সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দুই ওসির প্রত্যাহারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
- আপডেট সময় : ০৯:১২:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৭৪ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দুই ওসির প্রত্যাহারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
নাটোর প্রতিনিধি:
নাটোরে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা। এ সময় হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং লালপুর ও বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিতেই ইউএনওকে অবরুদ্ধ করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সংশ্লিষ্ট দুই থানার ওসিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
নির্যাতিত সাংবাদিক ফজলুর রহমান ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, বুধবার দুপুরে তারা ইউএনও কার্যালয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোতালেব হোসেন পান্নার নেতৃত্বে একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলাকারীরা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ধারণ করা ফুটেজ মুছে ফেলে এবং তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে বলেও জানান তিনি।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নাটোর ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের সভাপতি নাসিম উদ্দিন নাসিম, সাধারণ সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, ইউনিক প্রেসক্লাবের সভাপতি দেবাশীষ কুমার সরকার, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, এনটিভির নাটোর প্রতিনিধি হালিম খান, এখন টেলিভিশনের প্রতিনিধি মাহবুব হোসেন, সময় টিভির আল মামুন, বাগাতিপাড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবের সভাপতি আল-আফতাব খান সুইট, এশিয়ান টিভি লালপুর প্রতিনিধি ওমর ফারুক, দেশ টিভির প্রতিনিধি মামুন খানসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, বুধবার (১২ আগস্ট) ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা লালপুর-বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে তারা ইউএনওকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিক হামলার শিকার হন।



















