ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঝিনাইগাতী সীমান্তে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ গোমস্তাপুরের রামদাস বিল সাজাতে ১ হাজার ৫০০ তালগাছ বাগাতিপাড়ায় মাদক সেবনের দায়ে মাদকসেবীর ৩ মাসের কারাদণ্ড শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির মামলায় ১০ ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে সাপাহারে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি নিয়ে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মতবিনিময় পঞ্চগড়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার লালপুরে মাদক ও সাইবার প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৬; ১০৬ পিস ইয়াবা, ৬৮ সিম ও ৯ মোবাইল উদ্ধার শিবগঞ্জে ৩৪ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বাগাতিপাড়ায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো গুণী প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত স্বপ্না রানী নলডাঙ্গায় হ/ত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুই যুবক গ্রেপ্তার, চাপাতি উদ্ধার

নানা আয়োজনে পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উদ্‌যাপন

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৭৯ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নানা আয়োজনে পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উদ্‌যাপন

শ্রদ্ধাঞ্জলি, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাতে শহীদদের স্মরণ

নানা আয়োজনে পালিত হলো পঞ্চগড় মুক্ত দিবস। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদদের স্মরণ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়।

সকালে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা। পরে তাদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বধ্যভূমি স্মৃতি ফলকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে দ্বিতীয় দফায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়খুল ইসলাম, পিপি অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জিপি আব্দুল বারী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালের পঞ্চগড়ের ইতিহাস তুলে ধরেন। তারা জানান, ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনী পঞ্চগড় দখল করলেও তেঁতুলিয়া ছিল পুরো সময় জুড়ে মুক্তাঞ্চল। অমরখানায় চাওয়াই নদীর সেতু ভেঙে দেওয়ায় পাকহানাদাররা সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমণে ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন এলাকা পর্যায়ক্রমে মুক্ত হতে থাকে। ২৮ নভেম্বর রাতে শত্রুবাহিনী পিছু হটে এবং ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় সম্পূর্ণ হানাদারমুক্ত হয়।

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ অংশ নেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নানা আয়োজনে পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উদ্‌যাপন

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

নানা আয়োজনে পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উদ্‌যাপন

শ্রদ্ধাঞ্জলি, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাতে শহীদদের স্মরণ

নানা আয়োজনে পালিত হলো পঞ্চগড় মুক্ত দিবস। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দিনব্যাপী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদদের স্মরণ, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়।

সকালে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন দপ্তর ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা। পরে তাদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে বধ্যভূমি স্মৃতি ফলকে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে দ্বিতীয় দফায় শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সায়খুল ইসলাম, পিপি অ্যাডভোকেট আদম সুফি, জিপি আব্দুল বারী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালের পঞ্চগড়ের ইতিহাস তুলে ধরেন। তারা জানান, ১৭ এপ্রিল পাকবাহিনী পঞ্চগড় দখল করলেও তেঁতুলিয়া ছিল পুরো সময় জুড়ে মুক্তাঞ্চল। অমরখানায় চাওয়াই নদীর সেতু ভেঙে দেওয়ায় পাকহানাদাররা সেখানে প্রবেশ করতে পারেনি। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনীর যৌথ আক্রমণে ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন এলাকা পর্যায়ক্রমে মুক্ত হতে থাকে। ২৮ নভেম্বর রাতে শত্রুবাহিনী পিছু হটে এবং ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় সম্পূর্ণ হানাদারমুক্ত হয়।

দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে মুক্তিযোদ্ধা, প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ অংশ নেন।