ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁও সুগার মিলে যোগ দিয়েই বৃক্ষরোপণ করলেন নবনিযুক্ত এমডি পঞ্চগড়ে শান্তিশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন প্যারাকুয়েট নিষিদ্ধে আর বিলম্ব নয়, নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের দাবি নলডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, বেকারিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ঝিনাইগাতীতে বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ রাণীশংকৈলে ফেসবুক লাইভে ক্ষমা চাওয়ার পর ইউপি সদস্যের মৃত্যু পুঠিয়ায় গাছে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত স্বামীর ভিটে থেকেও বঞ্চিত বৃদ্ধা বিমলা রানী, পুকুরপাড়ের ভাঙা কুঁড়েঘরেই মৃত্যুর প্রহর ধোবাউড়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১২৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ শ্রীবরদীর শি’শু ধ/র্ষ/ণ মামলার প্রধান আসামি চট্রগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার

উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন হলো রাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন হলো রাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন হলো রাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী! স্বপ্ন গড়ার সাত দশক স্লোগানকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১৯৫৩ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু করে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলেও বর্তমানে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির গৌরব ও ঐতিহ্য বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি নেওয়া হয়। সকাল ১০টায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা ‍ওড়ানো, বেলুন উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর আগে বিভিন্ন হলের প্রাধাক্ষ্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী জোহা চত্বরে একত্রিত হয়। সেখান থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রা শেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করা হয়।

এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) বলেন, অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এবং এই অঞ্চলের মানুষকে শিক্ষিত করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছিল।
সকলের প্রচেষ্টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আজ একটি বিশিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে পেরেছে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে পেরেছে।এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষার আলো নিয়ে শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বকে আলোকিত করে চলেছে। তারা তাদের যোগ্যতার প্রমাণ রেখে চলেছে। তারা এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হিসেবে সারা বিশ্বে প্রমাণ করেছে আমরাও পারি। সেই দিকের বিবেচনায় আমরা বলবো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সেই স্বপ্ন সার্থক।

তিনি আরও বলেন, গতিশীল পৃথিবী কখনো বসে থাকে না। সেই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের প্রযুক্তির দিক দিয়ে আরও এগিয়ে যেতে হবে। যেটি হয়তো আমাদের সীমিত সম্পদের কারণে বা যোগ্য প্রশিক্ষণের অভাবে সেই জায়গায় উপনীত হতে পারিনি। আমরা যদি শিক্ষক, কর্মচারী-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা একযোগে চেষ্টা করি তাহলে আরও উন্নতি করা সম্ভব।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালামের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবাইদুর রহমান প্রামাণিক, বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, বিভিন্ন হলের প্রাধাক্ষ্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন হলো রাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী!

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন হলো রাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন হলো রাবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী! স্বপ্ন গড়ার সাত দশক স্লোগানকে সামনে রেখে উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১৯৫৩ সালের এই দিনে যাত্রা শুরু করে। উত্তরাঞ্চলের মানুষের পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হলেও বর্তমানে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির গৌরব ও ঐতিহ্য বিশ্বময় ছড়িয়ে পড়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচি নেওয়া হয়। সকাল ১০টায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় সংগীত পরিবেশন, জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলগুলোর পতাকা উত্তোলন, পায়রা ‍ওড়ানো, বেলুন উড্ডয়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর আগে বিভিন্ন হলের প্রাধাক্ষ্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী জোহা চত্বরে একত্রিত হয়। সেখান থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন। শোভাযাত্রা শেষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করা হয়।

এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সুলতান-উল-ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য) বলেন, অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে এবং এই অঞ্চলের মানুষকে শিক্ষিত করে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করে যোগ্য মানবসম্পদ তৈরি করার লক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছিল।
সকলের প্রচেষ্টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আজ একটি বিশিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে পেরেছে। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে পেরেছে।এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষার আলো নিয়ে শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বকে আলোকিত করে চলেছে। তারা তাদের যোগ্যতার প্রমাণ রেখে চলেছে। তারা এই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী হিসেবে সারা বিশ্বে প্রমাণ করেছে আমরাও পারি। সেই দিকের বিবেচনায় আমরা বলবো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যে স্বপ্ন নিয়ে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সেই স্বপ্ন সার্থক।

তিনি আরও বলেন, গতিশীল পৃথিবী কখনো বসে থাকে না। সেই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের প্রযুক্তির দিক দিয়ে আরও এগিয়ে যেতে হবে। যেটি হয়তো আমাদের সীমিত সম্পদের কারণে বা যোগ্য প্রশিক্ষণের অভাবে সেই জায়গায় উপনীত হতে পারিনি। আমরা যদি শিক্ষক, কর্মচারী-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা একযোগে চেষ্টা করি তাহলে আরও উন্নতি করা সম্ভব।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালামের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবাইদুর রহমান প্রামাণিক, বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক সনৎকুমার সাহা, প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে, বিভিন্ন হলের প্রাধাক্ষ্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিক্ষার্থীরা।