ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

জ্ঞান দায়িত্বের সৃষ্টি করে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগই শিক্ষার লক্ষ্য: শিক্ষা উপদেষ্টা

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৪৪ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জ্ঞান দায়িত্বের সৃষ্টি করে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগই শিক্ষার লক্ষ্য: শিক্ষা উপদেষ্টা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বাদশ সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টার আহ্বান

জ্ঞান কেবল ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য নয়, বরং তা দায়িত্বের সৃষ্টি করে—এমন মন্তব্য করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করাই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দ্বাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রায় ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত এই সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৬০, ৬১ ও ৬২তম ব্যাচের মোট ৫ হাজার ৯৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও আনন্দঘন আবহ। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা পদযাত্রার মাধ্যমে সমাবর্তনস্থলে যোগ দেন। গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করায় শিক্ষার্থীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার প্রকৃত সার্থকতা তখনই আসে, যখন অর্জিত জ্ঞান মানবকল্যাণে কাজে লাগে। সমাজের অসঙ্গতি দূর করা, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় শিক্ষিতদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, ন্যায়ের পক্ষে বলিষ্ঠ কণ্ঠে কথা বলা এবং নিজেদের অর্জন দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোই একজন গ্রাজুয়েটের মূল দায়িত্ব।

অন্যান্য বক্তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকা এবং ন্যায্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে জুলাই যোদ্ধাদের আদর্শ স্মরণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক উত্তরণ যেন সঠিক পথে এগিয়ে যায়, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।

এদিকে, নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধি, সরকারি ছুটির দিনে সমাবর্তন আয়োজন এবং প্রধান উপদেষ্টাকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণের দাবিতে গ্রাজুয়েটদের একাংশ সমাবর্তন বর্জনের ডাক দেন। তবে এসব দাবি ও কর্মসূচির মধ্যেও সমাবর্তন অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জ্ঞান দায়িত্বের সৃষ্টি করে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগই শিক্ষার লক্ষ্য: শিক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

জ্ঞান দায়িত্বের সৃষ্টি করে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগই শিক্ষার লক্ষ্য: শিক্ষা উপদেষ্টা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বাদশ সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টার আহ্বান

জ্ঞান কেবল ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য নয়, বরং তা দায়িত্বের সৃষ্টি করে—এমন মন্তব্য করে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করাই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দ্বাদশ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রায় ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত এই সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ৬০, ৬১ ও ৬২তম ব্যাচের মোট ৫ হাজার ৯৬৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও আনন্দঘন আবহ। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা পদযাত্রার মাধ্যমে সমাবর্তনস্থলে যোগ দেন। গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করায় শিক্ষার্থীদের মাঝে উচ্ছ্বাস ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, শিক্ষার প্রকৃত সার্থকতা তখনই আসে, যখন অর্জিত জ্ঞান মানবকল্যাণে কাজে লাগে। সমাজের অসঙ্গতি দূর করা, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় শিক্ষিতদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, ন্যায়ের পক্ষে বলিষ্ঠ কণ্ঠে কথা বলা এবং নিজেদের অর্জন দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোই একজন গ্রাজুয়েটের মূল দায়িত্ব।

অন্যান্য বক্তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থাকা এবং ন্যায্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে জুলাই যোদ্ধাদের আদর্শ স্মরণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক উত্তরণ যেন সঠিক পথে এগিয়ে যায়, সে বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।

এদিকে, নিবন্ধনের সময়সীমা বৃদ্ধি, সরকারি ছুটির দিনে সমাবর্তন আয়োজন এবং প্রধান উপদেষ্টাকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণের দাবিতে গ্রাজুয়েটদের একাংশ সমাবর্তন বর্জনের ডাক দেন। তবে এসব দাবি ও কর্মসূচির মধ্যেও সমাবর্তন অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।