২ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করেছি। যদি আবহাওয়া ভালো থাকে তাহলে আশাকরি ১ লাখ ৫০ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা লাভ করতে পারবো।

লাউয়ের জমি পরিদর্শনে এসে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মোঃ এহসানুল হক বলেন, আমরা চাষীদের উচ্চমূল্যের ফসলের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি যেন কৃষক অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আব্দুস ছালাম বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদেরকে উচ্চমূল্যের ফসলের উৎপাদনে নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করছে।
সেই সাথে তা যেন নিরাপদ থাকে সেজন্য আমরা কৃষকের মাঠে ‘‘পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন’’ প্রকল্প থেকে প্রদর্শনী দিয়েছি। তাদেরকে ভার্মি কম্পোষ্ট, সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ, আঠালো ফাঁদ ইত্যাদির ব্যবহার শিখিয়েছি। কৃষক এগুলোর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে বলে এই ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মনে করেন। উপজেলায় ৬ হেক্টর জমিতে লাউয়ের চাষ হয়েছে। আগামী বছর এর চাষ আরো বাড়বে।