রাজশাহীতে বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনঃ গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যার ওপর জোর দিলেন ভূমিমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৬:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনঃ গাছ লাগানোর পাশাপাশি পরিচর্যার ওপর জোর দিলেন ভূমিমন্ত্রী
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে ১৫ দিনব্যাপী মেলায় ৫২টি স্টল
রাজশাহীতে বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, গাছ বড় হয়ে ওঠা পর্যন্ত এর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। গাছ লাগানোর চেয়ে তা সংরক্ষণ করাই বেশি কঠিন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ১১টায় রাজশাহী নগরীর নজরুল ভিলেজে আয়োজিত ১৫ দিনব্যাপী রাজশাহী বিভাগীয় বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের মেলার প্রতিপাদ্য ছিল ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি গাছের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগে সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। একইভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও ব্যাপক সবুজায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। সে সময় রাজশাহী জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছিল।
মিজানুর রহমান মিনু বলেন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালে তিনি ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছিলেন। তখন রাজশাহী অনেক বেশি সবুজ ছিল। আবারও পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে রাজশাহীকে একটি সবুজ নগরীতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
নগরের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা বৃক্ষরোপণ করুন। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাইদসহ অন্যান্য অতিথিরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম।
এবারের বৃক্ষমেলায় মোট ৫২টি স্টল অংশ নিয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। উদ্বোধনের আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলার প্রবেশদ্বারে এসে শেষ হয়।



















