বাগাতিপাড়ায় রান্নার চুলার আগুনে পুড়ে গেল শ্রমিক সাধনের ঘর–গরু–ছাগল, হারালেন দাদিও
- আপডেট সময় : ১০:৩৯:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫ ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় রান্নার চুলার আগুনে পুড়ে গেল শ্রমিক সাধনের ঘর–গরু–ছাগল, হারালেন দাদিও
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রান্নার চুলার আগুনে এক নির্মাণ শ্রমিকের সব স্বপ্ন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পৌর এলাকার পেড়াবাড়িয়া মহল্লায় সাধন নামের ওই শ্রমিকের বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় সাধনের দাদি মমতাজ বেগম (৭৫) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। আগুনে তার একটি ষাঁড় গরু ও পাঁচটি ছাগল পুড়ে মারা যায়। এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত সাধন। ক্ষতিগ্রস্ত সাধন ওই এলাকার মৃত মকুলের ছেলে। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রির হেলপার (নির্মাণ শেমিক)।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার দিন দুপুরে সাধনের স্ত্রী রান্নাঘরে চুলায় রান্না করছিলেন। সংসারের অন্য কাজে তিনি চাচা শ্বশুরের বাড়িতে যান। এ সময় চুলার আগুন পাশে রাখা শুকনো খড়িতে লেগে মুহূর্তেই রান্নাঘর ও পাশের গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে ঘর, গরু ও ছাগলসহ ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে যায়।
ঘটনা টের পেয়ে এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন এবং খবর দেন ফায়ার সার্ভিসে। পরে দয়ারামপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় সাধনের দাদি মমতাজ বেগম ভয় ও ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
দয়ারামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনচার্জ ফজলুর রহমান বলেন, “আমরা খবরটি কিছুটা দেরিতে পেয়েছিলাম। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি।” তিনি আরও জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রান্নার চুলার আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে।”



















