ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর বৈসাবী উৎসব শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০২২ ১৬৯ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ী
জনগোষ্ঠীর বৈসাবী উৎসব শুরু

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর বৈসাবী উৎসব শুরু। রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তিন দিনব্যাপী বিজু বৈসু সাংগ্রাই তথা বৈসাবি উৎসব শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) সকালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে রাঙ্গামাটিতে শুরু হয়েছে চাকমাদের বিজু, মারমাদের সাংগ্রাই ও ত্রিপুরাদের বৈসুক উৎসব। সকাল থেকে পাহাড়ী নারীরা বাগান থেকে ফুল সংগ্রহ নিয়ে একে একে চলে আসে কাপ্তাই হ্রদের নৌ ঘাটে।

আর্শিবাদ প্রার্থনা করে পুরনো বছরের সব ময়লা, পাপ, আপদ, বিপদ, গ্লানি, ব্যর্থতা ধুয়ে মুছে ফেলতে পানিতে ভাসানো হয় ফুল। নতুন বছরে সবক্ষেত্রে পরিপূর্ণরূপে অর্জন ও শুভ-মঙ্গলের সৃষ্টিকতার্র কাছে এমন প্রার্থনা জানিয়ে উৎসবের প্রথম দিন কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে পানিতে ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা করেন।

রাঙ্গামাটিতে বৈসাবী উৎসব

সকালে শহরের গর্জনতলী এলাকায় গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্য ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে ত্রিপুরাদের বৈসুক উৎসবের উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী। এসময় জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি রাজবাড়ী ঘাটে বৈসাসী উদ্যাপন কমিটি উদ্যোগে ভোরে গ্রামের তরুন তরুনীরা ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে তিন দিন উৎসবের সূচনা করা হয়। বৈসুক উৎসবের উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এ সময় সাবেক উপসচিব প্রকৃত রঞ্জন চাকমা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থত ছিলেন।

বৈসাবীর উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর এই তিনদিনে আনন্দ উৎসবে মেতে থাকবে পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ। আগামীকাল মুল বিজুর উৎসব পালন করবে পাহাড়ের জনগোষ্ঠী। ঐতিহ্যবাহী পাঁচজন রান্না করে অতিথি আপ্পায়নের মধ্যদিয়ে মুল বিজুর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। আর আগামী ১৬ এপ্রিল সাংগ্রাই জলোৎসবের মধ্যদিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর বৈসাবী উৎসব শুরু

আপডেট সময় : ১১:১৬:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ এপ্রিল ২০২২

কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ী
জনগোষ্ঠীর বৈসাবী উৎসব শুরু

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
কাপ্তাই হ্রদে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর বৈসাবী উৎসব শুরু। রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর তিন দিনব্যাপী বিজু বৈসু সাংগ্রাই তথা বৈসাবি উৎসব শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) সকালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদের গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্যে ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে রাঙ্গামাটিতে শুরু হয়েছে চাকমাদের বিজু, মারমাদের সাংগ্রাই ও ত্রিপুরাদের বৈসুক উৎসব। সকাল থেকে পাহাড়ী নারীরা বাগান থেকে ফুল সংগ্রহ নিয়ে একে একে চলে আসে কাপ্তাই হ্রদের নৌ ঘাটে।

আর্শিবাদ প্রার্থনা করে পুরনো বছরের সব ময়লা, পাপ, আপদ, বিপদ, গ্লানি, ব্যর্থতা ধুয়ে মুছে ফেলতে পানিতে ভাসানো হয় ফুল। নতুন বছরে সবক্ষেত্রে পরিপূর্ণরূপে অর্জন ও শুভ-মঙ্গলের সৃষ্টিকতার্র কাছে এমন প্রার্থনা জানিয়ে উৎসবের প্রথম দিন কাপ্তাই হ্রদে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে পানিতে ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা করেন।

রাঙ্গামাটিতে বৈসাবী উৎসব

সকালে শহরের গর্জনতলী এলাকায় গঙ্গা দেবীর উদ্দেশ্য ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে ত্রিপুরাদের বৈসুক উৎসবের উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী। এসময় জেলা পরিষদ সদস্য বিপুল ত্রিপুরাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি রাজবাড়ী ঘাটে বৈসাসী উদ্যাপন কমিটি উদ্যোগে ভোরে গ্রামের তরুন তরুনীরা ফুল ভাসানোর মধ্যদিয়ে তিন দিন উৎসবের সূচনা করা হয়। বৈসুক উৎসবের উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। এ সময় সাবেক উপসচিব প্রকৃত রঞ্জন চাকমা, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমা বিনতে আমিন এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থত ছিলেন।

বৈসাবীর উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর এই তিনদিনে আনন্দ উৎসবে মেতে থাকবে পার্বত্য অঞ্চলের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ। আগামীকাল মুল বিজুর উৎসব পালন করবে পাহাড়ের জনগোষ্ঠী। ঐতিহ্যবাহী পাঁচজন রান্না করে অতিথি আপ্পায়নের মধ্যদিয়ে মুল বিজুর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। আর আগামী ১৬ এপ্রিল সাংগ্রাই জলোৎসবের মধ্যদিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।