ঢাকা ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে দূরে রাখতে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রাজশাহী বোর্ডে রাতভর এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণ, সচিব বললেন জানতেন না ঠাকুরগাঁওয়ে লিগ্যাল এইড সেবা ডিজিটাল করার উদ্যোগ, মতামত নিল ইউএনডিপি পঞ্চগড়ে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ৪৮ পাউন্ডের কেক শেরপুর সীমান্তে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ বাগাতিপাড়ায় গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন নারীর মৃত্যু গোদাগাড়ীতে ডিলারের গুদামে ৮১৭ বস্তা সার, এক মাসের কারাদণ্ড দুপচাঁচিয়ায় বিএসটিআইয়ের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা ১৫ বছর ধরে অসুস্থ জুঁই, থেমে গেছে স্কুলে যাওয়া; চিকিৎসার জন্য আকুতি বগুড়ায় মশার কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ধান ক্ষেতে বিশ স্প্রে করায় চার কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩ ২৪৭ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে পঁচামিন প্লাস ও ওপেক ওষুধ স্প্রে ৪ কৃষকের ধান নষ্ট

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ধান ক্ষেতে বিশ স্প্রে করায় চার কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ!

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
ধান ক্ষেতে বিশ স্প্রে করায় চার কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ধানক্ষেতে পঁচামিন প্লাস ও ওপেক ওষুধ স্প্রে করায় ৪ কৃষকের প্রায় সাড়ে ৭ বিঘা ব্রি-ধান ২৯ জ্বলে গেছে। জমিতেই নষ্ট হয়েছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। ধান জ্বলে যাওয়ার প্রভাবে ধান চিটা হওয়ায় অর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষিরা। এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার বরাবর চার কৃষক লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জানা যায়, নাসির মন্ডলহাট বেংহারী বালাভীর গ্রামের মো: আশরাফুল ইসলামের ৬৬শতক, মোঃ আব্দুল মজিদের, ৬০ শতক, আতাউর রহমানের, ৫০ শতক, মো: আবু কালামের, ৫০ শতক, তারা লিখিত অভিযোগে বলেন, আমরা ব্রি-ধান ২৯ রোপন করেছিলাম। প্রথম অবস্থায় ধানের বাম্পার ফলন হয়। মাঝে মধ্যে যেখানে সেখানে ব্লাষ্ট রোগ দেখা দেয়।

স্থানীয় মন্ডলেরহাট হাফিজের সার ও কীটনাশকের দোকানে ধানের এই রোগের জন্য পরামর্শ চাইতে গেলে সে আমাদেরকে পঁচামিন প্লাস ও ওপেক ওষুধ দেন। গত ২১ এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় সময় ওষুধ নিয়ে ধানক্ষেতে স্প্রে করে দিলে সমস্ত ধান জ্বলে যায়। সার ও কীটনাশক দোকানদার হাফিজের সাথে পরে যোগাযোগ করিলে উনি বলেন আমার কিছু করার নাই, আমি তো ওষুধ বাড়িতে তৈরী করি না, আমাকে কোম্পানী সরবরাহ করে আমি বিক্রি করি এবং আমাদের সাথে অনেক দৃঃব্যবহার করে এবং সাংবাদিকরা বক্তব্য চাইলে তাদের বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে ও সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। আমরা নিরুপায় হয়ে বোদা উপজেলা কষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করিলে সরজমিনে তদন্ত করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
আমরা গরীব মানুষ আমাদের জমি জমা নেই মানুষের জমি ঠিকা নিয়ে আবাদ করি। এই জমির আবাদেই আমাদের সংসার চলে। কেন আমাদেরকে নিম্নমানের ওষুধ দিয়ে ফসলি জমির আবাদ নষ্ট কর। এ বিষয়ে সার ও কীটনাশকের দোকানদার হাফিজুল এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি নন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ধান ক্ষেতে বিশ স্প্রে করায় চার কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ!

আপডেট সময় : ০২:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

ধান ক্ষেতে বিশ স্প্রে করায় চার কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ!

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
ধান ক্ষেতে বিশ স্প্রে করায় চার কৃষকের ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ! পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় ধানক্ষেতে পঁচামিন প্লাস ও ওপেক ওষুধ স্প্রে করায় ৪ কৃষকের প্রায় সাড়ে ৭ বিঘা ব্রি-ধান ২৯ জ্বলে গেছে। জমিতেই নষ্ট হয়েছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। ধান জ্বলে যাওয়ার প্রভাবে ধান চিটা হওয়ায় অর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন চাষিরা। এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার বরাবর চার কৃষক লিখিত অভিযোগ করেছেন।
জানা যায়, নাসির মন্ডলহাট বেংহারী বালাভীর গ্রামের মো: আশরাফুল ইসলামের ৬৬শতক, মোঃ আব্দুল মজিদের, ৬০ শতক, আতাউর রহমানের, ৫০ শতক, মো: আবু কালামের, ৫০ শতক, তারা লিখিত অভিযোগে বলেন, আমরা ব্রি-ধান ২৯ রোপন করেছিলাম। প্রথম অবস্থায় ধানের বাম্পার ফলন হয়। মাঝে মধ্যে যেখানে সেখানে ব্লাষ্ট রোগ দেখা দেয়।

স্থানীয় মন্ডলেরহাট হাফিজের সার ও কীটনাশকের দোকানে ধানের এই রোগের জন্য পরামর্শ চাইতে গেলে সে আমাদেরকে পঁচামিন প্লাস ও ওপেক ওষুধ দেন। গত ২১ এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৩.০০ ঘটিকায় সময় ওষুধ নিয়ে ধানক্ষেতে স্প্রে করে দিলে সমস্ত ধান জ্বলে যায়। সার ও কীটনাশক দোকানদার হাফিজের সাথে পরে যোগাযোগ করিলে উনি বলেন আমার কিছু করার নাই, আমি তো ওষুধ বাড়িতে তৈরী করি না, আমাকে কোম্পানী সরবরাহ করে আমি বিক্রি করি এবং আমাদের সাথে অনেক দৃঃব্যবহার করে এবং সাংবাদিকরা বক্তব্য চাইলে তাদের বক্তব্য দিতে অস্বীকার করে ও সাংবাদিকদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। আমরা নিরুপায় হয়ে বোদা উপজেলা কষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করিলে সরজমিনে তদন্ত করেন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেন।
আমরা গরীব মানুষ আমাদের জমি জমা নেই মানুষের জমি ঠিকা নিয়ে আবাদ করি। এই জমির আবাদেই আমাদের সংসার চলে। কেন আমাদেরকে নিম্নমানের ওষুধ দিয়ে ফসলি জমির আবাদ নষ্ট কর। এ বিষয়ে সার ও কীটনাশকের দোকানদার হাফিজুল এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি নন।