ঢাকা ০২:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে দূরে রাখতে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রাজশাহী বোর্ডে রাতভর এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণ, সচিব বললেন জানতেন না ঠাকুরগাঁওয়ে লিগ্যাল এইড সেবা ডিজিটাল করার উদ্যোগ, মতামত নিল ইউএনডিপি পঞ্চগড়ে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ৪৮ পাউন্ডের কেক শেরপুর সীমান্তে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ বাগাতিপাড়ায় গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন নারীর মৃত্যু গোদাগাড়ীতে ডিলারের গুদামে ৮১৭ বস্তা সার, এক মাসের কারাদণ্ড দুপচাঁচিয়ায় বিএসটিআইয়ের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা ১৫ বছর ধরে অসুস্থ জুঁই, থেমে গেছে স্কুলে যাওয়া; চিকিৎসার জন্য আকুতি বগুড়ায় মশার কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

রেশম শিল্পে নতুন পরিকল্পনা, বিদেশি বিনিয়োগে নজর সরকারের

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রেশম শিল্পে নতুন পরিকল্পনা, বিদেশি বিনিয়োগে নজর সরকারের

ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আধুনিকায়ন ও গবেষণায় জোর, বললেন প্রতিমন্ত্রী

দেশের ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে এই শিল্পকে আধুনিকায়ন ও এর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

তিনি বলেন, সিল্কের প্রসার ঘটাতে সরকার মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ শিল্পের উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই খাতকে আধুনিকায়ন ও গবেষণার মাধ্যমে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে, যার প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই এই পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। এ সংকট কাটাতে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন, যাদের সংখ্যা বয়সের কারণে কমে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে না পারলে এ শিল্পের ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বন্ধ কারখানাগুলো চালু করা এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এখন সময়ের দাবি।

চীন ও জাপানের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বিস্তার ঘটানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিগগিরই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রেশম শিল্পে নতুন পরিকল্পনা, বিদেশি বিনিয়োগে নজর সরকারের

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

রেশম শিল্পে নতুন পরিকল্পনা, বিদেশি বিনিয়োগে নজর সরকারের

ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে আধুনিকায়ন ও গবেষণায় জোর, বললেন প্রতিমন্ত্রী

দেশের ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে এই শিল্পকে আধুনিকায়ন ও এর হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।

তিনি বলেন, সিল্কের প্রসার ঘটাতে সরকার মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাজশাহী রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ শিল্পের উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এই খাতকে আধুনিকায়ন ও গবেষণার মাধ্যমে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে ৪০০ থেকে ৪৫০ মেট্রিক টন রেশমের চাহিদা রয়েছে, যার প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। স্থানীয় কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া বা পিছিয়ে পড়ার কারণেই এই পরনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। এ সংকট কাটাতে পলু চাষ, তুঁত গাছের উন্নয়ন এবং রেশম সুতার মান বৃদ্ধিতে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন বোসনি রয়েছেন, যাদের সংখ্যা বয়সের কারণে কমে যাচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে না পারলে এ শিল্পের ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বন্ধ কারখানাগুলো চালু করা এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এখন সময়ের দাবি।

চীন ও জাপানের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় সিল্ক পণ্যের বিস্তার ঘটানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিগগিরই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এর আগে পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।

এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী (ঈশা)সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।