ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সিকাণ্ডে জড়িত ৩ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল

এম এম মামুন, রাজশাহী:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সিকাণ্ডে জড়িত ৩ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল

জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সিকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে তিন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম বর্ষ (স্নাতক) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সিকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় তিন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ছাত্রত্ব বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মেহেদী হাসান সনি, আইন বিভাগের ফাহিম আল মামুন বর্ণ এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের মো. শোভন। জানা গেছে, শোভন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার ভাতিজা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় একই প্রক্সিদাতা জালিয়াতির মাধ্যমে মোট চারজনকে ভর্তির সুযোগ করে দেন। এর মধ্যে তিনজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে তৃতীয় বর্ষ পর্যন্ত অধ্যয়ন করছিলেন। অপর একজন ভর্তি সুযোগ পেলেও ভর্তি হননি।

গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান এবং সদস্য সচিব ছিলেন উপ-রেজিস্ট্রার এ.এইচ.এম. আসলাম হোসেন। কমিটির অন্যান্য সদস্য ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান এবং সাবেক আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা।

সিন্ডিকেট সদস্য ও আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় তিন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সিকাণ্ডে জড়িত ৩ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল

আপডেট সময় : ০২:৪৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্সিকাণ্ডে জড়িত ৩ শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল

জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সিকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে তিন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সিন্ডিকেট সভায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথম বর্ষ (স্নাতক) ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সিকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় তিন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ছাত্রত্ব বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মেহেদী হাসান সনি, আইন বিভাগের ফাহিম আল মামুন বর্ণ এবং ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের মো. শোভন। জানা গেছে, শোভন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার ভাতিজা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় একই প্রক্সিদাতা জালিয়াতির মাধ্যমে মোট চারজনকে ভর্তির সুযোগ করে দেন। এর মধ্যে তিনজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে তৃতীয় বর্ষ পর্যন্ত অধ্যয়ন করছিলেন। অপর একজন ভর্তি সুযোগ পেলেও ভর্তি হননি।

গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের পর গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান এবং সদস্য সচিব ছিলেন উপ-রেজিস্ট্রার এ.এইচ.এম. আসলাম হোসেন। কমিটির অন্যান্য সদস্য ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসুদ, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. ফরিদ উদ্দিন খান এবং সাবেক আইসিটি সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক খাদেমুল ইসলাম মোল্যা।

সিন্ডিকেট সদস্য ও আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রক্সির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় সিন্ডিকেট সভায় তিন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।