জোর করে সেন্টার দখল করলে হাত অবশ করে দিবে জামায়াতে ইসলাম- জামায়াত নেতা আলমগীর
- আপডেট সময় : ০৫:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

জোর করে সেন্টার দখল করলে হাত অবশ করে দিবে জামায়াতে ইসলাম- জামায়াত নেতা আলমগীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সেক্রেটারি আলমগীর হোসাইন বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দল যদি জোর করে ভোট সেন্টার দখল করার চেষ্টা করে, তবে জামায়াতে ইসলাম তাদের সেই হাত অবশ করে দেবে। তিনি শাসকদল ও অন্যান্য সংগঠনকে হুমকি-ধামকি না দিয়ে জনগণের সামনে তাদের প্রস্তাব রাখার আহ্বান জানান।
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় শুক্রবার বিকাল ৩টায় উপজেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে আলমগীর হোসাইন এসব কথা বলেন। মিছিলটি কেন্দ্রীয় হাই স্কুল মাঠ থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চৌরাস্তা মোড়ে এসে শেষ হয়। হাজারো নেতাকর্মী ব্যানার ও স্লোগানে মাতেন।
আলমগীর হোসাইন বলেন, কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের মধ্যে কথাবার্তা আছে — ‘নির্বাচন আসুক, সব সেন্টার দখল করে জয় উপহার করে দেব’- এমন দাবি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। “জামায়াতে ইসলাম কোনো ভুঁইফোঁড় সংগঠন নয়। আপনারা হুমকি-ধামকি দিয়ে মাঠে আমাদের ছেড়ে দিতে পারবেন না,” তিনি আরও যোগ করেন।
তিনি বলেন, “জনগণ যদি আপনাদের পছন্দ করে ভোট দেয়, আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু হুমকি-ধামকি দেবেন না। জোর করে সেন্টার দখল করলেই আমরা আপনার সেই হাত অবশ করে দেব।”
আলমগীর বলেন, “এই নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দেবে তিনিই রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবেন। কেউ জোর করে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করলে আমরা এক ইঞ্চিও ছাড় দেবো না।” তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে জামায়াতের পাঁচ দফা দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান; না হলে জনগণকে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন — জামায়াতের নায়েবে আমির মিজানুর রহমান মাষ্টার, উপজেলা আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রজব আলী, জেলা শিবির সভাপতি সাদিকুল ইসলাম মুন্না, যুব বিভাগ ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা সহ অনেকে। বক্তারা পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন আয়োজন ও জুলাই সনদের আইনি স্বীকৃতি চাওয়ার দাবি করেন। তারা বলেন, পিআর ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবেনা এবং ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে পিআর প্রয়োজন।
রাণীশংকৈল সমাবেশে জামায়াতের দাবিগুলো — জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন, ভবিষ্যতে সংসদের উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা, এবং অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করা। তারা দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে দেশব্যাপী আন্দোলনের হুশিয়ারিও দেন।




















