ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড, লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ পঞ্চগড়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট পরিদর্শন রাজশাহী নগরীর সড়ক বিভাজকে গাছের পরিচর্যা পরিদর্শনে রাসিক প্রশাসক সৌদিতে ৫৫ হাজার টাকার চাকরির স্বপ্ন, দেশে ফিরে সর্বস্বান্ত সাইফুল বাগাতিপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন ২২ লাখ টাকার ভবন ভেঙে ১ লাখে বিক্রির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে ৪ লাখ কৃষকের জন্য টিএসপি বরাদ্দ ১ হাজার ৪৫ টন রাজশাহীতে অবৈধ ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরি বন্ধের দাবিতে, জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর-আড্ডা সড়কের পাশে অটো রাইস মিল নির্মাণ, দুর্ঘটনার শঙ্কা চাঁপাইনবাবগঞ্জের চর চাকলায় পাঁচ শিশুর মৃত্যুঃ শোকাহত পরিবারের পাশে জেলা প্রশাসক

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড, লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

Banglabandha Land Port pic

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড, লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বউত্তরের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ বন্দর থেকে ৪২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সরকারের নির্ধারিত ২৩০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ আদায় প্রায় দ্বিগুণ।

একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে ২৫৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। রাজস্ব আদায়ে এমন উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধিতে সম্ভাবনাময় এ স্থলবন্দর ঘিরে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। দীর্ঘদিন পাথর আমদানিনির্ভর থাকলেও বর্তমানে এ বন্দর দিয়ে বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বাড়ছে। ফলে বন্দরটির বাণিজ্যিক গুরুত্বের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪ কোটি ৭ লাখ টাকায়। এরপর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয় ১১০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১১৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় ১৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রাজস্ব আদায়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের জন্য ৫৬৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাথরের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি এসেছে। নেপালে বাংলাদেশ থেকে পাট, সুতলি, ঝাড়ু, চিটাগুড়, পেঁয়াজ, ঝুট কাপড়, জুস ও সয়াবিন মিলসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ভারতেও প্রাণ কোম্পানির বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে ভারত থেকে চা কারখানার বিভিন্ন সরঞ্জামসহ নানা পণ্য আমদানি হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ব্যবসার পরিধি বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি তেল আমদানিও রাজস্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। ভারতে তেল সংকটের সময় দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ইন্দো-বাংলা পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের পোর্ট ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় বন্দর দিয়ে আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক ট্রাক এসেছে। এতে দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।

রাজস্ব আদায় ও বাণিজ্য বাড়লেও বন্দরের সেবার মান ও অবকাঠামো নিয়ে কিছু অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের। তাদের অভিযোগ, পণ্য খালাসে ধীরগতি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি পণ্য আনলোডে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাহীন বলেন, আগের তুলনায় বাংলাবান্ধা বন্দর সুন্দর পরিবেশ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। রাজস্ব আদায় বেড়েছে। আগে বন্দরটি আমদানিনির্ভর থাকলেও বর্তমানে রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুসা বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপালকে ঘিরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর একটি সম্ভাবনাময় বাণিজ্যকেন্দ্র। আগের তুলনায় রাজস্ব আদায় ও সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করেন তিনি।

ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, বন্দরের অবকাঠামো ও সেবার মান আরও উন্নত করা গেলে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজস্ব আদায়ের বর্তমান ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে বন্দরের অবকাঠামো আধুনিকায়ন, দ্রুত পণ্য খালাস এবং ব্যবসাবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড, লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড, লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দ্বিগুণ

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধিঃ
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বউত্তরের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে রাজস্ব আদায়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ বন্দর থেকে ৪২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সরকারের নির্ধারিত ২৩০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে এ আদায় প্রায় দ্বিগুণ।

একই সঙ্গে আগের অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আদায় বেড়েছে ২৫৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা। রাজস্ব আদায়ে এমন উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধিতে সম্ভাবনাময় এ স্থলবন্দর ঘিরে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। দীর্ঘদিন পাথর আমদানিনির্ভর থাকলেও বর্তমানে এ বন্দর দিয়ে বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বাড়ছে। ফলে বন্দরটির বাণিজ্যিক গুরুত্বের পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

স্থলবন্দর সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪ কোটি ৭ লাখ টাকায়। এরপর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয় ১১০ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১১৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে আদায় হয় ১৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় এক লাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। রাজস্ব আদায়ের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের জন্য ৫৬৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পাথরের পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে গতি এসেছে। নেপালে বাংলাদেশ থেকে পাট, সুতলি, ঝাড়ু, চিটাগুড়, পেঁয়াজ, ঝুট কাপড়, জুস ও সয়াবিন মিলসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। ভারতেও প্রাণ কোম্পানির বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে ভারত থেকে চা কারখানার বিভিন্ন সরঞ্জামসহ নানা পণ্য আমদানি হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ব্যবসার পরিধি বাড়ছে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি তেল আমদানিও রাজস্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। ভারতে তেল সংকটের সময় দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় ইন্দো-বাংলা পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাবান্ধা বন্দর দিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের পোর্ট ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় বন্দর দিয়ে আগের তুলনায় বেশি সংখ্যক ট্রাক এসেছে। এতে দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও বেড়েছে।

রাজস্ব আদায় ও বাণিজ্য বাড়লেও বন্দরের সেবার মান ও অবকাঠামো নিয়ে কিছু অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের। তাদের অভিযোগ, পণ্য খালাসে ধীরগতি, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি পণ্য আনলোডে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের আহ্বায়ক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাহীন বলেন, আগের তুলনায় বাংলাবান্ধা বন্দর সুন্দর পরিবেশ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। রাজস্ব আদায় বেড়েছে। আগে বন্দরটি আমদানিনির্ভর থাকলেও বর্তমানে রপ্তানিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুসা বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, ভুটান ও নেপালকে ঘিরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর একটি সম্ভাবনাময় বাণিজ্যকেন্দ্র। আগের তুলনায় রাজস্ব আদায় ও সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করেন তিনি।

ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, বন্দরের অবকাঠামো ও সেবার মান আরও উন্নত করা গেলে আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আয়ও আরও বাড়বে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজস্ব আদায়ের বর্তমান ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হলে বন্দরের অবকাঠামো আধুনিকায়ন, দ্রুত পণ্য খালাস এবং ব্যবসাবান্ধব সেবা নিশ্চিত করা জরুরি। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।