মোহনপুরে জামায়াতকর্মী হ/ত্যার ঘটনায় পাল্টা মামলা; নেতৃবৃন্দ জামিনে মুক্ত
- আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ ২৩৭ বার পড়া হয়েছে

মোহনপুরে জামায়াতকর্মী হ/ত্যার ঘটনায় পাল্টা মামলা; নেতৃবৃন্দ জামিনে মুক্ত
বাদীর দাবি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল, জামায়াত নেতারা হত্যা ঘটনার দায়ীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চায়
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার সাঁকোয়া গ্রামে ঈদের নামাজে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন (৫৬) নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা পাল্টা তিনটি মামলায় জামিন পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামী নেতৃবৃন্দ।
বুধবার (১১ মার্চ) মোহনপুর আদালত থেকে তারা জামিন লাভ করেন। তিনটি মামলার মধ্যে এক মামলার বাদী মহেদ আলী আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটিকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তা প্রত্যাহারের আবেদন করেন।
জামায়াত নেতারা সাংবাদিকদের বলেন, নিহত আলাউদ্দিন গত প্রায় ৩০ বছর ধরে বিনা বেতনে সাঁকোয়া বাকশইল কামিল মাদ্রাসার মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করছিলেন। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে ওই দায়িত্ব থেকে সরানোর চেষ্টা করছিলেন। ৭ মার্চের ঘটনা তখন বাকবিতণ্ডা থেকে সংঘর্ষে রূপ নেয়, যা মারাত্মক আঘাতের ফলে আলাউদ্দিনের মৃত্যু ঘটে।
ইসলামী নেতারা অভিযোগ করেন, হত্যার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতারা প্রতিহিংসাবশত পাল্টা মামলা দায়ের করে। এতে ১১১ জন জামায়াত নেতৃবৃন্দকে তিনটি পৃথক মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। আদালত মামলাগুলো পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে জামিন মঞ্জুর করেছেন।
মামলার বাদী মহেদ আলী সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার পর তাকে মোটরসাইকেলে করে মোহনপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং একটি সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে তিনি জানতে পারেন, তার নাম ব্যবহার করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি এফিডেভিট দিয়ে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ৭ মার্চ রাত সাড়ে ৭টায় মোহনপুরের সাঁকোয়া গ্রামে জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিনকে স্থানীয় বিএনপির নেতা মো: ওমর ও রাইসুল ইসলাম রাসেলের নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে পায়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয়।
কেশরহাট পৌর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মো: মশিউর রহমান বলেন, মামলার বাদী নিজ বিএনপির কর্মী এবং তাকে জোর করে মামলা করানো হয়নি।



















