শেরপুর সীমান্তে বন্য হাতি ঠেকাতে অবৈধ বিদ্যুৎ ফাঁদ, বন বিভাগের অভিযানে লাইন বিচ্ছিন্ন
- আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

শেরপুর সীমান্তে বন্য হাতি ঠেকাতে অবৈধ বিদ্যুৎ ফাঁদ, বন বিভাগের অভিযানে লাইন বিচ্ছিন্ন
ফসল রক্ষায় ক্ষেতজুড়ে জি-আই তারে বিদ্যুৎ সংযোগ; হাতি ও মানুষের প্রাণহানির ঝুঁকির কথা বলছে বন বিভাগ
সীমান্তবর্তী শেরপুরে বন্য হাতির আক্রমণ ঠেকাতে ফসলি জমির চারপাশে অবৈধভাবে বিদ্যুতায়িত জি-আই তার দিয়ে ফাঁদ পেতে রাখার ঘটনা উদঘাটন করেছে বন বিভাগ। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
ঘটনাটি শেরপুরের রাংটিয়া রেঞ্জের আওতাধীন তাওয়াকোচা বিটের পানবর মৌজায় ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুট্টা ও ধানক্ষেতকে বন্য হাতির আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে কিছু ব্যক্তি ক্ষেতের চারপাশে জি-আই তার টানিয়ে তাতে সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগ দেন। এতে হাতির স্বাভাবিক চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছিল। একই সঙ্গে যে কোনো সময় বন্য প্রাণী কিংবা মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কাও তৈরি হয়।
খবর পেয়ে তাওয়াকোচা বিটের বিট কর্মকর্তা ফাহিম মুনতাসিরের নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। এ সময় ক্ষেতের চারপাশে দেওয়া সব অবৈধ বৈদ্যুতিক লাইন বিচ্ছিন্ন করা হয়। পাশাপাশি এ ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে সংশ্লিষ্টদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
বিট কর্মকর্তা ফাহিম মুনতাসির বলেন, “বন্য প্রাণী, বিশেষ করে হাতি সংরক্ষণে এ ধরনের অবৈধ বিদ্যুৎ ফাঁদ অত্যন্ত বিপজ্জনক ও দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে শুধু বন্যপ্রাণী নয়, মানুষের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।”
তিনি আরও বলেন, বন বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে এবং হাতি প্রতিরোধে নিরাপদ ও আইনসম্মত পদ্ধতি ব্যবহারের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় সচেতনতা বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ সংযোগ না দেওয়ার জন্য এলাকাবাসীকে নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।




















