ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিবগঞ্জে বালুর নিচে পুঁ’তে রাখা নবজাতক কন্যাশিশু জীবিত উদ্ধার দেবীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ পঞ্চগড়ে বিস্তীর্ণ বনানীজুড়ে কৃষকের সোনালি স্বপ্ন, আমনের বাম্পার ফলনের আশা গোদাগাড়ীতে নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, জরিমানা ১ লাখ ৮ হাজার টাকা এক পাতা থেকে দুই গাছ, ছয় বছর পর একই রাতে ফুটল দুই নাইট কুইন বাগাতিপাড়ায় গ্যাস লাইটার নিয়ে খেলতে গিয়ে দগ্ধ শিশু শারিনের মৃত্যু আখ রোপণ ও সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নাটোর সুগার মিলে মতবিনিময় সভা ২৫ বছর পর মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন সালমা, পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক পরিবার’ নলডাঙ্গায় তিন ফসলি জমির মাটি কাটায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, ব্যাটারি জব্দ

পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ

মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬ ২৪ বার পড়া হয়েছে

Cow undergoing treatment slaughtered in Panchagarh; Livestock Department buries four maunds of meat

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ

অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের প্রত্যাহারকাল শেষ না হওয়ায় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাংস নষ্টের সিদ্ধান্ত

মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন একটি অসুস্থ গরু জবাইয়ের পর এর প্রায় চার মণ মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। গরুটির শরীরে ওষুধ প্রয়োগের নির্ধারিত প্রত্যাহারকাল (উইথড্রয়াল পিরিয়ড) শেষ না হওয়ায় মাংসটি মানুষের খাওয়ার উপযোগী ছিল না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের খালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ২৭ অক্টোবর থেকে গরুটি অসুস্থ ছিল এবং জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিল।

জানা গেছে, গরুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মালিক ও খামারি সোহেল ইসলাম সেটি জবাই করেন। বিষয়টি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমানের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠান। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চিকিৎসাধীন পশুর মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় তা নষ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে এফএসপি হাবিবুর রহমান এবং হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে মাংসগুলো গভীর গর্তে পুঁতে ফেলা হয়।

গরুর মালিক সোহেল ইসলাম বলেন, গরুটি কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং চিকিৎসাধীন ছিল। গত রাতে হঠাৎ অবস্থার অবনতি হলে নিজের খাওয়ার জন্য সেটি জবাই করেন। তবে মাংস বিক্রির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় পশু চিকিৎসক ও এআই টেকনিশিয়ান তফিজুল ইসলাম জানান, গতকাল বিকেলেও তিনি গরুটিকে স্যালাইন দিয়ে এসেছিলেন। আজ ভোরে গরুর মালিক তাঁকে ফোন করলেও জবাইয়ের বিষয়ে কোনো পরামর্শ নেননি।

স্থানীয় মাংস বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, সকাল ৬টার দিকে তাকে ফোন করা হয়েছিল। তবে গরুটি অসুস্থ হওয়ায় তিনি মাংস কিনতে রাজি হননি। পরে তিনি জানতে পারেন, মালিক নিজেই গরুটি জবাই করেছেন। এরপর তাঁর লোকজন গিয়ে গরুটির চামড়া ছাড়িয়ে দেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমান জানান, গরুটি চিকিৎসাধীন ছিল এবং এতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়েছিল। ওষুধের নির্ধারিত প্রত্যাহারকাল শেষ না হওয়ায় মাংসটি মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রায় চার মণ মাংস নষ্ট করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

November 3, 2026
পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ

অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের প্রত্যাহারকাল শেষ না হওয়ায় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি এড়াতে মাংস নষ্টের সিদ্ধান্ত

মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন একটি অসুস্থ গরু জবাইয়ের পর এর প্রায় চার মণ মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ। গরুটির শরীরে ওষুধ প্রয়োগের নির্ধারিত প্রত্যাহারকাল (উইথড্রয়াল পিরিয়ড) শেষ না হওয়ায় মাংসটি মানুষের খাওয়ার উপযোগী ছিল না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের খালপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে গত ২৭ অক্টোবর থেকে গরুটি অসুস্থ ছিল এবং জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিল।

জানা গেছে, গরুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মালিক ও খামারি সোহেল ইসলাম সেটি জবাই করেন। বিষয়টি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমানের নজরে এলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠান। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে চিকিৎসাধীন পশুর মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় তা নষ্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে এফএসপি হাবিবুর রহমান এবং হাফিজাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ রবিউল ইসলামের উপস্থিতিতে মাংসগুলো গভীর গর্তে পুঁতে ফেলা হয়।

গরুর মালিক সোহেল ইসলাম বলেন, গরুটি কয়েক দিন ধরে অসুস্থ ছিল এবং চিকিৎসাধীন ছিল। গত রাতে হঠাৎ অবস্থার অবনতি হলে নিজের খাওয়ার জন্য সেটি জবাই করেন। তবে মাংস বিক্রির কোনো উদ্দেশ্য ছিল না বলে দাবি করেন তিনি।

স্থানীয় পশু চিকিৎসক ও এআই টেকনিশিয়ান তফিজুল ইসলাম জানান, গতকাল বিকেলেও তিনি গরুটিকে স্যালাইন দিয়ে এসেছিলেন। আজ ভোরে গরুর মালিক তাঁকে ফোন করলেও জবাইয়ের বিষয়ে কোনো পরামর্শ নেননি।

স্থানীয় মাংস বিক্রেতা আব্দুল মালেক বলেন, সকাল ৬টার দিকে তাকে ফোন করা হয়েছিল। তবে গরুটি অসুস্থ হওয়ায় তিনি মাংস কিনতে রাজি হননি। পরে তিনি জানতে পারেন, মালিক নিজেই গরুটি জবাই করেছেন। এরপর তাঁর লোকজন গিয়ে গরুটির চামড়া ছাড়িয়ে দেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম ও ডা. মরিয়ম রহমান জানান, গরুটি চিকিৎসাধীন ছিল এবং এতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়েছিল। ওষুধের নির্ধারিত প্রত্যাহারকাল শেষ না হওয়ায় মাংসটি মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রায় চার মণ মাংস নষ্ট করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

November 3, 2026
পঞ্চগড়ে চিকিৎসাধীন গরু জবাই, চার মণ মাংস পুঁতে ফেলল প্রাণিসম্পদ বিভাগ
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement