ঢাকা ১২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিংড়ায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব, সালিশ অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ নাটোরে ফিলিং স্টেশনে বাইকারদের ওপর হামলার অভিযোগ বাগাতিপাড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, ইয়াবাসহ ভ্যানচালক আটক পঞ্চগড়ে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় রংপুরে আটক ২ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গু/লি/তে বিজিবি সদস্য আহত রাজশাহীতে অ/স্ত্রসহ আটক কিশোরকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশ অবরু/দ্ধ রাজশাহীতে যুবলীগ নেতার পুকুরে বি/ষ, ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ রাজশাহীতে সড়ক দু’র্ঘটনায় এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃ’ত্যু বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আ/ত্ম/হ/ত্যার হু’মকি গোদাগাড়ীতে পাগলা কুকুরের তাণ্ডব, শিশুসহ আহত ৫

আমেরিকার জনপ্রিয় এক রূপচর্চায় খরচ বাংলাদেশি ৮০ হাজার টাকার বেশি!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আমেরিকার জনপ্রিয় এক রূপচর্চায় খরচ বাংলাদেশি ৮০ হাজার টাকার বেশি!

চ্যানেল এ নিউজ ডেস্কঃ
মাছের ডিম দিয়ে আমেরিকার জনপ্রিয় এক রূপচর্চায় খরচ বাংলাদেশি ৮০ হাজার টাকার বেশি! এমন কথা জেনে নিশ্চয় সবার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। অবাক করা কথা হলেও এই কথা সত্যি। বিশ্বের ধনী ব্যক্তিরাই শুধু এই ফেসিয়াল করতে পারেন। কারণ একেকবার আমেরিকার জনপ্রিয় এই ফেসিয়ালে গুনতে হবে ১০০০ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৮০ হাজারেরও বেশি।

নিয়মিত এই ফেসিয়াল করেন হলিউডের নামকরা অভিনেত্রীরা এবং কারদাশিয়ান বোনেরা। অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন, এই ফেসিয়ালের এতো দাম কেন? কারণ এই ফেসিয়াল করা হয় বিশেষ এক মাছের ডিম দিয়ে। ক্যাভিয়ারের ডিএনএ। বিশ্বের সবচেয়ে দামি খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো ক্যাভিয়ার। ৩০ গ্রাম ক্যাভিয়ারের দাম পড়তে পারে বাংলাদেশি টাকায় ১০-২০ হাজার টাকা। কালো ক্যাভিয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি।

জানা যায়, অস্কারের অনুষ্ঠানের আগে এই বিশেষ ফেসিয়াল নিতে ছুটেন নামকরা অভিনেত্রীরা। কিম কারদাশিয়ানসহ তার বোন ক্লোয়ি ও কোর্টনি কারদাশিয়ানও মাসে দুই থেকে তিন বার এই ফেসিয়াল করেন। ক্যাভিয়ারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখে এই বিশেষ ফেসিয়াল।

এই ফেসিয়াল করলে ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন মুহূর্তেই বেড়ে যায়। ত্বক আরও কোমল ও দাগহীন হয়। এক কথায় তাই ত্বকে ম্যাজিকের মতো কাজ করে ফেসিয়ালটি।

মাছের ফেসিয়াল কীভাবে করা হয়? এক্ষেত্রে বিউটিশিয়ানরা নানাভাবে ত্বক পরিষ্কার করার পর ৪-৫ রকম মাস্ক ব্যবহার করেন। কোলাজেন মাস্কও থাকে তার মধ্যে। এক ধরনের এনজাইম পিলও ব্যবহার হয়। এক ঘণ্টা ধরে হায়ড্রা ফেসিয়াল করানো হয়। তারপর থাকে এলইডি লাইট দিয়ে ট্রিটমেন্ট। বিলাসবহুল ফরাসি ব্র্যান্ডের নানা রকম ক্রিম-ময়শ্চারাইজার ও বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়।

সঙ্গে থাকে চার রকমের ম্যাসাজ। জাপানের ৫৪০ বছর পুরনো কোবিডো পদ্ধতিতেও ম্যাসাজ করানো হয়। যা নিয়মিত করলে মুখের আকৃতি সুন্দর হয়। এই ফেসিয়াল শেষ হতে ৫-৬ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে এই ফেসিয়াল সব জায়গায় পাওয়া যায় না। এটি পাওয়া যায় কেবল নিউ ইয়র্ক, প্যারিস, লাস ভেগাস, লাগুনা বিচসহ হাতে গোনা কয়েকটি শহরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আমেরিকার জনপ্রিয় এক রূপচর্চায় খরচ বাংলাদেশি ৮০ হাজার টাকার বেশি!

আপডেট সময় : ০২:০০:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২

আমেরিকার জনপ্রিয় এক রূপচর্চায় খরচ বাংলাদেশি ৮০ হাজার টাকার বেশি!

চ্যানেল এ নিউজ ডেস্কঃ
মাছের ডিম দিয়ে আমেরিকার জনপ্রিয় এক রূপচর্চায় খরচ বাংলাদেশি ৮০ হাজার টাকার বেশি! এমন কথা জেনে নিশ্চয় সবার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেছে। অবাক করা কথা হলেও এই কথা সত্যি। বিশ্বের ধনী ব্যক্তিরাই শুধু এই ফেসিয়াল করতে পারেন। কারণ একেকবার আমেরিকার জনপ্রিয় এই ফেসিয়ালে গুনতে হবে ১০০০ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৮০ হাজারেরও বেশি।

নিয়মিত এই ফেসিয়াল করেন হলিউডের নামকরা অভিনেত্রীরা এবং কারদাশিয়ান বোনেরা। অনেকেই হয়তো ভাবতে পারেন, এই ফেসিয়ালের এতো দাম কেন? কারণ এই ফেসিয়াল করা হয় বিশেষ এক মাছের ডিম দিয়ে। ক্যাভিয়ারের ডিএনএ। বিশ্বের সবচেয়ে দামি খাবারের মধ্যে অন্যতম হলো ক্যাভিয়ার। ৩০ গ্রাম ক্যাভিয়ারের দাম পড়তে পারে বাংলাদেশি টাকায় ১০-২০ হাজার টাকা। কালো ক্যাভিয়ারের দাম সবচেয়ে বেশি।

জানা যায়, অস্কারের অনুষ্ঠানের আগে এই বিশেষ ফেসিয়াল নিতে ছুটেন নামকরা অভিনেত্রীরা। কিম কারদাশিয়ানসহ তার বোন ক্লোয়ি ও কোর্টনি কারদাশিয়ানও মাসে দুই থেকে তিন বার এই ফেসিয়াল করেন। ক্যাভিয়ারে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকায় চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখে এই বিশেষ ফেসিয়াল।

এই ফেসিয়াল করলে ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন মুহূর্তেই বেড়ে যায়। ত্বক আরও কোমল ও দাগহীন হয়। এক কথায় তাই ত্বকে ম্যাজিকের মতো কাজ করে ফেসিয়ালটি।

মাছের ফেসিয়াল কীভাবে করা হয়? এক্ষেত্রে বিউটিশিয়ানরা নানাভাবে ত্বক পরিষ্কার করার পর ৪-৫ রকম মাস্ক ব্যবহার করেন। কোলাজেন মাস্কও থাকে তার মধ্যে। এক ধরনের এনজাইম পিলও ব্যবহার হয়। এক ঘণ্টা ধরে হায়ড্রা ফেসিয়াল করানো হয়। তারপর থাকে এলইডি লাইট দিয়ে ট্রিটমেন্ট। বিলাসবহুল ফরাসি ব্র্যান্ডের নানা রকম ক্রিম-ময়শ্চারাইজার ও বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়।

সঙ্গে থাকে চার রকমের ম্যাসাজ। জাপানের ৫৪০ বছর পুরনো কোবিডো পদ্ধতিতেও ম্যাসাজ করানো হয়। যা নিয়মিত করলে মুখের আকৃতি সুন্দর হয়। এই ফেসিয়াল শেষ হতে ৫-৬ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে এই ফেসিয়াল সব জায়গায় পাওয়া যায় না। এটি পাওয়া যায় কেবল নিউ ইয়র্ক, প্যারিস, লাস ভেগাস, লাগুনা বিচসহ হাতে গোনা কয়েকটি শহরে।