ঢাকা ১০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়াইগ্রামে ডোবার পানিতে পড়ে দুই বছরের শিশু নাইম’র মৃত্যু শ্রীবরর্দী সীমান্তে ৮ লাখ ৪৯ হাজার টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ পবায় অতিঝুঁকিপূর্ণ কীটনাশক বন্ধের দাবি কৃষকদের চীনের বাজার ধরতে রাজশাহীর রেশমকে আধুনিকায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নলডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৪ মাসের কারাদণ্ড গোদাগাড়ীতে দুই ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কলেজছাত্র নিহত দেবীগঞ্জে কিশোর অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের শপথ রাণীনগরে জিপিএ-৫ ও প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা মান্দায় মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ১ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড ঝিনাইগাতীতে জমি নিয়ে বিরোধ: চাঁদা দাবি, মারধর ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

চীনের বাজার ধরতে রাজশাহীর রেশমকে আধুনিকায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Rajshahi news

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চীনের বাজার ধরতে রাজশাহীর রেশমকে আধুনিকায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

এম এম মামুন:
চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশের রেশমের অবস্থান তৈরি করতে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে আধুনিকায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম।

তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও উন্নত বিপণন কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে রেশম শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। রাজশাহীর রেশম শুধু একটি শিল্প নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য ও গর্বের অংশ। আধুনিকায়নের মাধ্যমে এ শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত সহযোগিতার আওতায় রেশম চাষ গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ রেশম কারখানা ও রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেশম চাষের পদ্ধতি উন্নয়ন, তুঁত চাষের প্রসার এবং রেশম সুতার গুণগত মান বাড়ানোর ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চীনের বাজারকে বাংলাদেশের রেশম শিল্পের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে শরিফুল আলম বলেন, মানসম্মত রেশম সুতা ও কাপড় উৎপাদনের পাশাপাশি আধুনিক নকশা, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ও বিপণন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এর মাধ্যমে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সিল্ক আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারখানা পুনরায় চালুর পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণ ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে। রাজশাহীর রেশম শিল্পের উন্নয়নে বিপণন নীতি উন্নয়নের কাজ চলছে।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালে পুনরায় চালুর পর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কারখানায় ৫৯ হাজার ৪৬৮ মিটার রেশম কাপড় উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে কারখানার নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রে গরদ শাড়ি, প্রিন্টেড শাড়ি, পাঞ্জাবির কাপড় ও বলাকা সিল্কসহ বিভিন্ন রেশম পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চীনের ঝেজিয়াং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ও ভাইস ডিন অধ্যাপক জু কিউজি এবং চীন-বাংলাদেশ রেশম গবেষণা কেন্দ্রের প্রকল্প উদ্যোক্তা ও প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক নুসরাত জাহান নিপা।

সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চীনের বাজার ধরতে রাজশাহীর রেশমকে আধুনিকায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:২০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

চীনের বাজার ধরতে রাজশাহীর রেশমকে আধুনিকায়ন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী

এম এম মামুন:
চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশের রেশমের অবস্থান তৈরি করতে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে আধুনিকায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম।

তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও উন্নত বিপণন কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে রেশম শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। রাজশাহীর রেশম শুধু একটি শিল্প নয়, এটি দেশের ঐতিহ্য ও গর্বের অংশ। আধুনিকায়নের মাধ্যমে এ শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজশাহীর বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত সহযোগিতার আওতায় রেশম চাষ গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ রেশম কারখানা ও রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেশম চাষের পদ্ধতি উন্নয়ন, তুঁত চাষের প্রসার এবং রেশম সুতার গুণগত মান বাড়ানোর ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চীনের বাজারকে বাংলাদেশের রেশম শিল্পের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে শরিফুল আলম বলেন, মানসম্মত রেশম সুতা ও কাপড় উৎপাদনের পাশাপাশি আধুনিক নকশা, প্যাকেজিং, ব্র্যান্ডিং ও বিপণন কৌশল গ্রহণ করতে হবে। এর মাধ্যমে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সিল্ক আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কারখানা পুনরায় চালুর পাশাপাশি বাজার সম্প্রসারণ ও দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে। রাজশাহীর রেশম শিল্পের উন্নয়নে বিপণন নীতি উন্নয়নের কাজ চলছে।

সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৮ সালে পুনরায় চালুর পর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কারখানায় ৫৯ হাজার ৪৬৮ মিটার রেশম কাপড় উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে কারখানার নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রে গরদ শাড়ি, প্রিন্টেড শাড়ি, পাঞ্জাবির কাপড় ও বলাকা সিল্কসহ বিভিন্ন রেশম পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চীনের ঝেজিয়াং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক ও ভাইস ডিন অধ্যাপক জু কিউজি এবং চীন-বাংলাদেশ রেশম গবেষণা কেন্দ্রের প্রকল্প উদ্যোক্তা ও প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক নুসরাত জাহান নিপা।

সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন।