আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য নেই পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি
- আপডেট সময় : ০৩:১৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫ ১৩২৭ বার পড়া হয়েছে

আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য নেই পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি
আগের মতো প্রাণচাঞ্চল্য নেই চতুর্থদেশীয় পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি। বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারনে প্রায় সাত মাস ধরে এ অবস্থা বিরাজ করছে। এখানে রয়েছে লোক যাতায়াতে চেকপোস্ট (ইমিগ্রেশন) সুবিধা। তবে ভারত-বাংলাদেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েন সম্পর্কের কারনে পণ্য আমদানি ও রপ্তানির মুখ থুবড়ে পড়েছে। শুধু মাত্র ভারত হতে প্রতিদিন কিছু পাথর আমদানী করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ভারতে তেমন পণ্য আমদানীও হচ্ছে না।
একটি সূত্রে জানা যায়, শুধু মাত্র চিকিৎসা নিতে প্রতিদিন ৩৫ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জনের মত বাংলাদেশী নাগরিকরা ভারতে যায়। কারণ ভারত সরকার রাজনৈতিক কারনে পর্যটকদের জন্য ভিসা বন্ধ রেখেছে। অন্য সূত্র জানায় বন্দরটির আমদানী অবস্থা মুখ থুবরে পড়েছে। এর কারনে বন্দরটি থেকে সরকার এবারে নির্ধারিত রাজস্বের অর্ধেক আয় না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
জানা যায় ১৯৯৭ সালে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটির আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রম চালু হলেও শুধুমাত্র নেপালের সাথে বাংলাদেশের সীমিত পরিসরে পণ্যের আমদানী-রফতানী শুরু হয়। এরপর ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারী শুরু হয় ভারতের সাথে আমদানী রফতানি। তবে শুরুর দিকে ভারত শুধু বাংলাদেশকে পাথর দিতো। এরপর শুরু হয় ভূটানের সাথে আমদানী। ভূটান শুধু তাদের রপাথর দিয়ে আসেছিল।
তবে একটি সূত্র দাবী করেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের ভূমি ব্যবহার করে বাংলাদেশে পাথর আমদানী করে আসছিল। প্রায় বাধ সাধে পশ্চিমবঙ্গ সরকার তারা ভূটানের পাথর রফতানি করতে বেশি ভ্যাট আরোপ করায় ভূটানের তা দিতে অপারগতা জানায়। কারন হিসেবে তারা জানায় এতে নেপালের ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়বে।
এবিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি ইমিগ্রেশন পুলিশ। এদিকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের সহজকারী কমিশনাররা রাজস্ব কর্মকর্তা ইসাহাক আলী এনবিআরের অজুহাত দেখিয়ে কোন তথ্য বা সাক্ষাৎ দিতে রাজী হননি।




















