তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী অনুমোদনে প্রজ্ঞা-আত্মা’র অভিনন্দন, দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবি
- আপডেট সময় : ০১:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশোধনী অনুমোদনে প্রজ্ঞা-আত্মা’র অভিনন্দন, দ্রুত গেজেট প্রকাশের দাবি
উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাইলফলক, দেরি হলে বাড়বে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ—এবিএম জুবায়ের
‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি-টোবাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সংগঠন দুটি।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রজ্ঞা ও আত্মা জানায়, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের এই অনুমোদন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিলম্ব হলে তামাক কোম্পানিগুলোর হস্তক্ষেপের সুযোগ বাড়বে বলেও সতর্ক করেছে সংগঠন দুটি।
প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, “অধ্যাদেশটি দ্রুত গেজেট আকারে প্রকাশ করা জরুরি। যত দেরি হবে, তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপের ঝুঁকি তত বাড়বে। অতীতেও আমরা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোম্পানিগুলোর ব্যাপক হস্তক্ষেপের নজির দেখেছি।”
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, তামাক ব্যবহারজনিত রোগে বাংলাদেশে প্রতি বছর ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ক্যানসার, স্ট্রোক, হৃদরোগ ও ফুসফুসের জটিলতাসহ বিভিন্ন অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। বর্তমানে দেশে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কোনো না কোনোভাবে তামাক ব্যবহার করে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, তামাকের ব্যবহার ও উৎপাদনের ফলে বাংলাদেশে বছরে স্বাস্থ্য ও পরিবেশ খাতে প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়, যা একই সময়ে তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্বের দ্বিগুণেরও বেশি।
তামাকের ব্যবহার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। অধ্যাদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশ ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে তামাকজনিত মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একইসঙ্গে এটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-এর আওতায় অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যুর হার এক-তৃতীয়াংশ কমানোর লক্ষ্য অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

























