নাটোরে ক্লিনিক মালিকের গলা-কা/টা মরদেহ উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০১৪ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে ক্লিনিক মালিকের গলা-কা/টা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে বেসরকারি জনসেবা হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারি ডাঃ আমিনুল ইসলাম (৬৫) এর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে নাটোর শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকায় অবস্থিত বেসরকারি হাসপাতালটির একটি কক্ষে তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন হাসপাতালের স্টাফরা। পুলিশের ধারণা, ভোর রাত থেকে সকাল ৯টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন। নিহত আমিনুল ইসলাম জেলার সিংড়া উপজেলার বাঁশবাড়িয়া এলাকার হাসান মাস্টারের ছেলে।
এদিকে বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।
জানা গেছে, সোমবার সকালে রোগীর অপারেশন করার পর হাসপাতালেই নিজের নির্ধারিত কক্ষে অবস্থান করছিলেন তিনি। পরে হাসপাতালের স্টাফরা তাকে ডাকতে গেলে ভেতর থেকে কোন সাড়া পাচ্ছিলেন না। পরে দুপুরে তারা কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারি ডাঃ আমিনুল ইসলামের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ, সিআইডি, ডিবি ও র্যাবের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছান। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় ছায়া তদন্ত করা হয়েছে। এছাড়া অধিকতর তদন্তের জন্য ঢাকা থেকে ফরেনসিক টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পৌছার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হবে।
স্টাফ নার্স ফাহিমা আক্তার জানান, দুপুর ২টার পর রোগীর অপারেশন ছিল। কিন্তু ডাঃ আমিনুল ইসলাম আসতে দেরি করায় স্টাফরা তাকে তার কক্ষে ডাকতে যায়। কিন্তু ভেতর থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কক্ষের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে গেলে মেঝেতে তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক ও অনার্স মালিক এসোসিয়েশনের আব্দুল আওয়াল রাজা জানান, এই হত্যাকান্ডে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের খুুঁজে বের করে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। দ্রুত সঠিক তদন্ত করে এই ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছি।
নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, এটি হত্যাকান্ড বলেই মনে হচ্ছে। প্রযুক্তিগত তথ্য, উপাত্ত, ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তদন্ত চলছে। ঢাকা থেকে ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করার পর নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশ, ডিবি, সিআইডি, র্যাবের টিম কাজ করছে বলেও জানান তিনি।























