ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে নারী ও রিকশাচালকের ম/র/দে/হ উদ্ধার গোয়ালন্দে পুকুরপাড়ে মাটিচা/পা অবস্থায় মা ও মেয়ের লা/শ উদ্ধার পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার স্বপ্ন ছিল- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ লালপুরে মাদক সেবনের দায়ে একজনকে মোবাইল কোর্টে দণ্ড লালপুরে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক নাসার বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. এম রেজাউল হক মারা গেছেন শেরপুর-ময়মনসিংহ সীমান্তে বিজিবির রাতভর অভিযানে ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ জৈষ্ঠ্যের প্রথম দিনে গুটি আম দিয়ে রাজশাহীতে আম পাড়া শুরু মান্দায় অনলাইন জু/য়ার আসরে অভিযান, ১৫ জন গ্রেপ্তার গোদাগাড়ীতে এক কোটি টাকার হেরোইনসহ কিশোর আটক

পঞ্চগড়ে রেলপথে মাল বাহী ট্রেনে বালু পরিবহনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ৪০২ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে রেলপথে মাল বাহী ট্রেনে বালু পরিবহনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

পাথর বালুর জেলা পঞ্চগড়ে শুরু হয় রেলওয়ে রুটে বালু আমদানী। ব্যবসায়িরা ট্রেনের মালবাহী ওয়াগেনে এই বালু নিতে আগ্রহ প্রকাশ করায় কর্তৃপক্ষ সেটি বিবেচনায় নিয়ে বালু নিতে অনুমতি দিয়েছে। আর শুরুতেই চলছে বালু সরবরাহে কারসাজি এবং ঘূষ বানিজ্য। বর্ষায় কিছুটা বিড়ম্বনা হলেও নদী মাতৃক এলাকায় বছরের ১২ মাসেই চলে বালুর ব্যবসা। যুগ যুগ ধরে ব্যবসায়িরা সড়ক পথেই ট্রাকে করে নিতো বাল্ ু।এখন রেলওয়েতে আমদানীর সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় ট্রেনের মালবাহী ওয়াগেন দিয়ে বালু ব্যবসা শুরু করেছে।

এতে নতুন করে অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের পথচলা শুরু হয়েছে। বেড়েছে কর্মজীবী মানুষের কাজের পরিধি। সদর ও তেতুঁলিয়া উপজেলা রেলওয়ের পথ অল্প হওয়ায় সরকারী এই রেলপথ বাহনটিতে সচরাচর কম খরচে নিতে পারছে বালু। সাথে ব্যবসায় আর্থিক খাতে উন্নয়নের নতুন সূচনার পথ উম্মোচিত হয়েছে।

কিন্তু এ ব্যবসার শুরুতেই কারসাজির আশ্রয় নিয়েছে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। চলছে ঘূষ বানিজ্য। ব্যবসায়িরা শ্রমিকদের অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ মালবাহী ট্রেন ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রেন প্রতি মোটা অংকের ঘুষ দিতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। তারা আরও জানান ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বালু ১০ চাকার ট্রাকে ঢাকা, রাজশাহী, গাজীপুর, বগুড়ায় কুষ্টিয়া, পাবনা, নাটোর, নওগাঁয় পরিবহন করতে গুনতে হয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। তবে অনেক সময় ট্রাক পাওয়া যায় না। সে কারণে কোন কো সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তারা বলেন এই রেলপথে একই পরিমাণ বালু পরিবহনে খরচ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।যমুনা সেতু দিয়ে সরাসরি রেলপথে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা পর্যন্ত বালু পাঠানো গেলে পরিবহন খরচ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমে যায়।

ঢাকনাওয়ালা এবং ঢাকনা বিহীন খোলা দুটি মালবাহি ট্রেনের ৩০ টি ওয়াগনে বালু পরিবহন করা হয়। এসব ওয়াগনের ধারণ ক্ষমতা ৫৫ মেট্রিক টন। ভেজা বালু ২৮ ইঞ্চি এবং শুকনো বালু ৩৫ ইঞ্চি উচ্চতায় চিহ্ণিত দাগে প্রত্যেকটি ওয়াগনে বালু লোড দেয় পাথর শ্রমকিরা। তবে ধারণ ক্ষমতা ৫৫ মেট্রিক টন হলেও ট্রেন চলাচলের সময় ঝাঁকি খেয়ে পরিমাপের স্কেলে বালুর পরিমান কমে যায়। এ জন্য ব্যবসায়িরা কয়েক ইঞ্চি ওভার লোড করে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আন্ত:দেশীয় বালূু আমদানীকারক ও কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মচারী প্রত্যেক বগিতে অতিরিক্ত ৩০ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন বালু পরিবহন করে।

এর ফলে মালবাহী ট্রেনগুলো যান্ত্রিক ঝুঁকিতে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে প্রতি মালবাহি ট্রেন থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানাগেছে অতিরিক্ত বালু লোডের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ষ্টেসনে কর্মরত স্টেষন ইনচার্জ, জেটিআই,টি এক্সআর,আর এনবি এস আই সহ বিভিন্ন দপ্তরে মোটা অংকের ঘুষ দিতে হচ্ছে ব্যবসায়িদের। অতিরিক্ত এই বালু পরিবহনের জন্য এসব দপ্তরে মালবাহি ট্রেন প্রতি প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করতে হয়। অনেক সময় ব্যবসায়িদেরকে বাধ্য করেই নেয়া হচ্ছে টাকা। নাম গোপন রাখার শর্তে কয়েকজন বালু ব্যবসায়ি ও কর্মচারী কর্মকর্তা বলছেন শুরু হতে না হতেই বালু পরিবহনে দুর্নীতি শুরু হয়েছে। ষ্টেশনে কর্মরত সকলের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ি এবং শ্রমিকরা বলছেন ট্রেনে করে বালু পরিবহন শুরু হওয়ার পর অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। জেলাটিতে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু অসাধু কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীর কারণে বালু পরিবহন বন্ধ হয়ে গেলে সরকার যেমন রাজস্ব হারাবে তেমনি অনেক মানুষের কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্থ হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী রবি হাসান জানান, ওভার লোডে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি স্টেশনের সবখানে গুঞ্জন আর ফিস ফাঁস শুলু হয়েছে। বিষয়টি খুব দুঃখজনক । রেলপথেবালুর ব্যবসা শুরু হওয়ায় ষ্টেশনে সকলের মধ্যে উৎসাহ শুরু হয়েছে। কিন্তু এভাবে দুর্নীতি শুরু হলে একসময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বালু পরিবহন। তখন আমরা সকলেই ক্ষতিগ্রস্থ হবো। আমরা চাই স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হোক। অন্যদিকে বালু পাথর সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠান এস এস ট্রেডার্স এর কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান মুঠো ফোনে জানান অতিরিক্ত লোড করা হয়না। এজন্য কাউকে ঘুষ প্রদান করা হয়না। স্বচ্ছ ভাবেই আমরা বালু নিয়ে আসছি।

তবে এসকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত স্টেশন ইনচার্জ জাহেদুল ইসলাম, জুনিয়র ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মোশারফ হোসেন। তারা জানান মালবাহী পরিবহনে অতিরিক্ত বালু লোড করা হয়না। কিছু ব্যবসায়ি অবৈধ সুযোগ না পাওয়ার জন্য এমন রটনা ছড়িয়েছে।এখানে ঘুষ বাণিজ্য হয়না। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বালু পরিবহন করা হচ্ছে । এধরণে দুর্নীতি আর কারসাজি ঠেকাতে শ্রমিক ও সাধারন জনগন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে রেলপথে মাল বাহী ট্রেনে বালু পরিবহনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

পঞ্চগড়ে রেলপথে মাল বাহী ট্রেনে বালু পরিবহনে অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ

পাথর বালুর জেলা পঞ্চগড়ে শুরু হয় রেলওয়ে রুটে বালু আমদানী। ব্যবসায়িরা ট্রেনের মালবাহী ওয়াগেনে এই বালু নিতে আগ্রহ প্রকাশ করায় কর্তৃপক্ষ সেটি বিবেচনায় নিয়ে বালু নিতে অনুমতি দিয়েছে। আর শুরুতেই চলছে বালু সরবরাহে কারসাজি এবং ঘূষ বানিজ্য। বর্ষায় কিছুটা বিড়ম্বনা হলেও নদী মাতৃক এলাকায় বছরের ১২ মাসেই চলে বালুর ব্যবসা। যুগ যুগ ধরে ব্যবসায়িরা সড়ক পথেই ট্রাকে করে নিতো বাল্ ু।এখন রেলওয়েতে আমদানীর সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় ট্রেনের মালবাহী ওয়াগেন দিয়ে বালু ব্যবসা শুরু করেছে।

এতে নতুন করে অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের পথচলা শুরু হয়েছে। বেড়েছে কর্মজীবী মানুষের কাজের পরিধি। সদর ও তেতুঁলিয়া উপজেলা রেলওয়ের পথ অল্প হওয়ায় সরকারী এই রেলপথ বাহনটিতে সচরাচর কম খরচে নিতে পারছে বালু। সাথে ব্যবসায় আর্থিক খাতে উন্নয়নের নতুন সূচনার পথ উম্মোচিত হয়েছে।

কিন্তু এ ব্যবসার শুরুতেই কারসাজির আশ্রয় নিয়েছে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী। চলছে ঘূষ বানিজ্য। ব্যবসায়িরা শ্রমিকদের অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ মালবাহী ট্রেন ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রেন প্রতি মোটা অংকের ঘুষ দিতে হচ্ছে কর্মকর্তাদের। তারা আরও জানান ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বালু ১০ চাকার ট্রাকে ঢাকা, রাজশাহী, গাজীপুর, বগুড়ায় কুষ্টিয়া, পাবনা, নাটোর, নওগাঁয় পরিবহন করতে গুনতে হয় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। তবে অনেক সময় ট্রাক পাওয়া যায় না। সে কারণে কোন কো সময় ভোগান্তিতে পড়তে হয়। তারা বলেন এই রেলপথে একই পরিমাণ বালু পরিবহনে খরচ হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা।যমুনা সেতু দিয়ে সরাসরি রেলপথে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা পর্যন্ত বালু পাঠানো গেলে পরিবহন খরচ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কমে যায়।

ঢাকনাওয়ালা এবং ঢাকনা বিহীন খোলা দুটি মালবাহি ট্রেনের ৩০ টি ওয়াগনে বালু পরিবহন করা হয়। এসব ওয়াগনের ধারণ ক্ষমতা ৫৫ মেট্রিক টন। ভেজা বালু ২৮ ইঞ্চি এবং শুকনো বালু ৩৫ ইঞ্চি উচ্চতায় চিহ্ণিত দাগে প্রত্যেকটি ওয়াগনে বালু লোড দেয় পাথর শ্রমকিরা। তবে ধারণ ক্ষমতা ৫৫ মেট্রিক টন হলেও ট্রেন চলাচলের সময় ঝাঁকি খেয়ে পরিমাপের স্কেলে বালুর পরিমান কমে যায়। এ জন্য ব্যবসায়িরা কয়েক ইঞ্চি ওভার লোড করে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আন্ত:দেশীয় বালূু আমদানীকারক ও কয়েকজন কর্মকর্তা কর্মচারী প্রত্যেক বগিতে অতিরিক্ত ৩০ থেকে ৩৫ মেট্রিক টন বালু পরিবহন করে।

এর ফলে মালবাহী ট্রেনগুলো যান্ত্রিক ঝুঁকিতে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে প্রতি মালবাহি ট্রেন থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। জানাগেছে অতিরিক্ত বালু লোডের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ষ্টেসনে কর্মরত স্টেষন ইনচার্জ, জেটিআই,টি এক্সআর,আর এনবি এস আই সহ বিভিন্ন দপ্তরে মোটা অংকের ঘুষ দিতে হচ্ছে ব্যবসায়িদের। অতিরিক্ত এই বালু পরিবহনের জন্য এসব দপ্তরে মালবাহি ট্রেন প্রতি প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা প্রদান করতে হয়। অনেক সময় ব্যবসায়িদেরকে বাধ্য করেই নেয়া হচ্ছে টাকা। নাম গোপন রাখার শর্তে কয়েকজন বালু ব্যবসায়ি ও কর্মচারী কর্মকর্তা বলছেন শুরু হতে না হতেই বালু পরিবহনে দুর্নীতি শুরু হয়েছে। ষ্টেশনে কর্মরত সকলের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ি এবং শ্রমিকরা বলছেন ট্রেনে করে বালু পরিবহন শুরু হওয়ার পর অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। জেলাটিতে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু অসাধু কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীর কারণে বালু পরিবহন বন্ধ হয়ে গেলে সরকার যেমন রাজস্ব হারাবে তেমনি অনেক মানুষের কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্থ হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী রবি হাসান জানান, ওভার লোডে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি স্টেশনের সবখানে গুঞ্জন আর ফিস ফাঁস শুলু হয়েছে। বিষয়টি খুব দুঃখজনক । রেলপথেবালুর ব্যবসা শুরু হওয়ায় ষ্টেশনে সকলের মধ্যে উৎসাহ শুরু হয়েছে। কিন্তু এভাবে দুর্নীতি শুরু হলে একসময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বালু পরিবহন। তখন আমরা সকলেই ক্ষতিগ্রস্থ হবো। আমরা চাই স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হোক। অন্যদিকে বালু পাথর সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠান এস এস ট্রেডার্স এর কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান মুঠো ফোনে জানান অতিরিক্ত লোড করা হয়না। এজন্য কাউকে ঘুষ প্রদান করা হয়না। স্বচ্ছ ভাবেই আমরা বালু নিয়ে আসছি।

তবে এসকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত স্টেশন ইনচার্জ জাহেদুল ইসলাম, জুনিয়র ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মোশারফ হোসেন। তারা জানান মালবাহী পরিবহনে অতিরিক্ত বালু লোড করা হয়না। কিছু ব্যবসায়ি অবৈধ সুযোগ না পাওয়ার জন্য এমন রটনা ছড়িয়েছে।এখানে ঘুষ বাণিজ্য হয়না। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে বালু পরিবহন করা হচ্ছে । এধরণে দুর্নীতি আর কারসাজি ঠেকাতে শ্রমিক ও সাধারন জনগন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।