লালপুরে প্রশাসনিক জটিলতায় বিপাকে ইটভাটা শিল্প, ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০৯:২২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ১৫২ বার পড়া হয়েছে

লালপুরে প্রশাসনিক জটিলতায় বিপাকে ইটভাটা শিল্প, ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজকরণ ও কর্মসংস্থান রক্ষার দাবি; স্মারকলিপি প্রদান
নাটোরের লালপুরে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ৩৮টি ইটভাটার কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় শ্রমিক-কর্মচারীদের জীবন-জীবিকা হুমকির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ইটভাটা মালিকরা। এ পরিস্থিতি নিরসনে লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া সহজকরণ, কর্মসংস্থান সংরক্ষণসহ ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে লালপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম রবি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানে ইটভাটাগুলো দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। লালপুর উপজেলার ইটভাটাগুলোর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, কর্মচারী, পরিবহন শ্রমিক, কাঁচামাল সরবরাহকারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার জড়িত। কোনো কারণে ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজ, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করতে হবে। আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে এবং ইটভাটা শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- লাইসেন্স ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রক্রিয়া সহজীকরণ, আইন প্রয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, শিল্পবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত ভাটাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুযোগ সৃষ্টি এবং কাঁচামাল সংগ্রহ ও পরিবহনে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা।
সংবাদ সম্মেলনে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন ইটভাটার মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ইটভাটা মালিকরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। একই সঙ্গে লাইসেন্স নবায়ন ও প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবিতে নাটোর জেলা প্রশাসক এবং লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ স্মারকলিপি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।










