ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়, দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের
- আপডেট সময় : ০২:১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৮০ বার পড়া হয়েছে

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পঞ্চগড়, দুপুর পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের
তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি, হাড় কাঁপানো শীতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় পঞ্চগড়ে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে চারপাশ, একটার আগে দেখা মিলছে না সূর্যের।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রাও কমে এসেছে। সোমবার যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার তা নেমে ২১ দশমিক ৭ ডিগ্রিতে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে ছিল তেঁতুলিয়াসহ পুরো পঞ্চগড় জেলা। দুপুর ১টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। পাশাপাশি উত্তরের হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাসে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে।
গত তিন দিন ধরে জেলার তেঁতুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় বিকেল থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা বিরাজ করছে। এতে রিকশা ও ভ্যানচালক, কৃষিশ্রমিক, দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ইজিবাইক ও অটোরিকশাচালকদের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, চলতি সপ্তাহে জেলার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।
জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, পঞ্চগড়ে বর্তমানে চরম ঠান্ডা বিরাজ করছে। শীত মোকাবিলায় ইতোমধ্যে ৮ হাজার ৬৪০ পিস কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরও ৬৫ হাজার পিস কম্বলের চাহিদা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে জেলার প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।




















