রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খুশি ট্রেনযাত্রীরা
- আপডেট সময় : ০৬:৪৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

রাসিক প্রশাসকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খুশি ট্রেনযাত্রীরা
ঈদ উপলক্ষে ৯ দিন রাজশাহী রেলস্টেশনে বিনামূল্যে যাত্রী সহায়তা সেবা দিয়েছে সিটি কর্পোরেশন
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রথমবারের মতো ট্রেনযাত্রীদের জন্য ব্যতিক্রমী সহায়তা কার্যক্রম হাতে নিয়েছিল রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক)। প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন-এর উদ্যোগে পরিচালিত এই সেবা কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।
ঈদের আগে ও পরে মোট ৯ দিনব্যাপী এই যাত্রী সহায়তা কার্যক্রম ২৮ মার্চ শেষ হয়।
জানা গেছে, গত ২০ মার্চ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরমুখো ট্রেনযাত্রীদের সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
যাত্রীদের লাগেজ, আসবাবপত্র ও ভারী ব্যাগ বহনে সহায়তা দিতে ২০ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৩টি শিফটে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ৩৬ জন শ্রমিক। প্রতিটি শিফটে ১২ জন করে কর্মী নিয়োজিত ছিলেন।
মূলত রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে আগত ও প্রস্থানকারী যাত্রীদের লাগেজ বহন, হয়রানি প্রতিরোধ এবং সার্বিক যাত্রীসেবায় রেলকর্মীদের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরাও দায়িত্ব পালন করেন।
ঈদের ছুটি শেষে পরিবার নিয়ে ঢাকায় ফেরার সময় সেবা পাওয়া যাত্রী মো. আলমগীর হোসেন বলেন,
“পরিবারের অনেক ব্যাগ ছিল, সামলাতে কষ্ট হচ্ছিল। তখন সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা এগিয়ে এসে সব ব্যাগ ট্রেনে তুলে দেন। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা।”
আরেক যাত্রী, বেসরকারি চাকরিজীবী সুমি খাতুন বলেন, “রাজশাহী রেলস্টেশনে বিনামূল্যে যাত্রী সহায়তা কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করি, ভবিষ্যতেও এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
যাত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, “প্রথমবারের মতো রেলস্টেশনে সিটি কর্পোরেশনের এমন সেবা পেয়ে ভালো লেগেছে। কর্মীদের টাকা দিতে চাইলেও তারা নেয়নি। তারা বলেছে, প্রশাসকের নির্দেশে বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হচ্ছে।”
এ বিষয়ে রাসিক প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “আমরা প্রশাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করছি। এবার ঈদে পরীক্ষামূলকভাবে এই ট্রেনযাত্রী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি রেলস্টেশনের লাইসেন্সভুক্ত কুলি বা শ্রমিকদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয় কি না এবং জনগণের চাহিদা কতটা—তা বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”




















