ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বামীর ভিটে থেকেও বঞ্চিত বৃদ্ধা বিমলা রানী, পুকুরপাড়ের ভাঙা কুঁড়েঘরেই মৃত্যুর প্রহর ধোবাউড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ শ্রীবরদীর শি’শু ধ/র্ষ/ণ মামলার প্রধান আসামি চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাগাতিপাড়ায় শ্রমিকদের খাবার বিতরণ ও আলোচনা সভা নেসকোর ‘ভূতুড়ে’ বিদ্যুৎ বিল প্রত্যাহারের দাবিতে স্মারকলিপি, গ্রাহক হয়রানি বন্ধের আহ্বান রাজশাহীতে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার গোদাগাড়ীতে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার নাটোরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত নাটোরে বিআরটিসি বাসের চাপায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিহত পঞ্চগড়ে সোলার প্যানেল ও কাচ শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল

রাজশাহীতে সার্কেল এসপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

Collected pic

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে সার্কেল এসপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সম্পদ গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ; অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা

রাজশাহীতে সম্পদ গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন— রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) এবং তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দেন। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে অন্তত ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের তদন্তে আরও বলা হয়, শাহানা পারভীনের বৈধ আয়ের পরিমাণ ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে প্রায় ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদক দাবি করেছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম সরকারি পদের অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, মামলাটি সঠিক নয়। তাদের বৈধভাবে কর দেওয়া সম্পদ রয়েছে এবং এসব তার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে সার্কেল এসপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় : ০৩:১১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজশাহীতে সার্কেল এসপি ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সম্পদ গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ; অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা

রাজশাহীতে সম্পদ গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন— রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম (৫৭) এবং তার স্ত্রী শাহানা পারভীন (৪৮)।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য দেন। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তার নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এতে অন্তত ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের তদন্তে আরও বলা হয়, শাহানা পারভীনের বৈধ আয়ের পরিমাণ ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা হলেও পারিবারিক ব্যয়সহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। ফলে প্রায় ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদক দাবি করেছে।

এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম সরকারি পদের অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মীর্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, মামলাটি সঠিক নয়। তাদের বৈধভাবে কর দেওয়া সম্পদ রয়েছে এবং এসব তার স্ত্রীর পারিবারিক সম্পত্তি।