৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা গেলেন নিহত জিহাদের বন্ধু ইমন!
- আপডেট সময় : ০৩:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

৫ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা গেলেন নিহত জিহাদের বন্ধু ইমন!
স্টাফ রিপোর্টারঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হাড়িয়ে নিহত কলেজ ছাত্র জিহাদের বন্ধু ইমন মৃত্যুর সাথে ৫ দিন পাঞ্জা লড়ে মারা গেছেন।রোববার (৩ দিসেম্বর) বিকেল ৪ টা ৪৫ মিনিটে রাজাশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ইমন লালপুর উপজেলার চংধুপইল ইউনিয়নের শোভ গ্রামের সুজন আলীর ছেলে এবং বাগাতিপাড়া বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণীর প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
ইমন ও জিহাদের বন্ধু শিমুল আহম্মেদ জানায়, ঘটনার দিন আনুমানিক বেলা ১১ টার দিকে তারা ৪ বন্ধু দুটি মোটর সাইকেল নিয়ে কলেজ থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলো। লক্ষণহাটি মোড়ে আসার পর জাহিদ শিমুলকে তার এ্যাপাচি গাড়িটি দিতে বলে আর তার ডায়াং মোটরসাইকেলটি তাকে চালাতে বলে। গাড়ি পরিবর্তন করেই এ্যাপাচি গাড়ি নিয়ে জাহিদ এবং ইমন আলী সেখান থেকে দয়ারামপুরের দিকে খুব দ্রত গতিতে ছুটে যায়। আর পেছনে ডায়াং গাড়িটি নিয়ে তাদের আরেক বন্ধু ইমন হোসেন কে সাথে নিয়ে আস্তে আস্তে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তারা দূর থেকে দেখতে পায় দ্রুত যাওয়া মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বিদ্যুতের খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে তারা অনেক দুরে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলে জাহিদ হাসানের মৃত্যু হয়। আর ইমন কে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুইজন কিশোর মালঞ্চি থেকে দয়ারামপুর অভিমুখী প্রধান আঞ্চলিক সড়কে একটি মোটরসাইকেলে নিয়ে বেপরোয়া গতিতে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পাশে কারেন্টের খুঁটির সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় মোটরসাইকেল চালক ইমন রাস্তার পাশের নিচের জমিতে এবং ওই খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে রাস্তার অপরপ্রান্তে পড়ে জিহাদ। এতে ঘটনাস্থলেই জিহাদের মৃত্যু হয় এবং ইমন গুরুত্বর আহত হয়।
ইমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে চংধুপইল ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড এর ইউপি সদস্য আরমান আলী জানান, গত ২৯ নভেম্বর বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাগাতিপাড়া উপজেলার মালঞ্চি থেকে দয়ারামপুর অভিমুখী প্রধান আঞ্চলিক সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বিদ্যুতের খুঁটির সাথে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলের শোভ গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে কলেজ ছাত্র জিহাদ নিহত হয়। আর এ ঘটনায় একই এলাকার সুজনের ছেলে নিহত জিহাদের বন্ধু ইমনকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ৫ দিন আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে রোববার বিকেলে তার মৃত্যু হয়। ২৯ নভেম্বর নিহত জিহাদও বাগাতিপাড়া বিএম কলেজের একাদশ শ্রেণীর প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিহত ইমনের মরদেহ বাড়িতে আনা হচ্ছে। সোমবার তার দাফন সম্পূর্ণ হবে বলেও জানান ইউপি সদস্য আরমান আলী ওড়ফে আরমান মেম্বার।










