ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গোমস্তাপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃ/ত্যু জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬: বাগাতিপাড়ায় তিন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ গালিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাগাতিপাড়ায় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ এ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন, উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা আরএমপির উদ্যোগে উদ্ধার ১০১ হারানো মোবাইল ফোন, মালিকদের হাতে হস্তান্তর লালপুরে বজ্রপাতে ইটভাটা শ্রমিক নিহত, আহত ২ নারী দা’ফন শেষে বাড়ি ফেরার পথে ট্রাক্টরে ধা/ক্কা লেগে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃ/ত্যু, স্ত্রী আহত দুই বছরের মধ্যে চালু হতে পারে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর- মির্জা ফখরুল জলবায়ু ঝুঁকিতে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় মান্দায় গণতান্ত্রিক সংলাপ অনুষ্ঠিত বিজিবি উত্তর-পশ্চিম রিজিয়নে এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকার মাদক ও চোরাচালান পণ্য আটক সিংড়ায় ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়, দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়, দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি, হাড় কাঁপানো শীতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ

হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় পঞ্চগড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ, একটার আগে দেখা মিলছে না সূর্যের।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রাও কমে এসেছে। সোমবার যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার তা নেমে ২১ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল তেঁতুলিয়াসহ পুরো পঞ্চগড় জেলা। দুপুর ১টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি উত্তরের হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।

গত তিন দিন ধরে জেলার তেঁতুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিকেল থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। এতে রিকশা ও ভ্যানচালক, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ইজিবাইক ও অটোরিকশাচালকদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, চলতি সপ্তাহে জেলার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, পঞ্চগড়ে বর্তমানে চরম ঠান্ডা বিরাজ করছে। শীত মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬৪০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ৬৫ হাজার পিস কম্বলের চাহিদা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়, দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের

আপডেট সময় : ০২:১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়, দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের

তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি, হাড় কাঁপানো শীতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ

হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় পঞ্চগড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ, একটার আগে দেখা মিলছে না সূর্যের।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রাও কমে এসেছে। সোমবার যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার তা নেমে ২১ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল তেঁতুলিয়াসহ পুরো পঞ্চগড় জেলা। দুপুর ১টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি উত্তরের হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।

গত তিন দিন ধরে জেলার তেঁতুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিকেল থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। এতে রিকশা ও ভ্যানচালক, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ইজিবাইক ও অটোরিকশাচালকদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, চলতি সপ্তাহে জেলার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, পঞ্চগড়ে বর্তমানে চরম ঠান্ডা বিরাজ করছে। শীত মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬৪০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ৬৫ হাজার পিস কম্বলের চাহিদা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।