ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নালিতাবাড়ীতে চিরকুট রেখে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আ/ত্ম/হ/ত্যা গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল রাণীশংকৈলে কুলিক নদীর পাড় কেটে মাটি উত্তোলনের অভিযোগ পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষ উদ্বোধন ডেঙ্গু প্রতিরোধে পঞ্চগড়ে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পঞ্চগড়ে জাতিসংঘের আদলে দুই দিনব্যাপী ছায়া সম্মেলন রাজশাহীতে সর্প দংশন সচেতনতা দিবসে প্রশিক্ষণ কর্মশালা লালপুরে সদ্য খনন করা ডোবায় ডুবে দুই ভাই-বোনের মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় স্ত্রীর কাছে মাদক কেনার টাকা না পেয়ে স্বামীর আ/ত্ম/হ/ত্যা বাগাতিপাড়ায় পুকুরপাড়ে শার্ট-স্যান্ডেল, পানিতে মিলল আনসার ভিডিপি সদস্যের মরদেহ

শহীদ জিয়ার দেখানো পথে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো: ভূমিমন্ত্রী

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শহীদ জিয়ার দেখানো পথে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো: ভূমিমন্ত্রী

গোদাগাড়ীতে দমদমা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করে বাংলাদেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যাবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দমদমা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, “সারা বাংলাদেশে আজ যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে তা শহীদ জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই। আমরা নিজেদের মাটি নিজেরা খুঁড়ে পানি আনবো, সেই মাটিতে চাষ করবো এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ভয়াবহ খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তখন দেশের মানুষ চরম কষ্টে ছিল। অথচ সেই সময় দেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাত কোটি। পরে শহীদ জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। এর ফলে এক ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে পরিণত হয় এবং ১৯৭৭-৭৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠে।”

এ সময় তিনি তার ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, রাজশাহীতে জিয়াউর রহমান নিজে এসে খাল খননের কাজ উদ্বোধন করেছিলেন। সেই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল এবং এলাকায় কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শহীদ জিয়ার দেখানো পথে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো: ভূমিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

শহীদ জিয়ার দেখানো পথে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো: ভূমিমন্ত্রী

গোদাগাড়ীতে দমদমা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথ অনুসরণ করে বাংলাদেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে যাবে।

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দমদমা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, “সারা বাংলাদেশে আজ যে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে তা শহীদ জিয়ার দেখানো পথ অনুসরণ করেই। আমরা নিজেদের মাটি নিজেরা খুঁড়ে পানি আনবো, সেই মাটিতে চাষ করবো এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো।”

তিনি আরও বলেন, “১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে ভয়াবহ খাদ্য সংকট ও দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। তখন দেশের মানুষ চরম কষ্টে ছিল। অথচ সেই সময় দেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় সাত কোটি। পরে শহীদ জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং সারা দেশে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। এর ফলে এক ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে পরিণত হয় এবং ১৯৭৭-৭৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠে।”

এ সময় তিনি তার ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, রাজশাহীতে জিয়াউর রহমান নিজে এসে খাল খননের কাজ উদ্বোধন করেছিলেন। সেই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় মানুষ ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল এবং এলাকায় কৃষিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসে।

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ নাঈমুল হাছানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।