ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বগুড়ায় মশার কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা গোদাগাড়ীতে বাল্যবিবাহ বন্ধ, ইমাম ও বরপক্ষকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত পঞ্চগড়ে ডিম ব্যবসায়ীকে জরিমানা, অন্যদের সতর্ক বনশ্রী সোসাইটির কমন ফ্যাসিলিটিজের জায়গা পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন মান্দায় স্কুলের সামনে ভটভটির ধাক্কায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত নকলায় মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণ মামলায় প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার শ্রীবরদী সীমান্তে ভারতীয় কসমেটিকস ও অটোভ্যান আটক নলডাঙ্গায় মাদক সেবনের দায়ে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড তামাক-নিকোটিন পণ্য এসডিজি অর্জনে বড় বাধা: গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা

আর্থিক সহায়তায় বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আর্থিক সহায়তায় বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান!

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধি:
আর্থিক সহায়তায় বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান! “মানুষ-মানুষের জন্যে, জীবন-জীবনের জন্যে,একটু সহানুভূতির জন্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছেলে রুমান(২৩)কে আর্থিক সহায়তা দিয়ে বাঁচাতে আকুতি জানিয়েছেন তার বিধবা মাতা। রুমান শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের গরুহাটির নদীর পাড়ের বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে।

৩ ভাই,২ বোনের মধ্যে রুমান সবার ছোট। সহায়- সম্বল ও ভিটেমাটি ছাড়া রুমানের দিনমজুর বাবা আব্দুল বারিক গত ৭/৮ বছর আগে মারা গেছেন। রুমানের বিধবা মাতা অন্যের বাড়ীতে ঝিয়ের কাজের পাশাপাশি শ্রমিকেরও কাজ করেন। গত ৬/৭ মাস আগে রুমানের শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তার বিধবা মাতা স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা নেয়। এতে কয়েকদিন কোনমতে স্বাভাবিক থাকলেও পরে আরো শরীর খারাপ হলে পূণরায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করে।সেখানেও কোন কাজ না হলে রুমানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।পরে রুমানের প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় রুমানকে নিয়ে তার বিধবা মাতা ময়মনসিংহে নিয়ে যায়।

পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, বিভাগীয় প্রধান (রেডিওথেরাপি বিভাগ) অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলামের নিকট চিকিৎসা নেন। তিনি যাবতীয় পরিক্ষা নিরীক্ষা শেষে রুমানের শরীরের তিন স্থানে ক্যান্সারের নমুনা নিশ্চিত করেন এবং তাকে দ্রুত থেরাপি দিতে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। ব্যয়বহুল এই থেরাপি দেয়ার টাকা না থাকায় রুমানের বিধবা মাতা রুমানকে নিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন। থেরাপি না দিয়ে বাড়ীতে আসার পর যতই দিন যাচ্ছে, রুমানের শারীরিক অবস্থা ততই খারাপ হচ্ছে।এমতাবস্থায় রুমানকে বাঁচাতে তার সহায়-সম্বল ও ভিটেমাটিহীন বিধবা মাতা সমাজের অর্থবান ও বিত্তবানদের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছেন। আপনার দেয়া অর্থে বেঁচে যেতে পারে একজন টকবগে যুবক।এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, বিভাগীয় প্রধান (রেডিওথেরাপি বিভাগ)অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান,রুমানকে যতদ্রুত সম্ভব থেপারি দিয়ে নিয়ন্ত্রনে রাখা দরকার।সময়মতো থেরাপি দিতে না পারলে তার পুরো শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থায় শারীরিক ও মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে রুমান ও তার বিধবা মাতা। যদি কোন সহৃদয়বান,অর্থবান ও বিত্তবান রুমানকে আর্থিক সহায়তা করতে চান তবে রুমানের পানসোনাল বিকাশ নম্বর এই -০১৯০৯-৯০৫৮৮৯ যোগাযোগ করতে রুমানের বিধবা মাতা সকলকে অনুরোধ করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আর্থিক সহায়তায় বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান!

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

আর্থিক সহায়তায় বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান!

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধি:
আর্থিক সহায়তায় বাঁচতে পারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রুমান! “মানুষ-মানুষের জন্যে, জীবন-জীবনের জন্যে,একটু সহানুভূতির জন্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত ছেলে রুমান(২৩)কে আর্থিক সহায়তা দিয়ে বাঁচাতে আকুতি জানিয়েছেন তার বিধবা মাতা। রুমান শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের গরুহাটির নদীর পাড়ের বাসিন্দা এবং মৃত আব্দুল বারিকের ছেলে।

৩ ভাই,২ বোনের মধ্যে রুমান সবার ছোট। সহায়- সম্বল ও ভিটেমাটি ছাড়া রুমানের দিনমজুর বাবা আব্দুল বারিক গত ৭/৮ বছর আগে মারা গেছেন। রুমানের বিধবা মাতা অন্যের বাড়ীতে ঝিয়ের কাজের পাশাপাশি শ্রমিকেরও কাজ করেন। গত ৬/৭ মাস আগে রুমানের শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে তার বিধবা মাতা স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা নেয়। এতে কয়েকদিন কোনমতে স্বাভাবিক থাকলেও পরে আরো শরীর খারাপ হলে পূণরায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করে।সেখানেও কোন কাজ না হলে রুমানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।পরে রুমানের প্রতিবেশীদের সহযোগীতায় রুমানকে নিয়ে তার বিধবা মাতা ময়মনসিংহে নিয়ে যায়।

পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, বিভাগীয় প্রধান (রেডিওথেরাপি বিভাগ) অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলামের নিকট চিকিৎসা নেন। তিনি যাবতীয় পরিক্ষা নিরীক্ষা শেষে রুমানের শরীরের তিন স্থানে ক্যান্সারের নমুনা নিশ্চিত করেন এবং তাকে দ্রুত থেরাপি দিতে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। ব্যয়বহুল এই থেরাপি দেয়ার টাকা না থাকায় রুমানের বিধবা মাতা রুমানকে নিয়ে বাড়ী ফিরে আসেন। থেরাপি না দিয়ে বাড়ীতে আসার পর যতই দিন যাচ্ছে, রুমানের শারীরিক অবস্থা ততই খারাপ হচ্ছে।এমতাবস্থায় রুমানকে বাঁচাতে তার সহায়-সম্বল ও ভিটেমাটিহীন বিধবা মাতা সমাজের অর্থবান ও বিত্তবানদের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়েছেন। আপনার দেয়া অর্থে বেঁচে যেতে পারে একজন টকবগে যুবক।এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ, বিভাগীয় প্রধান (রেডিওথেরাপি বিভাগ)অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান,রুমানকে যতদ্রুত সম্ভব থেপারি দিয়ে নিয়ন্ত্রনে রাখা দরকার।সময়মতো থেরাপি দিতে না পারলে তার পুরো শরীরে ক্যান্সার ছড়িয়ে যেতে পারে।

এ অবস্থায় শারীরিক ও মানুষিক ভাবে ভেঙ্গে পড়েছে রুমান ও তার বিধবা মাতা। যদি কোন সহৃদয়বান,অর্থবান ও বিত্তবান রুমানকে আর্থিক সহায়তা করতে চান তবে রুমানের পানসোনাল বিকাশ নম্বর এই -০১৯০৯-৯০৫৮৮৯ যোগাযোগ করতে রুমানের বিধবা মাতা সকলকে অনুরোধ করেছেন।