সড়কের ধুলায় অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণরা
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ এপ্রিল ২০২২ ১৯০ বার পড়া হয়েছে

সড়কের ধুলায় অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণরা
বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
সড়কের ধুলায় অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণরা। বাগাতিপাড়া থেকে নাটোর যাবার প্রধান সড়কের ধুলায় অতিষ্ঠ ওই পথে চলাচল কারী শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণরা। প্রায় ৪ মাস আগে সড়কটি সংস্কারের জন্য ডব্লিউবিএম করা হলেও এখন পর্যন্ত পিচের কাজ না করায় ধুলার সৃষ্টি হয়েছে সড়ক জুড়ে।

সবধরনের যান চলাচলের এই সড়ক এখন ধুলার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আবার সংস্কারের সাথে সংশ্লিষ্টদের উপর চলাচল কারীদের চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে বলে স্থানীয়দের দাবি।উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়েতিন বছর পূর্বে জেলার বাগাতিপাড়া ও সিংড়া উপজেলার ৫ টি সড়ক একটি প্যাকেজের আওতায় প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ ও সংস্কার কাজের টেন্ডার হয়। এ সময় কাজটির ঠিকাদারী পান নাটোরের মীর হাবিবুল আলম। নাটোর-বাগাতিপাড়া প্রধান সড়কের কসবে মালঞ্চি হতে তমালতলা বাজার হয়ে কালারা ব্রীজ পর্যন্ত ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার সড়ক এখন পর্যন্ত সমাপ্ত করা হয়নি। তবে এই সড়ক বাদে অন্য সড়কগুলোর কাজ অনেক আগেই সম্পূর্ণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, এই সড়কটিই জেলার সাথে উপজেলার যোগাযোগের প্রধান সড়ক। কিন্তু সড়ক জুড়ে ধুলায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে চলাচল কারীরা। এছাড়াও এই সড়ক দিয়ে ৮ টি স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা পায়ে হেঁটে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যান। সেই সময় সড়ক দিয়ে ছোট-বড় গাড়ি চলাচলে ধুলা উড়ে তাদের চোখে-মুখে পড়ে। এতে তারা চোখের নানা সমস্যাসহ সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই সড়কটির সংস্কার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দাবি তাদের।
উপজেলার তমালতলা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী খুশি খাতুন বলেন, সড়কটি দিয়ে নিয়মিত স্কুলে যেতে হয়। যাওয়ার সময় একটি মোটরসাইকেল গেলেও ধুলা উড়ে। আর সেই ধুলা চোখ-মুখের ভিতর ঢুকে যায়। এতে নানা ধরনের সমস্যা হয়। তাই সড়কটি দ্রুত ঠিক করার দাবি তার।
তমালতলা বাজারের কম্পিউটার কম্পোজ এর দোকানী ও জিগরী বাজারের দোকানী সাজেদুর রহমান বলেন, সারাদিন দোকানে বসে থাকতে গিয়ে সড়কের ধুলায় জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন দোকানের সামনে দুইবেলা পানি ছিটিয়েও কাজ হয়না। দোকানের মালামালে ধুলার প্রলেপ পড়ে যায়।
এই সড়কের ভ্যান চালক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ধুলার কারণে সড়কটি দিয়ে ভ্যান চালানোর উপায় নাই। ইঞ্জিন চালিত যে কোন গাড়ি গেলেই ধুলায় তিনিসহ যাত্রীদের সমস্যা হয়।
এবিষয়ে কথা বলার জন্য ঠিকাদার জাহান আলীকে মুঠোফোনে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ধুলার কারণে মানুষের সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। এছাড়াও যাদের অ্যাজমার সমস্যা রয়েছে তাদের এ সমস্যাটা আরো বৃদ্ধি পায়।
উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুর রহমান বলেন, সড়কটির মেরামত কাজ শেষ করার জন্য সব রকমের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সর্বশেষ জেলায় এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে দ্রুতই সড়কটির কাজ শেষ হবে।




















