ঢাকা ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবি; দুই দিন পর বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার লালপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু, অপমৃত্যু মামলা রুজু লালপুরে সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, ওঝার ঝাড়ফুঁকে সময়ক্ষেপণের অভিযোগ ঝিনাইগাতীতে ভাতিজার হামলায় চাচি নিহত, হত্যা মামলার প্রস্তুতি ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভনে কিশোরী ধ/র্ষ/ণ চেষ্টা, ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে রাবিতে মানববন্ধন লাওসে এশিয়া ন্যাশনাল ওয়াটার কনসালটেটিভ মিটিংয়ে এমপি মিলন লালপুরে ওয়ার্কশপ ও লেদ মেশিনের শব্দদূষণে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা, ইউএনওর কাছে অভিযোগ রাণীশংকৈলে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা, তৃণমূলে সংগঠন শক্তিশালী করার আহ্বান  লালপুরে পৃথক ঘটনায় দুই কিশোরী নিখোঁজ, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আবেদন

রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ড!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩ ২১৬ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর কারাদণ্ড

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ড!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ড! রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী সোহাগ হোসেনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে মামলার অপর আসামি সোহাগের নানা ইয়াসিন, মামা ইমরান ও মা রূপালি বেগমকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহাগ হোসেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার চানপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আলীর ছেলে।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায় কোর্ট পুলিশ।
ট্রাইব্যুনালে থাকা রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নাসরিন আখতার মিতা জানান, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের দক্ষিণ মাঝগ্রাম মোল্লাপাড়ার আব্দুল হান্নানের মেয়ে সাবিনা খাতুনের আগের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সোহাগের। সোহাগ ট্রলির হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। ২০২১ সালের শুরু দিকে পরিবারের অমতে সাবিনাকে বিয়ে করেন সোহাগ। কিন্তু সোহাগের তুলনায় সাবিনার বয়স বেশি এবং ডিভোর্সি। এনিয়ে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। সোহাগ দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করলে ৬০ হাজার টাকা দেয় সাবিনার মা। টাকা নেওয়ার পর সাবিনাকে তালাক দিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন তার মা রূপালি। এক পর্যায়ে বিয়ের দেড় মাসের মাথায় ৩০ এপ্রিল রাতে নিজ ঘরেই শ্বাসরোধে সাবিনাকে হত্যা করেন সোহাগ। এ ঘটনায় সোহাগসহ চারজনের নামে মামলা করেন সাবিনার মা।
অ্যাডভোকেট নাসরিন আখতার মিতা জানান, হত্যাকাণ্ডের সময় সোহাগের বয়স ছিল ১৭ বছর। কিন্তু বর্তমানে তার বয়স ১৯ বছর পার হয়েছে। শিশু আইনে তার বিচার হলেও বয়স বিবেচনায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে না পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি তিনজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ড!

আপডেট সময় : ০৫:৩০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ এপ্রিল ২০২৩

রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ড!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ১০ বছর কারাদণ্ড! রাজশাহীতে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী সোহাগ হোসেনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রায়ে মামলার অপর আসামি সোহাগের নানা ইয়াসিন, মামা ইমরান ও মা রূপালি বেগমকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহাগ হোসেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার চানপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আলীর ছেলে।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামিকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায় কোর্ট পুলিশ।
ট্রাইব্যুনালে থাকা রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নাসরিন আখতার মিতা জানান, রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হামিরকুৎসা ইউনিয়নের দক্ষিণ মাঝগ্রাম মোল্লাপাড়ার আব্দুল হান্নানের মেয়ে সাবিনা খাতুনের আগের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সোহাগের। সোহাগ ট্রলির হেলপার হিসেবে কাজ করতেন। ২০২১ সালের শুরু দিকে পরিবারের অমতে সাবিনাকে বিয়ে করেন সোহাগ। কিন্তু সোহাগের তুলনায় সাবিনার বয়স বেশি এবং ডিভোর্সি। এনিয়ে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। সোহাগ দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করলে ৬০ হাজার টাকা দেয় সাবিনার মা। টাকা নেওয়ার পর সাবিনাকে তালাক দিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন তার মা রূপালি। এক পর্যায়ে বিয়ের দেড় মাসের মাথায় ৩০ এপ্রিল রাতে নিজ ঘরেই শ্বাসরোধে সাবিনাকে হত্যা করেন সোহাগ। এ ঘটনায় সোহাগসহ চারজনের নামে মামলা করেন সাবিনার মা।
অ্যাডভোকেট নাসরিন আখতার মিতা জানান, হত্যাকাণ্ডের সময় সোহাগের বয়স ছিল ১৭ বছর। কিন্তু বর্তমানে তার বয়স ১৯ বছর পার হয়েছে। শিশু আইনে তার বিচার হলেও বয়স বিবেচনায় তাকে শিশু সংশোধনাগারে না পাঠিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি তিনজন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।