ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নালডাঙ্গায় স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও কথিত প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঠাকুরগাঁও সুগার মিলে যোগ দিয়েই বৃক্ষরোপণ করলেন নবনিযুক্ত এমডি পঞ্চগড়ে শান্তিশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধে আর বিলম্ব নয়, নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের দাবি নলডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ঝিনাইগাতীতে বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ রাণীশংকৈলে ফেসবুক লাইভে ক্ষমা চাওয়ার পর ইউপি সদস্যের মৃত্যু পুঠিয়ায় গাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত স্বামীর ভিটে থেকেও বঞ্চিত বৃদ্ধা বিমলা রানী, পুকুরপাড়ের ভাঙা কুঁড়েঘরেই মৃত্যুর প্রহর ধোবাউড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২৯১ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

২০২৬ সালের নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—পঞ্চগড়ে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “আগামী ২০২৬ সালের নির্বাচনই হবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশ গড়ার প্রথম ধাপ। আগামীর নির্বাচন নির্ধারণ করবে—আমরা কি ২০২৬ থেকে পিছনের দিকে ফিরে যাবো, নাকি আবার গণঅভ্যুত্থানের মতো সামনের দিকে এগিয়ে একটি ন্যায্য বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চালিয়ে যাবো।”

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে বলেন, “চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি না? দখলদারদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হবে কি না? মিথ্যা মামলা বাণিজ্য, হুমকি ও হয়রানির রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নেবো কি না?”

তিনি বলেন, এই লড়াই মূলত চব্বিশের গণআন্দোলনকে পূর্ণতা দেওয়ার লড়াই। “যারা দিনের বেলা মানুষের পক্ষে কথা বলে আর রাতের আঁধারে মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ করে নেয়—তাদের বয়কট করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা দিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে আর রাতে দলীয় চাটুকার বসিয়ে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে, যারা নির্বাচনের আগে দু’মাস জনদরদি আর পরে সাড়ে চার বছর হারিকেন জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না—তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের অবস্থান।”

শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম বলেন, “যারা শ্রমিকের সন্তানকে শ্রমিকই বানিয়ে রাখে, অথচ নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়াতে পাঠায়—এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।”

তিনি বলেন, “যারা প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ প্রশাসনের কথা বলে কিন্তু গোপনে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে—তাদের বিরুদ্ধেও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার মহান আল্লাহ আমাদের সামনে এমন একটি সুযোগ এনে দিয়েছেন। আগামী ৫০ বছরেও এই সুযোগ আসবে কি না, আমরা জানি না। তাই এই আমানতের যেন কোনো খেয়ানত না হয়।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া, রূপসা থেকে পাটুরিয়া—এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারে একটাই ধ্বনি উঠবে—১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

২০২৬ সালের নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—পঞ্চগড়ে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “আগামী ২০২৬ সালের নির্বাচনই হবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশ গড়ার প্রথম ধাপ। আগামীর নির্বাচন নির্ধারণ করবে—আমরা কি ২০২৬ থেকে পিছনের দিকে ফিরে যাবো, নাকি আবার গণঅভ্যুত্থানের মতো সামনের দিকে এগিয়ে একটি ন্যায্য বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চালিয়ে যাবো।”

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে বলেন, “চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি না? দখলদারদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হবে কি না? মিথ্যা মামলা বাণিজ্য, হুমকি ও হয়রানির রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নেবো কি না?”

তিনি বলেন, এই লড়াই মূলত চব্বিশের গণআন্দোলনকে পূর্ণতা দেওয়ার লড়াই। “যারা দিনের বেলা মানুষের পক্ষে কথা বলে আর রাতের আঁধারে মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ করে নেয়—তাদের বয়কট করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা দিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে আর রাতে দলীয় চাটুকার বসিয়ে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে, যারা নির্বাচনের আগে দু’মাস জনদরদি আর পরে সাড়ে চার বছর হারিকেন জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না—তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের অবস্থান।”

শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম বলেন, “যারা শ্রমিকের সন্তানকে শ্রমিকই বানিয়ে রাখে, অথচ নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়াতে পাঠায়—এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।”

তিনি বলেন, “যারা প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ প্রশাসনের কথা বলে কিন্তু গোপনে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে—তাদের বিরুদ্ধেও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার মহান আল্লাহ আমাদের সামনে এমন একটি সুযোগ এনে দিয়েছেন। আগামী ৫০ বছরেও এই সুযোগ আসবে কি না, আমরা জানি না। তাই এই আমানতের যেন কোনো খেয়ানত না হয়।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া, রূপসা থেকে পাটুরিয়া—এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারে একটাই ধ্বনি উঠবে—১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।”