ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে দূরে রাখতে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রাজশাহী বোর্ডে রাতভর এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণ, সচিব বললেন জানতেন না ঠাকুরগাঁওয়ে লিগ্যাল এইড সেবা ডিজিটাল করার উদ্যোগ, মতামত নিল ইউএনডিপি পঞ্চগড়ে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ৪৮ পাউন্ডের কেক শেরপুর সীমান্তে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ বাগাতিপাড়ায় গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন নারীর মৃত্যু গোদাগাড়ীতে ডিলারের গুদামে ৮১৭ বস্তা সার, এক মাসের কারাদণ্ড দুপচাঁচিয়ায় বিএসটিআইয়ের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা ১৫ বছর ধরে অসুস্থ জুঁই, থেমে গেছে স্কুলে যাওয়া; চিকিৎসার জন্য আকুতি বগুড়ায় মশার কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের সবকটি গেই খুলে দেয়া হয়েছে, আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের সবকটি গেই খুলে দেয়া হয়েছে, আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ

হ্রদের পানির চাপ কমাতে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের ১৬টির সবকটি গেইট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেয়া হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার (২৪ আগস্ট) রাত দশটায় বাধেঁর গেইট খুলে দেয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পরে রোববার (২৫ আগস্ট) আজ সকাল ৮.১০ মিনিটে খুলে দেওয়া হয়েছে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬ টি গেইট। এতে প্রতি সেকেন্ড এ ৬ ইঞ্চি করে সর্বমোট ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলি নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে। এতে করে নতুন করে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ দিয়েছেন কাপ্তাই পিডিবি কর্তৃপক্ষ।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা গেছে, গতকয়েক দিনের অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্ছতা বিপদসীমা ১০৮ এমএসএলে পৌঁছালে হ্রদে পানির চাপ কমাতে এবং উজান ও ভাটি অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য কাপ্তাই বাধের স্পীল ওয়ের সবকটি গেইট খুলে দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছাড়া হয়। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে কাপ্তাই হ্রদের পানির ধারণ ক্ষমতার উচ্ছতা ১০৯ ফুট এমএসএল (মীনস সী লেবেল)। ১০৮ ফুটকে বিপদসীমা ধরা হয়। হ্রদের পানির স্তর বিপদসীমার ১০৮ ফুট এম এস এল এর কাছাকাছি পৌছাঁয়।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থপক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম আব্দুজ্জাহের জানান, হ্রদের পানির স্তর ও বৃষ্টিপাত পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বিবেচনায় গেইটে পানি ছাড়ার পারিমান বাড়ানো হতে পারে। বর্তমানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৩২০০০কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। বর্তমানে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৫টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধমে ৩২০০০ সি এফ এস পানি নিস্কাশিত হচ্ছে। এ পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ে। এতে কর্ণফুলী নদীর পানির স্রোত বৃদ্ধি পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের সবকটি গেই খুলে দেয়া হয়েছে, আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের সবকটি গেই খুলে দেয়া হয়েছে, আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ

হ্রদের পানির চাপ কমাতে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই বাঁধের ১৬টির সবকটি গেইট ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেয়া হয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার (২৪ আগস্ট) রাত দশটায় বাধেঁর গেইট খুলে দেয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। পরে রোববার (২৫ আগস্ট) আজ সকাল ৮.১০ মিনিটে খুলে দেওয়া হয়েছে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬ টি গেইট। এতে প্রতি সেকেন্ড এ ৬ ইঞ্চি করে সর্বমোট ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলি নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে। এতে করে নতুন করে বন্যার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই আতঙ্কিত না হবার পরামর্শ দিয়েছেন কাপ্তাই পিডিবি কর্তৃপক্ষ।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা গেছে, গতকয়েক দিনের অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্ছতা বিপদসীমা ১০৮ এমএসএলে পৌঁছালে হ্রদে পানির চাপ কমাতে এবং উজান ও ভাটি অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য কাপ্তাই বাধের স্পীল ওয়ের সবকটি গেইট খুলে দিয়ে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছাড়া হয়। সমুদ্র পৃষ্ঠ হতে কাপ্তাই হ্রদের পানির ধারণ ক্ষমতার উচ্ছতা ১০৯ ফুট এমএসএল (মীনস সী লেবেল)। ১০৮ ফুটকে বিপদসীমা ধরা হয়। হ্রদের পানির স্তর বিপদসীমার ১০৮ ফুট এম এস এল এর কাছাকাছি পৌছাঁয়।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থপক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এটিএম আব্দুজ্জাহের জানান, হ্রদের পানির স্তর ও বৃষ্টিপাত পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে পরিস্থিতি বিবেচনায় গেইটে পানি ছাড়ার পারিমান বাড়ানো হতে পারে। বর্তমানে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৩২০০০কিউসেক পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। বর্তমানে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৫টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধমে ৩২০০০ সি এফ এস পানি নিস্কাশিত হচ্ছে। এ পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ে। এতে কর্ণফুলী নদীর পানির স্রোত বৃদ্ধি পায়।