ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে দূরে রাখতে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রাজশাহী বোর্ডে রাতভর এসএসসির খাতা পুনর্নিরীক্ষণ, সচিব বললেন জানতেন না ঠাকুরগাঁওয়ে লিগ্যাল এইড সেবা ডিজিটাল করার উদ্যোগ, মতামত নিল ইউএনডিপি পঞ্চগড়ে মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: র‍্যালি, আলোচনা সভা ও ৪৮ পাউন্ডের কেক শেরপুর সীমান্তে ১৬৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ বাগাতিপাড়ায় গ্যাস ট্যাবলেট সেবন, চিকিৎসাধীন নারীর মৃত্যু গোদাগাড়ীতে ডিলারের গুদামে ৮১৭ বস্তা সার, এক মাসের কারাদণ্ড দুপচাঁচিয়ায় বিএসটিআইয়ের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯৫ হাজার টাকা জরিমানা ১৫ বছর ধরে অসুস্থ জুঁই, থেমে গেছে স্কুলে যাওয়া; চিকিৎসার জন্য আকুতি বগুড়ায় মশার কয়েল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

গরিবের সংসারে বাজারের তান্ডব, দিশেহারা মধ্যবিত্ত!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩ ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

মাছ-মাংসের বাজারে হতাশ সাধারণ মানুষ

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গরিবের সংসারে বাজারের তান্ডব, দিশেহারা মধ্যবিত্ত!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধ:
গরিবের সংসারে বাজারের তান্ডব, দিশেহারা মধ্যবিত্ত! চলতি মাসেই আসছে পবিত্র মাহে রমজান। এরই মধ্যে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে প্রতিনিয়ত। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজার করতে শুরু করেছেন অনেকেই। তবে বাজার করতে গিয়ে এখনো স্বস্তি পাচ্ছেন না নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাছ-মাংসের বাজারে গিয়েই হতাশ হতে হচ্ছে এখনো। শেষ পর্যন্ত আকাশ ছোঁয়া দাম কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে খুবই চিন্তিত সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারেও আজ নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর প্রায় একই দশায় পরিনত হয়েছে।
দু’মাস ধইরে মাছ খাউনা। কিনিম যে দাম তো অনেক বেশি। আয় রোজগার কুমলেও সব জিনিসের দাম বাড়ছে। যে কারণে ছোয়ালাক ভালো খিলাবা পারু না। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধিতে এভাবেই এ প্রতিবেদকের কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন শমসের আলী নামে এক রিকশাচালক। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যাঁতাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি পিষ্ট হচ্ছেন মেস বা হোস্টেলে থাকা শিক্ষার্থীরাও।

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী রাসেল বলেন, আমরা অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাইরে বিভিন্ন মেসে থাকি। তেমন টিউশনিও নেই। এর ওপর দ্রবমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে একেবারে নাজেহাল হয়ে পড়েছি আমরা। আগের তুলনায় বর্তমানে প্রতিমাসে আরও এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি লাগছে। যা পরিবার থেকে দেওয়া বেশ কষ্টকর।
বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক আশরাফ আলী বলেন, খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের চড়া মূল্যের বিরূপ প্রভাব পড়েছে অতিদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর। আলু ছাড়া সব পণ্যের দাম বেশি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যাঁতাকলে অসহায় মানুষের দুঃখের কথা বলার কোনো জায়গাও নেই।
শহরের কালিবাড়িতে বাজারে করতে এসেছেন এনজিও কর্মী শারমিন আক্তার। সন্তানদের জন্য মুরগি কিনতে এসেছেন তিনি। তবে বাজারে সবকিছুর উচ্চ মূল্য থাকায় হতাশ হতে হচ্ছে তাঁকে। আজ সকালে বাজারের এক মুরগির দোকানের সামনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। শারমিন বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ২৫০ থেকে বেড়ে ৩২০ টাকার কাছাকাছি। এই দামে মুরগি কিনে খাওয়া আমাদের জন্যই কষ্টসাধ্য। স্বল্প আয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কষ্টে সংসার চলছে। নিজেরা না খেয়ে থাকতে পারলেও সন্তানদের কথা ভেবে মুরগি কিনেছেন তিনি।

পৌর শহরের হাজিপাড়া এলাকায় অন্যের বাসা-বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করা মাজেদা বেগম বলেন, ‘মানুষের বাড়িতে কাজ করে যে টাকা পাই তা দিয়ে এখন আর সংসার চালাতে পারি না। এ অবস্থায় টিকে থাকার জন্য সব ধরনের খাবার খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। এক বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরী করেন শফিক মিয়া। তিনি বলেন, ‘এখন দুশ্চিন্তার একটাই কারণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আমি টিকে থাকতে পারছি না। সত্যি, আমি আর পারছি না।
সবজি ব্যবসায়ী কাউসার বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা যেমন ক্ষীপ্ত, তেমনি আমরাও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। সাধারণ মানুষ বাজারে এসে দাম শুনে প্রয়োজনীয় অনেক কিছু না কিনে চলে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতা দুলাল বলেন, পণ্যের দাম একবার বাড়লে তা সহজে কমে না। শীতের সবজি শেষের দিকে। ফলে দাম বাড়ছে। আরেক বিক্রেতা বলেন, যেসব সবজির মৌসুম শেষ সেসব সবজির দাম কিছুটা বেশি। কারণ ওইসব সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ টি উপজেলা বিভিন্ন শহর সহ সদর উপজেলার কালবাড়ি, সেনুয়া, গৌধুলীসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ৩০৯ থেকে ৩২০ টাকায়, সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৫০, দেশি মুরগি ৫৪০ থেকে ৫৫০, গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০, খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায়। মাংসের উচ্চ মূল্যের পাশাপাশি মাছের বাজারও চড়া। মাছ-মাংসের বাজার ঘুরে সবজি বাজারেই ভিড় করছেন ক্রেতারা। সবজির বাজারে বেগুন ৩০ থেকে ৩৫, বাঁধাকপি ১৫ থেকে ২০, ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০, শসা ২৫ থেকে ৩৫, মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৩৫, টমেটো ২০ থেকে ২৫, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০, শিম ৩৫ থেকে ৪৫, গাজর ২০ থেকে ২৫, লাউ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা।
অন্যান্য নিত্যপণ্যের মধ্যে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ থেকে ১১৫, দেশি মসুরের ডাল ১৪০ থেকে ১৪৫, মানভেদে ছোলা ৯০ থেকে ১০৫, আটা ৬৫ থেকে ৬৮, খোলা আটা ৫৬ থেকে ৫৮, ময়দা ৭৫ থেকে৭৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

গরিবের সংসারে বাজারের তান্ডব, দিশেহারা মধ্যবিত্ত!

আপডেট সময় : ০৫:২২:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

গরিবের সংসারে বাজারের তান্ডব, দিশেহারা মধ্যবিত্ত!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধ:
গরিবের সংসারে বাজারের তান্ডব, দিশেহারা মধ্যবিত্ত! চলতি মাসেই আসছে পবিত্র মাহে রমজান। এরই মধ্যে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েই চলেছে প্রতিনিয়ত। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজার করতে শুরু করেছেন অনেকেই। তবে বাজার করতে গিয়ে এখনো স্বস্তি পাচ্ছেন না নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ। সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি পেলেও মাছ-মাংসের বাজারে গিয়েই হতাশ হতে হচ্ছে এখনো। শেষ পর্যন্ত আকাশ ছোঁয়া দাম কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়ে খুবই চিন্তিত সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারেও আজ নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর প্রায় একই দশায় পরিনত হয়েছে।
দু’মাস ধইরে মাছ খাউনা। কিনিম যে দাম তো অনেক বেশি। আয় রোজগার কুমলেও সব জিনিসের দাম বাড়ছে। যে কারণে ছোয়ালাক ভালো খিলাবা পারু না। দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধিতে এভাবেই এ প্রতিবেদকের কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন শমসের আলী নামে এক রিকশাচালক। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যাঁতাকলে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি পিষ্ট হচ্ছেন মেস বা হোস্টেলে থাকা শিক্ষার্থীরাও।

ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী রাসেল বলেন, আমরা অধিকাংশ শিক্ষার্থীই বাইরে বিভিন্ন মেসে থাকি। তেমন টিউশনিও নেই। এর ওপর দ্রবমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধিতে একেবারে নাজেহাল হয়ে পড়েছি আমরা। আগের তুলনায় বর্তমানে প্রতিমাসে আরও এক থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি লাগছে। যা পরিবার থেকে দেওয়া বেশ কষ্টকর।
বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক আশরাফ আলী বলেন, খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের চড়া মূল্যের বিরূপ প্রভাব পড়েছে অতিদরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর। আলু ছাড়া সব পণ্যের দাম বেশি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যাঁতাকলে অসহায় মানুষের দুঃখের কথা বলার কোনো জায়গাও নেই।
শহরের কালিবাড়িতে বাজারে করতে এসেছেন এনজিও কর্মী শারমিন আক্তার। সন্তানদের জন্য মুরগি কিনতে এসেছেন তিনি। তবে বাজারে সবকিছুর উচ্চ মূল্য থাকায় হতাশ হতে হচ্ছে তাঁকে। আজ সকালে বাজারের এক মুরগির দোকানের সামনে কথা হয় তাঁর সঙ্গে। শারমিন বলেন, বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ২৫০ থেকে বেড়ে ৩২০ টাকার কাছাকাছি। এই দামে মুরগি কিনে খাওয়া আমাদের জন্যই কষ্টসাধ্য। স্বল্প আয়ে স্বামী-স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কষ্টে সংসার চলছে। নিজেরা না খেয়ে থাকতে পারলেও সন্তানদের কথা ভেবে মুরগি কিনেছেন তিনি।

পৌর শহরের হাজিপাড়া এলাকায় অন্যের বাসা-বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করা মাজেদা বেগম বলেন, ‘মানুষের বাড়িতে কাজ করে যে টাকা পাই তা দিয়ে এখন আর সংসার চালাতে পারি না। এ অবস্থায় টিকে থাকার জন্য সব ধরনের খাবার খাওয়া কমিয়ে দিয়েছি। এক বেসরকারি কোম্পানিতে চাকুরী করেন শফিক মিয়া। তিনি বলেন, ‘এখন দুশ্চিন্তার একটাই কারণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আমি টিকে থাকতে পারছি না। সত্যি, আমি আর পারছি না।
সবজি ব্যবসায়ী কাউসার বলেন, দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতারা যেমন ক্ষীপ্ত, তেমনি আমরাও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। সাধারণ মানুষ বাজারে এসে দাম শুনে প্রয়োজনীয় অনেক কিছু না কিনে চলে যাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বেশি দামে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। খুচরা বিক্রেতা দুলাল বলেন, পণ্যের দাম একবার বাড়লে তা সহজে কমে না। শীতের সবজি শেষের দিকে। ফলে দাম বাড়ছে। আরেক বিক্রেতা বলেন, যেসব সবজির মৌসুম শেষ সেসব সবজির দাম কিছুটা বেশি। কারণ ওইসব সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ টি উপজেলা বিভিন্ন শহর সহ সদর উপজেলার কালবাড়ি, সেনুয়া, গৌধুলীসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ৩০৯ থেকে ৩২০ টাকায়, সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৫০, দেশি মুরগি ৫৪০ থেকে ৫৫০, গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০, খাসির মাংস ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৩৫ থেকে ১৪৫ টাকায়। মাংসের উচ্চ মূল্যের পাশাপাশি মাছের বাজারও চড়া। মাছ-মাংসের বাজার ঘুরে সবজি বাজারেই ভিড় করছেন ক্রেতারা। সবজির বাজারে বেগুন ৩০ থেকে ৩৫, বাঁধাকপি ১৫ থেকে ২০, ফুলকপি ২৫ থেকে ৩০, শসা ২৫ থেকে ৩৫, মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৩৫, টমেটো ২০ থেকে ২৫, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০, শিম ৩৫ থেকে ৪৫, গাজর ২০ থেকে ২৫, লাউ ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা।
অন্যান্য নিত্যপণ্যের মধ্যে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, প্যাকেটজাত চিনি ১১০ থেকে ১১৫, দেশি মসুরের ডাল ১৪০ থেকে ১৪৫, মানভেদে ছোলা ৯০ থেকে ১০৫, আটা ৬৫ থেকে ৬৮, খোলা আটা ৫৬ থেকে ৫৮, ময়দা ৭৫ থেকে৭৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।