ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁও সুগার মিলে যোগ দিয়েই বৃক্ষরোপণ করলেন নবনিযুক্ত এমডি পঞ্চগড়ে শান্তিশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধে আর বিলম্ব নয়, নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের দাবি নলডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ঝিনাইগাতীতে বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ রাণীশংকৈলে ফেসবুক লাইভে ক্ষমা চাওয়ার পর ইউপি সদস্যের মৃত্যু পুঠিয়ায় গাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত স্বামীর ভিটে থেকেও বঞ্চিত বৃদ্ধা বিমলা রানী, পুকুরপাড়ের ভাঙা কুঁড়েঘরেই মৃত্যুর প্রহর ধোবাউড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ শ্রীবরদীর শি’শু ধ/র্ষ/ণ মামলার প্রধান আসামি চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিচারকের ছেলের মৃত্যু, মরদেহ নেওয়া হয়েছে জামালপুরে

এম এম মামুন, রাজশাহী:
  • আপডেট সময় : ০১:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ২১২ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিচারকের ছেলের মৃত্যু, মরদেহ নেওয়া হয়েছে জামালপুরে

তিন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তনালি কেটে যায়—ফরেনসিক বিভাগ; হামলায় আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও অভিযুক্ত ব্যক্তি

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন (১৬) অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ। ধারালো ও চোখা অস্ত্র দিয়ে আঘাতের ফলে শরীরের তিনটি স্থানে রক্তনালি কেটে যাওয়ায় এই রক্তক্ষরণ ঘটে।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টায় রামেক হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কফিল উদ্দিন এবং প্রভাষক ডা. শারমিন সোবহান কাবেরী। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ময়নাতদন্ত চলে।

ডা. কফিল উদ্দিন জানান, তাওসিফের ডান ঊরু, ডান পা এবং বাঁ বাহুতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত পাওয়া গেছে। এসব স্থানে রক্তনালি কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে। শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণও ছিল। তাদের প্রাথমিক ধারণা—এই রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে গলায় কালশিরা দাগের উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বলেন, নরম কাপড় দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করলে এমন দাগ হতে পারে, তবে এটি মৃত্যুর প্রধান কারণ নয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও শ্বাসরোধের চেষ্টা একই সময়ে ঘটেছে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।

ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাওসিফের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার চকপাড়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। এর আগে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সদস্যরা মরদেহের গোসল করিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরীর ডাবতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার লিমন মিয়া (৩৫) পরিবারের পরিচিত ব্যক্তি বলে জানা গেছে। হামলায় তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসী (৪৪) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ধস্তাধস্তির সময় হামলাকারী নিজেও আহত হন এবং বর্তমানে রামেক হাসপাতালে পুলিশের হেফাজতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঘটনার বিষয়ে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিচারকের ছেলের মৃত্যু, মরদেহ নেওয়া হয়েছে জামালপুরে

আপডেট সময় : ০১:২০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিচারকের ছেলের মৃত্যু, মরদেহ নেওয়া হয়েছে জামালপুরে

তিন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তনালি কেটে যায়—ফরেনসিক বিভাগ; হামলায় আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা ও অভিযুক্ত ব্যক্তি

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন (১৬) অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মারা গেছেন বলে জানিয়েছে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ। ধারালো ও চোখা অস্ত্র দিয়ে আঘাতের ফলে শরীরের তিনটি স্থানে রক্তনালি কেটে যাওয়ায় এই রক্তক্ষরণ ঘটে।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টায় রামেক হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কফিল উদ্দিন এবং প্রভাষক ডা. শারমিন সোবহান কাবেরী। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে ময়নাতদন্ত চলে।

ডা. কফিল উদ্দিন জানান, তাওসিফের ডান ঊরু, ডান পা এবং বাঁ বাহুতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত পাওয়া গেছে। এসব স্থানে রক্তনালি কেটে যাওয়ায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ঘটে। শরীরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণও ছিল। তাদের প্রাথমিক ধারণা—এই রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে গলায় কালশিরা দাগের উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বলেন, নরম কাপড় দিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করলে এমন দাগ হতে পারে, তবে এটি মৃত্যুর প্রধান কারণ নয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও শ্বাসরোধের চেষ্টা একই সময়ে ঘটেছে বলে তাঁরা ধারণা করছেন।

ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাওসিফের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলার চকপাড়া গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। এর আগে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সদস্যরা মরদেহের গোসল করিয়ে দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরীর ডাবতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার লিমন মিয়া (৩৫) পরিবারের পরিচিত ব্যক্তি বলে জানা গেছে। হামলায় তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসী (৪৪) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ধস্তাধস্তির সময় হামলাকারী নিজেও আহত হন এবং বর্তমানে রামেক হাসপাতালে পুলিশের হেফাজতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঘটনার বিষয়ে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।