মোহনপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নেশাগ্রস্ত নাচের ভিডিও ভাইরাল
- আপডেট সময় : ১২:৪৯:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৮১ বার পড়া হয়েছে

মোহনপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের নেশাগ্রস্ত নাচের ভিডিও ভাইরাল
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের গানে তালে তালে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ ধরনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরালের পর এলাকা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ভাইরাল হওয়া বিএনপির নেতা আমিনুল ইসলাম মোহনপুর উপজেলার ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ভিডিওতে উল্লাসের সময় তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিলেন। এ ঘটনায় বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানের প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ডে জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীরা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইউপি সদস্য থাকা অবস্থায় সকল প্রকার সুবিধা ভোগ করেন আমিনুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপি নেতা দাবি করে ইউপি সদস্য থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা নেওয়াসহ বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নেশাদ্রব্য সেবন করেন। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বিএনপির নেতাকর্মীরা বিব্রত। তার অপকর্মে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মতভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। দলের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ইউপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলামের এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ জানিয়ে সাধারণ জনগণ বলেন, জনগণ যেকোনো সমস্যা এবং ভালো-মন্দ পরামর্শের জন্য তার কাছে যায়। তিনি যদি আপত্তিকর কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে জনগণের যাওয়ার জায়গা থাকে না। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।
ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী বলেন, আমিনুল ইসলাম আগে থেকে বিএনপি করেন। বিগত সরকারের সময় তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে মিশে ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আবার বিএনপিতে ফিরে এসেছেন।
বিএনপি নেতা ও ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম নাচ-গানের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাকে নাচানাচি করতে বাধ্য করা হয়েছিল। তবে নেশাগ্রস্তের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছেন। তিনি মনে করেন, তার মানক্ষুন্ন করার জন্য এমন মিথ্যাচার প্রচার করা হচ্ছে।



















