ঢাকা ১১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় এক ঘণ্টায় শেয়ালের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত মাত্র ৫০০ টাকায় ঠাকুরগাঁও থেকে তেঁতুলিয়া ভ্রমণ, ইএসডিওর ‘ডে ট্রিপ’ চালু বাইপাস সড়ক নেই পঞ্চগড় শহরে, যানজটে চরম দুর্ভোগ লালপুরে বাড়ির পেছন থেকে গাঁজাগাছ উদ্ধার, বাড়ির মালিক আটক রাণীনগরে নারীকে উ’ত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতিসহ ছু/রিকাঘাতে আহত ২ রাজশাহীতে লিচুবাগান থেকে ১০৩টি তাজা ককটেল উদ্ধার লালপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: বাড়ি-দোকানে হামলা, বৃদ্ধাকে কুপিয়ে ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরতে চাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে প্রত্যাহার আপনাদের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা- বাগাতিপাড়ায় প্রতিমন্ত্রী পুতুল পঞ্চগড়ে চাকলাহাটে শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দিরের সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন

খসরুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১ ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটােরের গুরুদাসপুর উপজেলার শিকারপুর বাজার এলাকা সুদ কারবারীদের সর্গরাজ্যে পরিনিত হয়েছে। অনেকেই রক্তচোষা এ ব্যবসার সাথে জড়িত। এদের মধ্যে আব্দুল জলিলের ছেলে আমিরুল ইসলাম ওরফে খসরুর নাম সবার উপরে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তিনি সুদ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যেখানে দারিদ্রতা সেখানেই তার উদারতা। তার উদারতার ফাঁদে পড়ে নি:স্ব হয়েছেন অনেকেই।
ভুক্তভোগীরা জানায়, মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে সুদের ফাঁদে ফেলে তাদের নিঃস্ব করছেন খসরু। তিনি শুধু সুদ কারবারীই নন মামলাবাজও। সুদ গ্রহীতাদের কাছ থেকে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন ব্যাংকের ফাঁকা চেকে তাদের স্বাক্ষর নিয়ে সুদ ব্যবসা করেন তিনি। সময়মতো সুদের টাকা দিতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো টাকার অংক বসিয়ে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়াই তার কাজ। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করা হয়। কখনও বাড়ি ঘরে হামলা করে মারপিটও করা হয়।
খসরুর সুদের ফাঁদে পড়া উপজেলার বিন্যাবাড়ী গ্রামের গোলাম কিবরিয়া ওরফে আওয়াল জানান, থসরু তাকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা দিয়ে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। ইতিমধ্যে সুদ নিয়েছেন ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এতেও ক্ষান্ত হননি তিনি। ফাঁকা চেকে সাড়ে ৯ লাখ টাকা বসিয়ে চেক ডিজআনারের মামলা করবে বলে উকিল নোটিশ পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। এবিষয়ে খসরুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আওয়াল।
স্থানীয়রা জানায়, শুধু খসরুই নয় তার স্ত্রী, ভাই ও বেশ কয়েকজন সহযোগী এ ব্যবসার সাথে জড়িত। আইনি পদক্ষেপ না থাকায় খসরুর মতো আরো অনেকেই এলাকায় দেদার সুদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ বলেছেন, খসরু তাদের বিপদের বন্ধু। সুদ নিলেও দুঃসময়ে তার কাছে থেকে টাকা পাওয়া যায়। খসরুর চাচাতো ভাই হান্নান প্রামানিক বলেন, সুদের ব্যবসা করেই খান্ত নন তিনি। জমিজমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথ্যে মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করেন। খসরু মানুষের সাথে বিনা কারনে বিরোধ বাধিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
এব্যাপারে খসরুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
থানার ওসি মোঃ আব্দুল মতিন জানান,খসরুর বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গুরুদাসপুরের ইউএনও মোঃ তমাল হোসেন জানান, তদন্ত করে খসরু দোষী হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

October 19, 2021
খসরুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

খসরুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:২২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটােরের গুরুদাসপুর উপজেলার শিকারপুর বাজার এলাকা সুদ কারবারীদের সর্গরাজ্যে পরিনিত হয়েছে। অনেকেই রক্তচোষা এ ব্যবসার সাথে জড়িত। এদের মধ্যে আব্দুল জলিলের ছেলে আমিরুল ইসলাম ওরফে খসরুর নাম সবার উপরে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তিনি সুদ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। যেখানে দারিদ্রতা সেখানেই তার উদারতা। তার উদারতার ফাঁদে পড়ে নি:স্ব হয়েছেন অনেকেই।
ভুক্তভোগীরা জানায়, মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে সুদের ফাঁদে ফেলে তাদের নিঃস্ব করছেন খসরু। তিনি শুধু সুদ কারবারীই নন মামলাবাজও। সুদ গ্রহীতাদের কাছ থেকে নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও বিভিন্ন ব্যাংকের ফাঁকা চেকে তাদের স্বাক্ষর নিয়ে সুদ ব্যবসা করেন তিনি। সময়মতো সুদের টাকা দিতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো টাকার অংক বসিয়ে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়াই তার কাজ। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে মামলা করে হয়রানি করা হয়। কখনও বাড়ি ঘরে হামলা করে মারপিটও করা হয়।
খসরুর সুদের ফাঁদে পড়া উপজেলার বিন্যাবাড়ী গ্রামের গোলাম কিবরিয়া ওরফে আওয়াল জানান, থসরু তাকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা দিয়ে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। ইতিমধ্যে সুদ নিয়েছেন ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এতেও ক্ষান্ত হননি তিনি। ফাঁকা চেকে সাড়ে ৯ লাখ টাকা বসিয়ে চেক ডিজআনারের মামলা করবে বলে উকিল নোটিশ পাঠিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। এবিষয়ে খসরুর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আওয়াল।
স্থানীয়রা জানায়, শুধু খসরুই নয় তার স্ত্রী, ভাই ও বেশ কয়েকজন সহযোগী এ ব্যবসার সাথে জড়িত। আইনি পদক্ষেপ না থাকায় খসরুর মতো আরো অনেকেই এলাকায় দেদার সুদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ বলেছেন, খসরু তাদের বিপদের বন্ধু। সুদ নিলেও দুঃসময়ে তার কাছে থেকে টাকা পাওয়া যায়। খসরুর চাচাতো ভাই হান্নান প্রামানিক বলেন, সুদের ব্যবসা করেই খান্ত নন তিনি। জমিজমাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথ্যে মামলা দিয়ে মানুষকে হয়রানি করেন। খসরু মানুষের সাথে বিনা কারনে বিরোধ বাধিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
এব্যাপারে খসরুর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
থানার ওসি মোঃ আব্দুল মতিন জানান,খসরুর বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গুরুদাসপুরের ইউএনও মোঃ তমাল হোসেন জানান, তদন্ত করে খসরু দোষী হলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

October 19, 2021
খসরুর সুদের ফাঁদে নিঃস্ব হচ্ছে মানুষ
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement