রাজশাহীতে এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা, সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩০০
- আপডেট সময় : ০৩:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৪০৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ৮৫ টাকা, সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩০০
বাজারদর পর্যালোচনায় আলেমদের সিদ্ধান্ত; সামর্থ্য অনুযায়ী আদায়ের আহ্বান
রাজশাহীতে এ বছর জন প্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নগরীর বিভিন্ন বাজার থেকে সংগৃহীত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এ হার নির্ধারণ করা হয়।
মঙ্গলবার জামেয়া ইসলামিয়া শাহ মখদুম (দরগাপাড়া) মাদরাসার সম্মেলন কক্ষে শীর্ষ আলেমদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম মাওলানা আব্দুল খালেক।
সভায় রাজশাহী মহানগরীর কয়েকটি বাজারের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা করে ফিতরার হার নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী- আটা ৫০ টাকা কেজি দরে ১ কেজি ৬৫০ গ্রামের মূল্য ৮২ টাকা ৫০ পয়সা; দরিদ্রের স্বার্থ বিবেচনায় ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫ টাকা। যব ১২০ টাকা কেজি দরে ৩ কেজি ৩৩০ গ্রামের মূল্য ৩৯৬ টাকা; ফিতরা ৪০০ টাকা। খেজুর ৭০০ টাকা কেজি দরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের হিসেবে ফিতরা ২ হাজার ৩০০ টাকা। কিসমিস ৮০০ টাকা কেজি দরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের হিসেবে ফিতরা ২ হাজার ৬৪০ টাকা। পনির ১ হাজার টাকা কেজি দরে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের হিসেবে ফিতরা ৩ হাজার ৩০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন জামেয়া রহমানিয়া মাদরাসা-এর নায়েবে মুহতামিম ড. মাওলানা ইমতিয়াজ আহমেদ, দারুল উলুম মাদরাসার মুফতি মোহাম্মাদ ইয়াকুব আলী, জামেয়া উসমানিয়ার মাদরাসার মাওলানা মুফতি ওয়ালিয়্যুল ইসলাম, সাহেববাজার বড় মসজিদ-এর পেশ ইমাম ও খতীব মাওলানা আব্দুল গনি আব্বাসী, শাহ মখদুম দরগা মসজিদ-এর পেশ ইমাম ও খতীব হাফেজ মাওলানা মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান কাসেমীসহ অর্ধশতাধিক আলেম।
সভার মুখ্য সমন্বয়ক মাওলানা মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান কাসেমী জানান, উলামায়ে কেরাম জনগণের সুবিধার জন্য ফিতরার একটি মধ্যম হার নির্ধারণ করেছেন। তবে আদায়কারীকে সর্বনিম্ন পরিমাণে সীমাবদ্ধ না থেকে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর স্বার্থ বিবেচনায় নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ফিতরা আদায়ের আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, ফিতরা (সাদকাতুল ফিতর) হলো পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালনের পর ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর ওয়াজিব সাদকা, যা ঈদের নামাজের পূর্বে গরিব-দুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এর উদ্দেশ্য রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশোধন এবং ঈদের আনন্দে দরিদ্রদের অংশীদার করা।



















