নগর হোক সাইকেলবান্ধব-রাজশাহীতে যানজট সচেতনতায় বর্ণাঢ্য সাইকেল র্যালি
- আপডেট সময় : ০১:১৭:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫ ২৩২ বার পড়া হয়েছে

নগর হোক সাইকেলবান্ধব-রাজশাহীতে যানজট সচেতনতায় বর্ণাঢ্য সাইকেল র্যালি
‘নগর হোক সাইকেলবান্ধব, সাইকেল লেন হোক বাধ্যতামূলক-এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ ও রাউন্ড টেবিল বাংলাদেশের আয়োজনে, দুরন্ত বাইসাইকেলের সহযোগিতায় রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত হলো এক বর্ণাঢ্য সাইকেল র্যালি।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজশাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে থেকে শুরু হওয়া র্যালিতে অংশ নেন কয়েকশ সাইক্লিস্ট। র্যালিটি ঈদগাহ রোড থেকে ফায়ার সার্ভিস রোড, সি অ্যান্ড বি মোড়, চিড়িয়াখানা, ডিআইজি অফিসের সামনে হয়ে ইউ-টার্ন নিয়ে আবার সি অ্যান্ড বি মোড় ও ফায়ার সার্ভিস রোড পেরিয়ে ঈদগাহ মাঠে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার নূর আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন,“বাইসাইকেল শুধু একটি যানবাহন নয়, এটি দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ার শক্তিশালী মাধ্যম। নিয়মিত সাইক্লিং শরীরচর্চা ও মানসিক প্রশান্তির জন্যও অত্যন্ত উপকারী।”
তিনি স্বাস্থ্যসুরক্ষায় প্রতিদিন সাইকেল চালানোর অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
ভোর থেকেই ঈদগাহ মাঠে জমে ওঠে সাইক্লিস্টদের মিলনমেলা। র্যালির আগে আয়োজিত সাইকেল স্ট্যান্ড শো দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ যোগায়।
র্যালিতে অংশ নেওয়া সাইক্লিস্টরা বলেন, সাইকেল মনকে প্রফুল্ল রাখে এবং এটি শরীরচর্চার দারুণ উপায়। তাদের মতে, নগরীতে যানজট ও দূষণ কমাতে সাইকেলই হতে পারে কার্যকর সমাধান, তবে এজন্য প্রয়োজন পৃথক সাইকেল লেন।
রাউন্ড টেবিল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক কর্মকর্তা এজাজ মাহমুদ রনি বলেন, “সাইক্লিং একটি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জীবনধারার প্রতীক। তরুণ প্রজন্ম যদি এই অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে রাজশাহী আরও সুন্দর ও প্রাণবন্ত শহরে পরিণত হবে।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও সম্মানিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন এজাজ মাহমুদ রনি, যিনি র্যালি কমিটির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
আয়োজকরা জানান, বাড়তে থাকা যানজট, দূষণ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সাইক্লিং হতে পারে টেকসই ভবিষ্যতের ভিত্তি। তাদের আহ্বাব-“বাইসাইকেলের ব্যবহার শুধু সময়ের প্রয়োজনে নয়, এটি হোক আমাদের জীবনের অংশ।”



















