ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শেরপুরে রোড নিবন্ধন ফি অর্ধেক করার দাবিতে মানববন্ধন লালপুরে বিষধর সাপের দংশনে এক নারীর মৃত্যু ২০টিরও বেশি দেশের অংশগ্রহণে ঢাকায় বিটিটিএফ ২০২৬ নাটোরে অস্ত্র মামলায় যুবকের ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বগুড়ায় বিএসটিআইয়ের সার্ভিল্যান্স অভিযান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শ ও তাগাদা রাজশাহীতে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল, মামলা হচ্ছে পুঠিয়ায় সার সংকটের অভিযোগে মহাসড়ক অবরোধ, দেড় ঘণ্টা পর প্রত্যাহার মান্দায় বিসর্জনের ঘাট দখলের অভিযোগ, দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত রাজশাহীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার জীবনের বিনিময়ে হলেও স্বাধীনতা-গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের

বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১৫ বার পড়া হয়েছে

পাট নিয়ে ব্যস্ত বাঘার কৃষকরা

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা!

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা! পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।পানি সংকটে পাট জাগ নিয়ে নানা বিড়ম্বনার মধ্যে বৃহত্তর উত্তর বঙ্গের রাজশাহীর বাঘায় কৃষকেরা পাটের আঁশ ছাড়াতে, শুকাতে ও বিক্রয় করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নতুন ফসল উঠলে কৃষান কৃষানীর মুখে হাসি ফুটে।

পাট বিদেশে রপ্তানী করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা র্অজন করে থাকে। বাউসা ইউনিয়নের কৃষক বাক্কার (৭০) ও মুক্তার (৬০) বলেন, ৩/৪ বিঘা করে জমিতে পাট ছিল।নিড়ানী থেকে শুরু করে খাল/পুকুরে পানি জমিয়ে আঁশ ছাড়ানো পর্যন্ত অনেক খরচ হয়েছে। বিঘাতে ৭/৮ মণ করে পাট হয়েছে। ২৫০০ টাকা-২৭৫০ টাকা দামে পাট বিক্রয় করে সন্তোষ জনক লঅভবান হচ্ছে না। কারণ অনাবৃষ্টি, খরাতে পাটের ফলন কম হচ্ছে এবং সেচ দিয়ে নিচু জমিতে পানি জমিয়ে পাট জাগ দিয়েছি। সে জন্য খরচ বেশী হয়েছে।

পাট চাষী মোবারক, জিল্লু, মান্নান, পিয়ার আলী, বাবুল, আয়নাল হক, লতিফ শেখ, স্বপন একই কথা বলেন, বিঘাতে ৭/৮ মণ পাট হচ্ছে তার পর ও খরচ বেশী হয়েছে বলে লাভবান হচ্ছেনা। ৩৫০০ টাকা মণ হলে হয়তো পুষিয়ে নেয়া যাবে। এখন জমি আছে তাই চাষাবাদ করতে হয়। ভাল দাম থাকলে সোনালি আঁশ পাটের সুদিন আবারও ফিরে আসবে বলে দারণা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রবিবার (৪সেপ্টেম্বর) দীঘা বাজার, বাঘা নারায়নপুর বাজার, আড়ানী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ধরণ ভেদে ২৫০০, ২৬০০, ২৭৫০ টাকা দামে পাট বিক্রিহচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, অনাবৃষ্টি, খরার কারণে পাট উৎপাদন ফলনে কম হয়েছে, আঁশও দুর্বল হয়েছে এবং নিচু জায়গায় পানি জমিয়ে ও বহনে খরচ বেশী হয়েছে বলে কৃষকেরা লাভবান হয়নি। পাট থেকে নানা ধরনের সুতা, শাড়ী, লুঙ্গি, দড়ি, বস্তা এবং উন্নতমানের হরেক রকম বস্ত্র তৈরী হয়ে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা!

আপডেট সময় : ০৫:০১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা!

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা! পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।পানি সংকটে পাট জাগ নিয়ে নানা বিড়ম্বনার মধ্যে বৃহত্তর উত্তর বঙ্গের রাজশাহীর বাঘায় কৃষকেরা পাটের আঁশ ছাড়াতে, শুকাতে ও বিক্রয় করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নতুন ফসল উঠলে কৃষান কৃষানীর মুখে হাসি ফুটে।

পাট বিদেশে রপ্তানী করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা র্অজন করে থাকে। বাউসা ইউনিয়নের কৃষক বাক্কার (৭০) ও মুক্তার (৬০) বলেন, ৩/৪ বিঘা করে জমিতে পাট ছিল।নিড়ানী থেকে শুরু করে খাল/পুকুরে পানি জমিয়ে আঁশ ছাড়ানো পর্যন্ত অনেক খরচ হয়েছে। বিঘাতে ৭/৮ মণ করে পাট হয়েছে। ২৫০০ টাকা-২৭৫০ টাকা দামে পাট বিক্রয় করে সন্তোষ জনক লঅভবান হচ্ছে না। কারণ অনাবৃষ্টি, খরাতে পাটের ফলন কম হচ্ছে এবং সেচ দিয়ে নিচু জমিতে পানি জমিয়ে পাট জাগ দিয়েছি। সে জন্য খরচ বেশী হয়েছে।

পাট চাষী মোবারক, জিল্লু, মান্নান, পিয়ার আলী, বাবুল, আয়নাল হক, লতিফ শেখ, স্বপন একই কথা বলেন, বিঘাতে ৭/৮ মণ পাট হচ্ছে তার পর ও খরচ বেশী হয়েছে বলে লাভবান হচ্ছেনা। ৩৫০০ টাকা মণ হলে হয়তো পুষিয়ে নেয়া যাবে। এখন জমি আছে তাই চাষাবাদ করতে হয়। ভাল দাম থাকলে সোনালি আঁশ পাটের সুদিন আবারও ফিরে আসবে বলে দারণা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রবিবার (৪সেপ্টেম্বর) দীঘা বাজার, বাঘা নারায়নপুর বাজার, আড়ানী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ধরণ ভেদে ২৫০০, ২৬০০, ২৭৫০ টাকা দামে পাট বিক্রিহচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, অনাবৃষ্টি, খরার কারণে পাট উৎপাদন ফলনে কম হয়েছে, আঁশও দুর্বল হয়েছে এবং নিচু জায়গায় পানি জমিয়ে ও বহনে খরচ বেশী হয়েছে বলে কৃষকেরা লাভবান হয়নি। পাট থেকে নানা ধরনের সুতা, শাড়ী, লুঙ্গি, দড়ি, বস্তা এবং উন্নতমানের হরেক রকম বস্ত্র তৈরী হয়ে থাকে।