বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা!
বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
বাঘায় পাটের আঁশ ছাড়াতে ও বক্রিতে ব্যস্ত কৃষকেরা! পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।পানি সংকটে পাট জাগ নিয়ে নানা বিড়ম্বনার মধ্যে বৃহত্তর উত্তর বঙ্গের রাজশাহীর বাঘায় কৃষকেরা পাটের আঁশ ছাড়াতে, শুকাতে ও বিক্রয় করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। নতুন ফসল উঠলে কৃষান কৃষানীর মুখে হাসি ফুটে।
পাট বিদেশে রপ্তানী করে বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা র্অজন করে থাকে। বাউসা ইউনিয়নের কৃষক বাক্কার (৭০) ও মুক্তার (৬০) বলেন, ৩/৪ বিঘা করে জমিতে পাট ছিল।নিড়ানী থেকে শুরু করে খাল/পুকুরে পানি জমিয়ে আঁশ ছাড়ানো পর্যন্ত অনেক খরচ হয়েছে। বিঘাতে ৭/৮ মণ করে পাট হয়েছে। ২৫০০ টাকা-২৭৫০ টাকা দামে পাট বিক্রয় করে সন্তোষ জনক লঅভবান হচ্ছে না। কারণ অনাবৃষ্টি, খরাতে পাটের ফলন কম হচ্ছে এবং সেচ দিয়ে নিচু জমিতে পানি জমিয়ে পাট জাগ দিয়েছি। সে জন্য খরচ বেশী হয়েছে।
পাট চাষী মোবারক, জিল্লু, মান্নান, পিয়ার আলী, বাবুল, আয়নাল হক, লতিফ শেখ, স্বপন একই কথা বলেন, বিঘাতে ৭/৮ মণ পাট হচ্ছে তার পর ও খরচ বেশী হয়েছে বলে লাভবান হচ্ছেনা। ৩৫০০ টাকা মণ হলে হয়তো পুষিয়ে নেয়া যাবে। এখন জমি আছে তাই চাষাবাদ করতে হয়। ভাল দাম থাকলে সোনালি আঁশ পাটের সুদিন আবারও ফিরে আসবে বলে দারণা করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রবিবার (৪সেপ্টেম্বর) দীঘা বাজার, বাঘা নারায়নপুর বাজার, আড়ানী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ধরণ ভেদে ২৫০০, ২৬০০, ২৭৫০ টাকা দামে পাট বিক্রিহচ্ছে।
কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, অনাবৃষ্টি, খরার কারণে পাট উৎপাদন ফলনে কম হয়েছে, আঁশও দুর্বল হয়েছে এবং নিচু জায়গায় পানি জমিয়ে ও বহনে খরচ বেশী হয়েছে বলে কৃষকেরা লাভবান হয়নি। পাট থেকে নানা ধরনের সুতা, শাড়ী, লুঙ্গি, দড়ি, বস্তা এবং উন্নতমানের হরেক রকম বস্ত্র তৈরী হয়ে থাকে।
প্রধান নির্বাহী পরিচালক: এ, এস, এম, আল-আফতাব খান সুইট
০১৯১১৫০১৩১৪
০১৭৭৬২৩০৮০৮
সম্পাদক: অধ্যক্ষ মো: সাজেদুর রহমান
০১৭১৩৭৪৬৭২৭
ব্যবস্থাপনা পরিচালক: মো: জাকির হোসেন রবিন
০১৮৮০৫৫০৬৫৭
সাব এডিটর: এম এম মামুন
০১৭২৭৬৬৪৫০০
Copyright © 2026 Channel A News. All rights reserved.