গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা
- আপডেট সময় : ১১:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬ ২১৮ বার পড়া হয়েছে

গো-খাদ্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা রায়গঞ্জের পশু খামারিরা
খড়-ভুসির আকাশছোঁয়া দাম; বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সহায়তা চাইলেন ক্ষুদ্র খামারিরা
গো-খাদ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ছোট-বড় পশু খামারিরা। খড়, ভুসি, ধানের গুঁড়া ও খুঁদের দাম বেড়ে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্য জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, উপজেলার বিভিন্ন ফসলি জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে মুরগির খামার, মাছের পুকুর ও বসতবাড়ি নির্মাণের কারণে আবাদি ধানের জমি কমে যাচ্ছে। ফলে খড়ের উৎপাদন কমে চাহিদা বেড়ে গেছে। এ কারণে বাজারে খড়ের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিম্ন আয়ের প্রায় প্রতিটি পরিবার গবাদিপশু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। পাশাপাশি অনেকেই ছোট আকারের খামার গড়ে তুলেছেন। এসব পশুর খাদ্য হিসেবে খড় কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। বিভিন্ন বাজারে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা পাশ্ববর্তী জেলা-উপজেলা থেকে খড় কিনে এনে মণ দরে কিংবা ছোট আঁটি করে বিক্রি করছেন।
বর্তমানে প্রতি কেজি ভুসি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, ধানের গুঁড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা এবং খুঁদ ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে করে দানাদার খাদ্যের ব্যয়ও বেড়েছে কয়েকগুণ।
গ্রামপাঙ্গাসী গ্রামের ক্ষুদ্র খামারি মো. নুরুল ইসলাম জানান, তার খামারে চার থেকে পাঁচটি গরু রয়েছে। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী খাবার দিতে পারছেন না। বিভিন্ন স্থান থেকে কষ্ট করে খাদ্য সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বাজারে দানাদার খাদ্যের দামও আকাশচুম্বী হওয়ায় ক্ষুদ্র খামারিরা মারাত্মক সংকটে পড়েছেন।
খামারিরা দানাদার খাদ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি আর্থিক সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে অনেকেই খামার বন্ধ করতে বাধ্য হবেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।




















