ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান রাজশাহীতে অনুমোদনহীন বিদেশি চকলেট-লজেন্স বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা বাগাতিপাড়ায় হত্যা-ডাকাতি মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন, একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে পবা হাইওয়ে থানা-সওজের যৌথ অভিযান সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাউয়েটে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ উদ্বোধন বাগাতিপাড়ায় অসহায় শাহাদাতের পরিবারের পাশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাগাতিপাড়ায় টিভির প্লাগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু লালপুরে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক, থানায় মামলা ঠাকুরগাঁওয়ে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন পঞ্চগড় হাসপাতালের বেডে শি/শুকে ধ/র্ষ/ণচেষ্টার অভিযোগ, চিকিৎসাধীন রোগীকে গ্রেপ্তার

মোহনপুরে অবৈধ ইটভাটায় কাঠ পোড়াতে ভ্রাম্যমাণ স’মিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহনপুরে অবৈধ ইটভাটায় কাঠ পোড়াতে ভ্রাম্যমাণ স’মিল

এম এম মামুন, নিউজ ডেস্ক:
মোহনপুরে অবৈধ ইটভাটায় কাঠ পোড়াতে ভ্রাম্যমাণ স’মিল। রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়েই চলছে ইটভাটা। এ সব ভাটায় ইট প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে তিন ফসলি জমি। আর ইট পোড়াতে ব্যবহার করা হচ্ছে জ্বালানি কাঠ। ভাটার সত্ত্বাধিকারীরা আরও এক ধাপ এগিয়ে বসিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ স’মিল। সেখানে বড় বড় গাছের গুড়ি চিরে ফেলা হচ্ছে ভাটায়। মোহনপুর উপজেলার ঘাসিগ্রাম হিন্দুপাড়ার পাশে ফসলি জমিতে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ সথ মিলের এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ইট পোড়াতে কোন জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করা যাবে না। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ইটভাটা স্থাপন করার কথা থাকলেও সনাতন পদ্ধতিতেই এখনো ইট প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ইটভাটা ঘুরে দেখা গেছে, ইট পোড়াতে বড় বড় গাছের গুড়ি জড়ো করা হয়েছে। ভাটায় কর্মরত এক শ্রমিক বলেন, প্রতি চার লাখ ইট প্রস্তুত করতে ২০ থেকে ২২ দিন সময় লাগে। এতে প্রায় ৩৫ হাজার মণ কাঠ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগে দূর থেকে কাঠ চিরে আনা হতো। এতে সময় এবং অর্থ বেশি ব্যয় হতো। যে কারণে ভাটার মালিক নিজেই এক করাত বিশিষ্ট সথমিল স্থাপন করেছেন।

এ বিষয়ে ভাটার মালিক একরামুল হোসেন ও আতিকুর রহমান বলেন, তাদের ভাটার সব কাগজপত্র ঠিক নেই। তবে সবাই যেভাবে চলছেন, তারাও সেভাবেই চালাছেন। তারা আরও বলেন, এই উপজেলার অনেক ইটভাটা রয়েছে। অধিকাংশ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট প্রস্তুত করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করায় ফসলসহ মৌসুমি ফলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ফসল ও মৌসুমি ফল রক্ষার জন্য অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সানওয়ার হোসেন বলেন, অতিদ্রুত ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোহনপুরে অবৈধ ইটভাটায় কাঠ পোড়াতে ভ্রাম্যমাণ স’মিল

আপডেট সময় : ০৩:৩৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২

মোহনপুরে অবৈধ ইটভাটায় কাঠ পোড়াতে ভ্রাম্যমাণ স’মিল

এম এম মামুন, নিউজ ডেস্ক:
মোহনপুরে অবৈধ ইটভাটায় কাঠ পোড়াতে ভ্রাম্যমাণ স’মিল। রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না নিয়েই চলছে ইটভাটা। এ সব ভাটায় ইট প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে তিন ফসলি জমি। আর ইট পোড়াতে ব্যবহার করা হচ্ছে জ্বালানি কাঠ। ভাটার সত্ত্বাধিকারীরা আরও এক ধাপ এগিয়ে বসিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ স’মিল। সেখানে বড় বড় গাছের গুড়ি চিরে ফেলা হচ্ছে ভাটায়। মোহনপুর উপজেলার ঘাসিগ্রাম হিন্দুপাড়ার পাশে ফসলি জমিতে ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ সথ মিলের এমন দৃশ্য দেখা গেছে।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ইট পোড়াতে কোন জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করা যাবে না। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব ইটভাটা স্থাপন করার কথা থাকলেও সনাতন পদ্ধতিতেই এখনো ইট প্রস্তুত করা হচ্ছে।

ইটভাটা ঘুরে দেখা গেছে, ইট পোড়াতে বড় বড় গাছের গুড়ি জড়ো করা হয়েছে। ভাটায় কর্মরত এক শ্রমিক বলেন, প্রতি চার লাখ ইট প্রস্তুত করতে ২০ থেকে ২২ দিন সময় লাগে। এতে প্রায় ৩৫ হাজার মণ কাঠ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। আগে দূর থেকে কাঠ চিরে আনা হতো। এতে সময় এবং অর্থ বেশি ব্যয় হতো। যে কারণে ভাটার মালিক নিজেই এক করাত বিশিষ্ট সথমিল স্থাপন করেছেন।

এ বিষয়ে ভাটার মালিক একরামুল হোসেন ও আতিকুর রহমান বলেন, তাদের ভাটার সব কাগজপত্র ঠিক নেই। তবে সবাই যেভাবে চলছেন, তারাও সেভাবেই চালাছেন। তারা আরও বলেন, এই উপজেলার অনেক ইটভাটা রয়েছে। অধিকাংশ ইটভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট প্রস্তুত করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ফসলি জমিতে ইটভাটা স্থাপন করায় ফসলসহ মৌসুমি ফলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ফসল ও মৌসুমি ফল রক্ষার জন্য অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সানওয়ার হোসেন বলেন, অতিদ্রুত ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।